শোকজ থেকে বাচঁতে প্রার্থীদের ভিন্ন কৌশল
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:৩৮ পিএম
# মিডিয়ার আড়ালেই অনেক প্রার্থী সেরে নিচ্ছেন উঠান বৈঠক
# ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পর পরই শুরু হবে প্রচার প্রচারণা
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সাংসদ নির্বাচন আগামী ৭ ই জানুয়ারী অনুষ্ঠিত হবে। তবে দলীয় প্রতিক বের না হওয়া পর্যন্ত কোন রকম নির্বাচনী প্রচার- প্রচারনা উঠান বৈঠক করতে পারবে না নির্বাচনে অংশ নেওয়া কোন প্রার্থী। নির্বাচন কমিশন তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে আগামী ১৮ ই জানুয়ারী নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী সকল প্রার্থীরা নির্বাচনের প্রচার প্রচারনা করতে পারবেন।
ইতিমধ্যে নির্বাচনের আচরন বিধি লঙ্ঘন করে সারাদেশেই অর্ধশতাধিক প্রাথী শোকজ নোটিশ পেয়েছিলেন। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের এমপি প্রার্থীরাও বাদ পড়েনি যাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ১ আসনে পাট ও বস্র মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান।
এবং নারায়ণগঞ্জ ৩ আসনের জাতীয় পার্টির এমপি লিয়াকত হোসেন খোকাও আচরন বিধি লঙ্ঘনের কারনে শোকজ হয়েছিলেন, যাদের প্রত্যেককেই স্বশরীরে শোকজের জবাব দিতে হয়েছে। তবে কতটাই মানছেন নির্বাচনের আচরন বিধি প্রতীক বরাদ্দের আগে সকল ধরনের উঠান বৈঠক নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা সহ সকল কিছু মানতে।
নারায়ণগঞ্জে প্রতিটা আসনেই প্রার্থীরা চালিয়েই যাচ্ছে তাদের নির্বাচনী কার্যক্রম বিভিন্ন যায়গাতে তাদের উঠান বৈঠক করা হলেও কিন্ সেখানে কোন ধরনের সাংবাদিক সেখানে অনুমতি পায় না। যার কারনে কোন রকম প্রমান না থাকার কারনে তারা তাদের কৌশল অবলম্বন কবে।
এদিকে গত একাদশ জাতীয় সাংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান মার্কা হাতে পাওয়ার আগে তফসিল ঘোষনার পরপরই নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনেকটাই শেষ করতে পেরেছিলেন। কিন্ত এবার নির্বাচন কমিশনের কঠোর সতর্কতায় তা আর হয়ে উঠছেনা শামীম ওসামনের ।
জানা গেছে, ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জে শামীম ওসমানের বেশ কয়েকটি উঠান বৈঠকের ডেট ঠিক করা হলেও তা আর তা আর করা হয়নি। তবে গোপনে বিভিন্ন নেতাকর্মীদের নিয়ে ইতিমধ্যেই ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকাতে প্রধান মন্ত্রীর জন্য দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শামীম ওসমান।
আর সেই সকল দোয়া অনুষ্ঠানে শামীম ওসমান নেতাকর্মীদের নির্বাচনের দিক নির্দেশনা দেন শুধু তাই নয় ১৮ তারিখের আগে খোলামেলা প্রেগ্রাম করতে চান না তবে আগামী ১৮ তারিখ শামীম ওসমান প্রতিটা কেন্দ্র কেন্দ্র কমিটির নেতাকর্মীরা নৌকার মিছিল করবে।
শুধু নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনেই নয় প্রতিটি আসনেই প্রার্থীরা তারা তাদের মতো কৌসলে চালিয়ে যাচ্ছে প্রচার প্রচারনা। কিন্ত প্রকাশ্যে প্রচার প্রচারনা চালাতে সকল প্রার্থীকে আগামী ১৮ ডিসেম্বরের অপেক্ষায় থাকতে হবে।অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ ২ আড়াইহাজারেও আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবুর বেশ কযেকটি পোষ্টান নামিয়েছে রিটানিং কর্মকর্তার নির্দেশনায়।
শুধু তাই নয় নারায়ণগঞ্জ ১ আসনে এমপি প্রার্থী তৃনমূল বিএনপির মহাসচিব এডভোকেট তৈমূল আলম খন্দকারকে দেখা গেছে আচরন বিধি লঙ্ঘন করেই পাড়া মহল্লায় ভোট প্রার্থনা করছেন। কিন্ত আগামী ৭ ই জানুয়ারী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১৮ডিসেম্বরে মূল প্রচার প্রচারনা শুরু তাকে করে দেখা যাচ্ছে অনেকটা অল্প সময় পাবেন প্রার্থীরা।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের করা হুঁশিয়ারী অনুযায়ী কোন প্রার্থী আচরন বিধি লঙ্ঘন করলে তাকে শোকজ কিংবা প্রার্থীতা বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত নিবে।তাই সকলকে আচরন বিধি মেনেই তাদের কার্যক্রম করবে।


