চ্যালেঞ্জে আ.লীগ, ভোটের দিন বিএনপির হরতাল
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৪, ০৫:৫৮ পিএম
আগামী ৭জানুয়ারী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তাতে সাধারন ভোটাদের ভোট কেন্দ্রে নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পরেছে ক্ষমতাশীন দল বাংলাদেল আওয়ামীলীগ এর এমপি প্রার্থীরা। ভোটাদের কেন্দ্রে নিয়ে আসতেও তারা নিয়েছে নানা ধরনের কৌশল।
২০১৮ সালের নির্বাচনের যে অবস্থা হয়েছিলো তার জন্য ও আওয়ামীলীগের কিছু কর্মকান্ডের কারনে ও আওয়ামীলীগের সাথে আওয়ামীলীগের নির্বাচনের সাধারন ভোটারা অনেকটা চুপচাপ রয়েছে।
কিন্তু অপর দিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগামী ৭ জানুয়ারি, অর্থাৎ ভোটের দিন গণ-কারফিউ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে যুগপৎ আন্দোলনে শরিক দল ১২ দলীয় জোট। আওয়ামীলীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেও বলেছেন এবার কেন্দ্র গুলোতে ভোটার উপস্থিতি বুদ্ধি করাই হবে আমাপদের বড় চ্যালেঞ্জ।
সেই সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতা ও নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের এমপি প্রার্থী শামীম ওসমান বিভিন্ন মতবিনিময় ও উঠান বৈঠক গুলাতে অন্য সকল বারে তুলনায় ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি করার ও ভোটাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়ে বারে বারে কথা বলেছেন নেতাকর্মীদের।
গত ২৮ আক্টোবর এর পর থেকে বিএনপি ও সমমনা দল গুলো ক্ষমতা মীন দল আওয়ামীলীগের পদত্যাগ চেয়ে নিরপক্ষে সরকার অধিনে নির্বাচন দেওয়ার দাবীতে এক টানা হরতাল, অবরোধ, নির্বাচন বাতিল চেয়ে যাতে কেউ ভোট দিতে না যায় সেই লক্ষে লিফলেট বিতরন সহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে বিএনপি জামাত সহ আরো বেশ কিছু দল।
কিন্তু সেগুলোকে মাধায় না রেখে আওয়ামীলীগ এর অধীনে নির্বাচন হচ্ছে বলে নির্বাচনের মাত্র একদিন আগে নির্বাচনের দিন সহ মোট দুইদির কারফিউ ঘোষনা করেছে দলটি।
এদিকে ভোটরে আগের দিন ও ভোটের দিন হরতালে ডাক দিয়েছে বিএনপি ও জামাত তবে দেশে যাতে কোন ধরনের অপ্রতিকর ঘটনা না ঘটাতে পারে সেই লক্ষে নির্বাচনের মাঠে থাকলে সেনাবাহিনী , বিজিবি, র্যার্ব , পুলিশ, সহ বিভিন্ন সংস্থান লোকজন। যাতে ভোট দিতে আসা সাধারন মানুষের কোন ধরনের সমস্যায় না পরতে হয়।
কিন্তু ভোট বাতিলে দাবিতে বিএনপি জামাত সহ সমমনা দল গুলো একযোগে নানা ধরনের অপ্রতিকর ঘটনা ও ভোট বন্ধ করার পায়তারা করছে। সেই লক্ষে ভোটরে আগের দিনে সারাদেশের মত করে নারায়ণগঞ্জেও সাইনবোর্ড মৌচাক এলাকায় কক্সাবাজাগামী একটি বাসে বোমা, ফতুল্লা পুলিশ লাইন লোহা মার্কেট একটি পিকআপে আগুন, খানপুরে মশাল মিছিল, শহরের নিতাইগঞ্জে মশাল মিছিল সহ নানা স্থানে প্রতিবাদ মিছিল করে বিএনপি ও সমমনা দল গুলো।
তবে ভোট কেন্দ্রে ভোটার আনতে আওয়ামীলীগের পক্ষে থেকে নেওয়া হয়েছে নানা ধরনের ব্যবস্থা। ভোটের দিন সকাল থেকে মাঠে কাজ করছে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ সহ আওয়ামীলীগের সকল নেতাকর্মীরা। ভোটারে যাতে কেন্দ্রে গুলোতে আসতে পারে সেই লক্ষে ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রতিটি ৫/১০ টি করে রিক্সা ও মিশুক অটো রিক্সা যারা অসুস্থা তাদের কেন্দ্রে আনতে বিশেষ এ আয়োজন প্রার্থীদের।
নারায়ণগঞ্জ জেলায় পাচঁটি আসনের মোট (৩৪ জন) প্রার্থী এমপি নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেছে। তবে নারায়ণগঞ্জ পাচঁটি আসনের মাঝে ৪ ও ৫ আসনে তেমন কোন জামালে না হলেও নারায়ণগঞ্জ ১, ২ ও ৩ আসটি রয়েছে বেশ আলোচিত। কারন নারায়ণগঞ্জ ৪ ও ৫ আসনের ওসমান পরিবারের দুই ছেলে সেলিম ওসমান এবং শামীম ওসমান চাড়া কোন র্প্রাথী নেই।
অপর দিকে নারায়ণগঞ্জ ১ (রুপগঞ্জ),নারায়ণগঞ্জ ২ (আড়াইহাজার) ও নারায়ণগঞ্জ ৩ (সোনারগাঁ) আসন গুলো রয়েছে বেশ আলোচনা। কারন নারায়ণগঞ্জ ১ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থীর বর্তমান এমপিও মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর সাথে শক্ত অবস্থানে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছে রুপগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহার ভুইয়া এবং তুনমূল বিএনপি মহাসচিব এড. তৈমূর আলম খন্দকার।
তাই রুপগঞ্জে ভোটার মাঝে তৈরি হয়েছে নানা জলপনা কল্পনা। নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের কেউ কাউকে ছাড় দিতে না রাজ বলে জামেলা হওয়ার আসংখ্যা থাকায় আইনসংখ্যা বাহিনীর কঠিন অবস্থানের রয়েছেন।


