চাইলাম নৌকা আপা দিলো লাঙ্গল বললো নির্বাচন করো : সেলিম ওসমান
এম সুলতান
প্রকাশ: ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ০১:০২ পিএম
সৈয়দপুর বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে লাঙ্গল মার্কার নির্বাচনী উঠান বৈঠকে সেলিম ওসমান বলেন, আমি এখানে নতুন না। এই এলাকায় আমার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে এই এলাকায় আমার শেষ মিটিং। আমি সিটি কর্পোরেশন সহ ৭টি ইউনিয়নের কাজ শেষ করেছি। আমার ভোটারের সংখ্যা পৌনে ২ লক্ষ ভোটার আমার কথা শুনেছেন। এমন কোন মা বোন নেই যে আমার কথা শুনেন নাই।
গোগনগরের আমার মা বোনেরা আমার কথা শুনতে এসেছে। আমি নির্বাচন করতে চাইনি কিন্তু আমি বলেছিলাম নারায়ণগঞ্জের উন্নয়ন নৌকা কিন্তু আমার আপা বললেন নির্বাচন করতে তাই আমি লাঙ্গল নিয়ে নির্বাচন করেছি। আমি কখনো কারো কাছে মাথা নত করি নাই।
একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আমি কারো কাছে মাথা নত করি নাই। কিন্তু আপনাদের ভালোবাসার কাছে আমি মাথা নত করি। গতকালকে আমার ছোট বোন মেয়র আইভীর সাথে ১২ ঘন্টার বেশি সময় কথা হয়েছে আমরা দুইজন মিলে সিটি এলাকাকে অনেক সুন্দর করা সাজাবো।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ ৫ (সদর ও বন্দর) আসনের জাতীয় পার্টির মনোনীত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব একেএম সেলিম ওসমানের লাঙ্গল মার্কা নির্বাচনী উঠান বৈঠকে অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (২৫ডিসেম্বর ) সৈয়দপুর বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গোগনগন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফজর আলীর উদ্যোগে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তাতে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন নারায়ণগঞ্জ পাঁচ আসনের এমপি প্রার্থী সেলিম ওসমান।
এসময় তিনি আরো বলেন, আমি গত মাসেও অসুস্থ্য ছিলাম। আমি সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি আমার জন্য কত মানুষ দোয়া করেছেন। এত মানুষের ভালোবাসা আমি কখনো জানতাম না। তাই আমি ভাবলাম আমি আরেকবার নির্বাচন করি। আজকে কিন্তু নির্বাচন আমার না। নির্বাচন আপনাদের। আপনেরা অনেকেই স্বাধীনতা দেখেন নাই। ২১ বছর স্বাধীনতা বলি দেবার চেষ্টা করা হয়েছে।
আমার দাদা,বাবা,আমার বড় ভাইও কিন্তু নির্বাচন করেছেন এবং এমপি হয়েছিলেন। আমাদের সৌভাগ্য যে, আমি যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি অতন্ত পবিত্রতম জায়গা। যার ডাকে আমরা স্বাধীনতা এনেছি তার নামে এই স্কুল সেখানে দাঁড়িয়ে আছি। যখনই আমাকে ডাক দেন আল্লাহতালার রহমতে আমি আপনাদের পাশে দাঁড়াবো ইনশাআল্লাহ।
আপনেরা আগামী ৭ তারিখ ভোট কেন্দ্রে যাবেন। আমি তো মানুষ। আমি শয়তান না। আমি জানি না আমার পক্ষে কয়জন ভোটে দাঁড়িয়েছি। আমাদের মুক্তিযুদ্ধরা না বলেই যুদ্ধে চলে গেছেন। কোন একজন বলেছেন আমরা আমরা নাকি নির্বাচন করছি। গতবার তাদের কয় জন নির্বাচন করেছেন জিতেও ছিলেন কিন্তু পরে আর তারা যান নাই। তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ আপনেরা ভোট দিতে ভোট কেন্দ্রে যাবেন।
সকলের কাছে হাতজোড় করে বলবো আপনেরা ভোট দিতে যাবেন। ভোট দিবেন। আবারো আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ভোট দিয়ে নির্বাচনে বিজয়ী করে পুনরায় ক্ষমতায় আনবেন। আমরা সবাই ভোট দিবো। আমরা এই স্বাধীন দেশের নাগরিক আমরা একটা সিল দিয়ে ভোট দিবো আমাদের অধিকার আমরা পালন করবো।
উক্ত উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদল, জাতীয় কৃষকলীগের সভাপতি এস এম ওয়াজেদ আলী খোকন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা নাজির উদ্দিন আহমেদ,সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ উল্লাহ মামুন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চন্দন শীল, নাসিক ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুল ইসলাম মুন্না, সদর থানা যুবলীগের সভাপতি শাহীন সরকার।
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন, গোগনগর ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আজিজ মাস্টার, মোঃজসিম উদ্দিন, আলীরটেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলীনুর মোল্লা, আওয়ামী লীগ নেতা এবি এম আজহারুল ইসলাম, রোস্তম আলী মোঃ মুক্তার সুকুম, গোগনগর ইউপি চেয়ারম্যান ফজর আলী,আলীটেক ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নূর হোসেন সওদাগর।
গোগনগর ইউপি সদস্য বাপ্পি মোঃআলী মোঃ কাবিল হোসেন, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ বিপ্লব হোসেন, মোঃ রুবেল আহম্মেদ, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন,মোঃ তাওলাদ হোসেন, খোদেজা আক্তার, নিলুফা ইয়াসমিন, লিপিসহ অন্য সকল নেতাকর্মীরা।


