Logo
Logo
×

রাজনীতি

এতো সময় ব্যয় হলো কোথায়

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:৫৩ পিএম

এতো সময় ব্যয় হলো কোথায়
Swapno

 

# নির্বাচনের পরে মাদক, সন্ত্রাস, চাদাঁবাজি বন্ধের ঘোষণা

 

 

টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর আবারও সহজ ভাবে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়ে দলটি ক্ষমতায় আসীন হতে যাচ্ছে। কেননা আওয়ামী লীগের বিপক্ষে অন্য দল থেকে এবারের নির্বাচনে তেমন কোন শক্তিশালী প্রার্থী না থাকলেও তাদের দল থেকেই স্বতন্ত্রপ্রার্থী রয়েছে বেশির ভাগ আসনে। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান আবারও বলেছেন নির্বাচনের পরে মাদক সন্ত্রাস চাঁদাবাজি বন্ধ করবেন বলে হুশিয়ারি দিয়েছে। যদিও এই হুশিয়ারি তিনি তা একাধিকবার দিয়েও কাজের বেলায় কিছুই করেন নাই।

 

এদিকে আসন্ন জাতীয় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনের এমপি প্রার্থীরা মাঠে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই সাথে ভোটারদের কাছে গিয়ে কেউ কেউ নানা ইশতেহার দিয়ে ওয়াদা পর্যন্ত করছেন। কিন্তু মানুষ বলছে নির্বাচনের আগে এমপি প্রার্থীরা এলাকার মানুষের কাছে গিয়ে নানা কমিট মেন্ট দিয়ে থাকেন। তবে তা কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পারেন এ নিয়ে ভোটারদের যথেষ্ঠ সন্দেহ রয়েছে।

 

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাংসদ শামীম ওসমান ফতুল্লার কাশিপুর ইউনিয়নে প্রচারণা করতে গিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের পর আমার প্রথম কাজ হচ্ছে মাদক, সন্ত্রাস, চাদাঁবাজি বন্ধ করবো। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ্য করেন আল্লাহকে খুশি করে মরতে চান এই প্রভাবশালী সাংসদ। এছাড়া এর আগেও তিনি এই বক্তব্য একাধিকবার দিয়েছেন। এমনকি ২০১৮ সনের নির্বাচনে বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠকে গিয়ে মাদক, সন্ত্রাস, ভুমিদস্যু চাঁদাবাজদের নাম দেয়ার জ্যন তিনি তার নাম্বার মানুষের কাছে দেন।

 

অপরদিকে এই বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর ওমরাহ হজ্জে গিয়ে সাংসদ শামীম ওসমান এক ভিডিও বার্তা বলেছেন, এবার ওমরাহ থেকে ফিরে মাদক কারবার বন্ধের উদ্যোগ নেবো। পুলিশের একার পক্ষে মাদক নির্মূল করা সম্ভব না। এজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এর আগে ২০১৯ সনের ২ মার্চ এক জনসভায় আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমান বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে মাদক, সন্ত্রাস, ঘুষ, দুর্নীতি ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হলো।

 

তবে অভিযোগ রয়েছে প্রভাবশালী এই সাংসদের প্রভাব বিস্তার করেই অপরাধীরা তাদের অপরাধের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেন। তাদের শেল্টারেই মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি কর্মকান্ড করে থাকে। তাই প্রশ্ন উঠে আসলে কি তিনি এই অপরাধের সাম্রাজ্য বন্ধ করতে পারবেন। কিন্তু অপরাধীদের বিরুদ্ধে স্বয়ং পুলিশ প্রশাসনও জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেন।

 

সচেতন মহল থেকে প্রশ্ন উঠেছে সাংসদ শামীম ওসমান ১০ বছর যাবৎ এমপি নির্বাচিত হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। অথচ ১০ বছর পরে এসে তিনি বলছেন আসন্ন নির্বাচনের এগুলো বন্ধ করবেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে তিনি এতদিন তা বন্ধ করতে পারলেন না কেন। যেখানে সাংসদ শামীম ওসমান ওমরাহ হজ্ব করে এসে তা বন্ধ করার ঘোষনা দিয়েছেন, সেখানে এখনো তেমন ভাবে মাদক সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি সহ অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় নাই।

 

তাই সচেতন মহল থেকে প্রশ্ন তুলেন বিগত ১০ বছরে কেন তিনি এগুলো বন্ধ করতে পারলেন না। তাছাড়া নির্বাচনের পরেই যে তিনি এই অপরাধ বন্ধ করতে পারবেন তারই বা কতটুকু নিশ্চয়তা রয়েছে। এই সমাজ সর্বনাশা মাদক থেকে কবে মুক্ত পাবেন তা নিয়ে রয়েছে নানা শংসয়। সব কিছু মিলিয়ে মানুষ এই সর্বনাশা অপরাধীর থেকে মুক্ত হতে চায় মানুষ। এস.এ/জেসি
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন