যারা ভোট বানচালের চেষ্টা করছে আমরা তাদের ভয়ে ভীত নই : লিপি
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৫:২১ পিএম
নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান ও নারায়নগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের সহধর্মীনি সালমা ওসমান লিপি বলেছেন, সাত তারিখ নির্বাচনের দিন আপনারা সকলেই ভোট কেন্দ্রে যাবেন। নিজেরা যাবেন এবং অপরজনদের সাথে ও নিয়ে যাবেন। আপনারা নারীরা ও সেদিন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে প্রমান করে দিবেন নারীরাও প্রতিবাদ করতে শিখেছে।
গততাল বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে ফতুল্লা কায়েমপুর শহীদ তিতুমীর একাডেমী প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফতুল্লা থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ফাইজুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান সালমা ওসমান লিপি নির্বাচনী আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, যারা ভোট বানচালের চেষ্টা করছে,আমরা তাদের ভয়ে ভীত নই। কারও ষড়যন্ত্রে আমরা পা দেব না। ৭ তারিখ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শামীম ওসমানকে জয়যুক্ত করুন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী করেন।
যারা উন্নয়ন চায়না, যারা নিজেদের স্বার্থ চাইছে, আমি বিএনপির উদ্দেশ্যে বলছি, বিএনপি যদি দেশের উন্নয়ন বা জনগনের জন্য আন্দোলন করছেনা, নিজেদের স্বার্থে আন্দোলন করছেন। যদি তারা জনগনের জন্য আন্দোলন করতো তাহলে মানুষ পুড়িয়ে মারতোনা। এ সময় তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যদি জনগন চায় তাহলে নির্বাচনে এসে তা প্রমান করতেন।
আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারতেনা। চার বছরের এক শিশু কে ট্রেনে আগুনে পুড়িয় হত্যা করেছে। আমরা এর প্রতিবাদ করবো ৭ তারিখে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে। আমরা ১৯৭১ সালেও প্রতিবাদ করেছি। একটা মানুষ হিসেবে প্রতিবাদ করবো। ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আপনারা প্রমাণ করবেন কোন অন্যায় আপনারা মানবেন না।
অসহযোগ আন্দোলনের সময় আমি দেখেছি একটা লাশ দাফন করার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো তখন গুলি করা হয়েছিলো। লাশ বহনকারী মানুষগুলো লাফাচ্ছিলো লাশও রাস্তায় পরেছিলো। আজকে আছি কালকে নাও থাকতে পারি বা পারে। উনি কাজ করে যাচ্ছেন। শামীম ওসমান কর্মী বান্ধব নেতা।
আপনার যাদি চান মাদক মুক্ত এলাকা গড়তে,আপনারা যদি চান অগ্নি সন্ত্রাস চিরতরে বন্ধ করতে,আপনারা যদি চান সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়তে তাহলে ৭ তারিখ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিবেন।
পতিতা পল্লী উচ্ছেদের পর তার উপর বোমা হামলা হয়েছিলো। আমি সেদিন ভেবেছিলাম আমি বিধবা হয়ে গিয়েছিলাম। আমি রক্তাক্ত পথ মাড়িয়ে সামনে গিয়ে দেখি শামীম ওসমানের রক্তাক্ত দেহ। তখন সে আমাকে উদ্দেশ্য করে বলে আমি বেঁচে আছি। সেদিনের সে হামলায় সে বেচেঁ গেলও আমাদের ২০ টি ছেলে সেদিন মারা গিয়েছিলো।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়ালি মাহমুদ, ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সেলিম, ফতুল্লা থানা যুবলীগের সহ সভাপতি মোক্তার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের ১নং সদস্য রফিকুল ইসলাম।
রোমানীয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিম খানার পরিচালক নিজামুল ইসলাম বকুল, ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ইকবাল মাদবর, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সরকার, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিস্টার, ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ইকবাল, ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি কাজী সাগর।
সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম বাবু, ফতুল্লা ৮ নং ওয়ার্ড মেম্বার সবুজ, ফতুল্লা থানা যুবলীগ নেতা, আব্দুল কাদির, ইসতিয়াক ইসলাম নাহিদ, মনির হোসেন,নিয়া শাহ, নুর হোসেন, শাহাদাৎ, উজ্জল, সবুজ মেম্বার , জাকির মেম্বার, শাহ জালাল, মোহসিন, নজরুল, ওয়াহিদুর রহমান, ফতুল্লা ৮নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা কাজী আশফিক সহ অন্যন্যরা।


