মাদক ও ইভটিজিং বন্ধ করতে চাই : শামীম ওসমান
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:০৮ পিএম
আমি কোথাও কোন দিন নির্বাচনের জন্য ভোট চাইতে যাই নি বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে কায়েমপুর রুমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এমিত খানা মাঠে ফতুল্লা থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ফাইজুল ইসলামের আয়োজনে নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।এসময় শামীম ওসমান ফতুল্লার ৭ও ৮ নং ওয়ার্ড এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ করেন।
শামীম ওসমান আরো বলেন, আমি প্রতিদিন তওবার নামাজ পড়ে ঘুমাই। কারণ আমি প্রতিদিনই আমার শেষ দিন মনে করি। আমি হয়ত আর ইলেকশন করবো না। সম্ভাবনা খুব কম। আমি এর আগে একটা কাজ করতে চাই। মাদক ও ইভটিজিং বন্ধ করতে চাই। যে মাদক বেঁচে সে হচ্ছে ইবলিশ। যে বাড়িতে একটি ছেলে মাদক খায় সে বাড়ি দোযখ হয়ে যায়। এক পুলিশ অফিসারের মেয়ে মাদকের জন্য বাবা মাকে জবাই করে ফেলল। এমন অনেকে এখানেও আছে। আমার পাশে এসে দাঁড়িয়ে হয়ত ছবিও তোলে অনেকে।
‘আমার নির্বাচনী প্রচারণায় যে পরিমাণ মানুষ হয় তারমধ্যে প্রতি পরিবার থেকে অন্তত দুজন করেও কেন্দ্রে গেলে আমার নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ৫৫ শতাংশ ভোটার উপস্থিত হবেন। আর যদি পাশের বাড়ির লোকজন নিয়ে আসেন তাহলে ভোটার ৬৫ শতাংশ হবেন।
আমি কাশিপুর এলাকায় গিয়েছিলাম। সেখানে আমি চাচ্ছিলাম মানুষ আমার থেকে কিছু দাবি করুক। কিন্তু কেউ কিছু চায়নি। তবে কিছু নারী এসে আমাকে বললেন, দেড় হাজার ফুটের একটি ড্রেন নির্মাণ করে দিতে। পাচশত হাজার কোটি টাকার কাজ এটি বেপার না হয়ে যাবে।
আমি গতবারও ভোট চাইনি, এবারও চাইবো না। আমি মনে করি আপনার জ্ঞান আমার চেয়ে বেশি। কোনটা ভাল, কোনটা খারাপ আপনি জানেন। আমার কাজ আমি করে যাবো, কবুল করবেন আল্লাহ। পৃথিবীর সব মানুষ আমার পক্ষে থাকলেও আল্লাহ বিপক্ষে থাকলে আমি কিছুই করতে পারবো না। আমার বাবা ও দাদা সবাই এমপি ছিলেন। অনেকে রাজনীতিকে ব্যাবসা হিসেবে নেয়।
আমরা রাজনীতিকে ইবাদত হিসেবে নিয়েছি। আমরা মানুসের জন্য কাজ করি। মানুষের জন্য কাজ করলে আল্লাহ যদি খুশি হন আপনারাও খুশি হবেন। আমরা বারো থেকে পনেরো হাজার কোটি টাকার কাজ করেছি এই এলাকায়। আমি কিছু করিনি। আল্লাহর হুকুমে শেখ হাসিনার উসিলায় আমরা এগুলো করতে পেরেছি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম শওকত আলী,ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়ালি মাহমুদ,ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সেলিম, ফতুল্লা থানা যুবলীগের সহ সভাপতি মোক্তার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের ১নং সদস্য রফিকুল ইসলাম।
রোমানীয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিম খানার পরিচালক নিজামুল ইসলাম বকুল, ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ইকবাল মাদবর, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিস্টার, ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ইকবাল, ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি কাজী সাগর, সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম বাবু।
ফতুল্লা ৮ নং ওয়ার্ড মেম্বার সবুজ, ফতুল্লা থানা যুবলীগ নেতা, আব্দুল কাদির, ইসতিয়াক ইসলাম নাহিদ, মনির হোসেন,নিয়া শাহ, নুর হোসেন, শাহাদাৎ, উজ্জল, সবুজ মেম্বার , জাকির মেম্বার, শাহ জালাল, মোহসিন, নজরুল, ওয়াহিদুর রহমান, ফতুল্লা ৮নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা কাজী আশফিক সহ অন্যন্যরা।


