বিএনপি নেতাদের দাবি ‘পার পাওয়া যাবে না’
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩, ১০:১০ পিএম
দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাহিরে থাকা দেশের সব চাইতে বড় বিরোধী দল বিএনপি। যাকে ঘিরে মামলা-হামলায় জীবন কাটাতে হচ্ছে বিএনপির নেতাদের। এদিকে গত ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য বলে আখ্যা দেয়নি দলটি। সেই ধারবাহিকতায় এবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা অংশ নেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন।
তার পাশাপাশি দীর্ঘদিন যাবৎ এক দফা দাবি আদায়ে বিএনপির যে আন্দোলন চলমান রয়েছে তা বর্তমানে কঠোর থেকে কঠোর মোড় নিচ্ছে। তাছাড়া তফসিল ঘোষণার পর থেকে তফসিল প্রত্যাখ্যান করে দফায় দফায় কঠোর আন্দোলন হরতাল-অবরোধের তীব্রতা বৃদ্ধি করছে দলটি। তারা দাবি করছে, এই সরকার যতই নকশা করুক না কেন এবার আর পাড় পাবে না।
এদিকে কয়েকজন বিএনপির নেতাদের ভাষ্য একটাই যে, ঘটনা একটাই ঘটবে, দেশে নির্বাচন একটাই হবে, আর সেই নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই হবে, একটা ঘটনা ঘটবে দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসার, দেশের জনগণের ভোটের অধিকার ফিরে আসার, যেহেতু ১ দফা দাবি জনগণের মঙ্গলের দাবি সেহেতু এই দেশে একটাই ঘটনা ঘটবে এক দফা দাবি আদায় হবেই হবে।
সূত্র বলছে, দীর্ঘ প্রায় দেড় মাসের মতো সময়ের পর গতকাল ১৬ ডিসেম্বরে ঢাকায় জমায়েত হয়েছে নারায়ণগঞ্জসহ বিএনপির একাধিক জেলার নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীরা কাধেঁর সাথে কাঁধ মিলিয়ে জমায়েত হয়ে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিজয় র্যালী করেছেন। যাকে ঘিরে দীর্ঘদিন ঝিমিয়ে পরা বিএনপির নেতাকর্মীদের মনোবল আবারো শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।
এদিকে সরকার পতনের আন্দোলনের লক্ষ্য হিসেবে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর থেকে গত ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত কয়েক দফায় ডেট লাইন দিয়ে গেছে। কিন্তু ডেট লাইন দিয়ে তারা আরো মামলায় পিষ্ট হচ্ছেন আর কিছুই না। এছাড়া ও হরতাল ও অবরোধে ও চমক দেখানোর কথা থাকলে ও নিশ্চুপই দেখা গিয়েছে বিএনপিকে।
এদিকে তফসিল ঘোষণা হওয়ার থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিগত দিন থেকে আরো নিষ্ক্রিয় হয়ে পরেন। কিন্তু বিএনপির নেতাকর্মীরা দাবি করেছিলেন তফসিল ঘোষণার পর পর ‘অসহযোগ’ কর্মসূচি পালন করবে। কিন্তু বিএনপির কোন নেতাকর্মীদের কঠোর কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়নি শুধু ঝটিকা মিছিলের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ ছিলো অবরোধ।
এদিকে আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় মানববন্ধন করতে পারলেও নারায়ণগঞ্জে পুলিশের কাঠোর অবস্থানের কারণে মানববন্ধন পন্ড হয়ে যায়। যাকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির নেতাকর্মীরা হতাশাগ্রস্থ হয়ে পরেছিলেন সকলেই মনে করেছেন আর হয়তো তাদের জমায়েত হয়ে রাজপথে নামা হবে না। কিন্ত ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় জমায়েত হতে পেরে বিএনপির নেতাকর্মীরা আরো উৎফুল্ল হয়ে উঠেছেন।
এদিকে ধীরে ধীরে পরিচালিত হওয়া শুরু হওয়ার পথে নির্বাচনের আমেজ ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পরদিন নেতাকর্মীরা বিজয় মিছিল বের করবে বলেও শোনা যাচ্ছে। এদিকে বিএনপির নেতাকর্মীরা একটাই কথা বলছে, নির্বাচন আর হবে না। যদি হয় একটাই নির্বাচন হবে সেটা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন তাছাড়া দেশের জনগণ নির্বাচন হতে দিবে না।
আর যদি এই সরকার পুলিশ পাহাড়ায় অবৈধ নির্বাচন করেও ফেলে তার ও কোন লাভ হবে না। আজকে তারা জোট ভাগাভাগি করলেন কত নাটক এগুলো নাটক আর আর কিছু না। বর্তমানে যে আন্দোলন সেই দাবি এক দফা দাবি আদায়ে হবেই হবেই। দাবি একটা আর ঘটনা সেই একটাই ঘটবে। এস.এ/জেসি


