Logo
Logo
×

রাজনীতি

চার নৌকার সাথে এক লাঙ্গল

Icon

মাহফুজ সিহান

প্রকাশ: ০৮ জানুয়ারি ২০২৪, ০৬:১৯ পিএম

চার নৌকার সাথে এক লাঙ্গল
Swapno

 

বহুল কাঙ্ক্ষিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলার সবকটি কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি অনেক কম থাকলেও নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) ব্যতীত অন্যকোন আসনে বড় ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। জেলার সবকটি আসনের বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে নৌকার প্রার্থী এবং একটি আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। গতকাল রোববার রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হক জেলার পাঁচটি আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। 

 

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, সবচাইতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনী আসন নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকার প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজী (১ লাখ ২২ হাজার ৮৫ ভোট), নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে (আড়াইহাজার) আসনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকার প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবু (১ লাখ ৬৮ হাজার ২৪২ ভোট), নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে (সোনারগাঁ) আসনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত (১ লাখ ১২ হাজার ৮০৮ ভোট), নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শামীম ওসমান (১ লাখ ৯৫ হাজার ৮২৭  ভোট) এবং  নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে (সদর-বন্দর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকের সেলিম ওসমান (১ লাখ ১৫ হাজার ৪২৫ ভোট) পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। 

 

এর আগে গতকাল সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জের ৭৮২টি কেন্দ্রে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেশিরভাগ কেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই ভোটার উপস্থিতি খুবই কম ছিল। সবচাইতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে (রূপগঞ্জ) নৌকার প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজী ১ লাখ ২২ হাজার ৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। বিপরীতে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান ভূঁইয়া কেটলি প্রতীকে ৩৪ হাজার ১৪১ পেয়েছেন ভোট।

 

এবারও হাঁকডাক ছেড়ে নিজের পৈত্রিক বাড়িতে হতাশা উপহার পেয়েছেন তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা তৈমূর আলম খন্দকার। সোনালী আঁশ প্রতীকে তিনি ভোট পেয়েছেন। তিনি এই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলামের চেয়েও কম ভোট পেয়েছেন। জাতীয় পাটির লাঙ্গল প্রতীকে সাইফুল ইসলাম ভোট পেয়েছেন। তবে এই আসনে সবচাইতে খারাপ খবর স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান ভূঁইয়ার পক্ষে টাকা বিলি করতে গিয়ে তার দুই কর্মীকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডসহ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত।

 

গতকাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সামশাদ বেগমের আদালত আসামি সবুজ ও নাইমের উপস্থিতিতে এই রায় দেন। তাছাড়া নির্বাচনে তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমূর আলম খন্দকার সোনালী আঁশ প্রতীকে ২ হাজার ৮১৪ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী গাজী গোলাম মর্তুজা ৩১৫ ভোট, জাতীয় পার্টির সাইফুল ইসলাম লাঙ্গল প্রতীকে ১ হাজার ১৯৬ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের একেএম শহীদুল ইসলাম চেয়ার প্রতীকে ৬০৭ ভোট, জাকের পার্টির যোবায়ের আলম ভুঞা ৪৫৮ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদিন চৌধুরী ট্রাক প্রতীকে ২৪৯ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান আলমিরা প্রতীকে ১৪৯ ভোট পেয়েছেন।

 

নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৬১৬ জন। এ আসনে মহিলা ভোটার ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭২০ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯৬ হাজার ৮৯৪ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন। নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে (আড়াইহাজার) আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবু শক্ত প্রার্থী হিসেবেই মাঠে ছিলেন। নির্বাচনের একদিন আগে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী আবু হানিফ হৃদয় ভোট বর্জন করলেও জাতীয় পার্টির প্রার্থী আলমগীর শিকদার লোটন তার গলার কাঁটা ছিলেন।

 

তবে জেলার সবকটি আসনের মধ্যে সবচাইতে সহিংস ঘটনার পর ভোট বর্জন করেন জাপা প্রার্থী আলমগীর শিকদার লোটন। আড়াইহাজারে প্রকাশ্যে নৌকা মার্কায় সিল মারা ও পোলিং অ্যাজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ এনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থী আলমগীর সিকদার লোটন। গতকাল দুপুরে ভোটকেন্দ্রে নৌকা ও লাঙ্গল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের পর সেখানে ভোটগ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার শাহীন আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

জানা গেছে, আড়াইহাজারের রামচন্দ্রদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সীল মারাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংষর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপরেই কেন্দ্রটিতে ভোট গ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করা হয়। লোটন জানান, কেন্দ্র দখল করে নৌকার লোকজন সীল মারার সময় আমরা বাধা দিলে তারা হামলা করে। পুলিশ আমাদের দিকে গুলি করে। পরে কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়। আমাদের ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

 

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বলেন, “জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগ তুলে আলমগীর সিকদার ও তার ভাই জাহাঙ্গীর সিকদারের নেতৃত্বে সমর্থকেরা কেন্দ্র ও ব্যালট বাক্স ভাঙচুর করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ গুলি ছুড়ে। ওই কেন্দ্রের ভোট বাতিল করা হয়েছে। ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে।”

 

সর্বশেষ নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে প্রাপ্ত বেসরকারী ফলাফল অনুযায়ী ১১৭ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫ কেন্দ্রের ফলাফলে নৌকার প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবু পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ২৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আলমগীর শিকদার লোটন লাঙ্গলপ্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ২১৫ ভোট। এছাড়া তৃণমূল বিএনপির আবু হানিফ হৃদয় সোনালী আঁশ প্রতীকে ৬৩৭ ভোট, জাকের পার্টির মো. শাহজাহান গোলাপফুল প্রতীকে ১ হাজার ৫৩৭ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী মো.শরীফুল ইসলাম ঈগল প্রতীকে ১ হাজার ৪২৯ ভোট পেয়েছেন। দুটি কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করা হয়। 

 

নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে ১১৭টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৩ হাজার ২৬৭ জন। মহিলা ভোটার ১ লাখ ৬২ হাজার ১৩৯ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭১ হাজার ১২৫ জন।  তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন। তবে যতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা ভাবা হচ্ছিল তার কিছুই দেখা যায়নি নারায়ণগঞ্জ-৩ ( সোনারগাঁ) আসনে। এই আসনে জাতীয় পার্টির টিকেটে গত ১০ বছর সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া জাতীয় পার্টির প্রার্থী লিয়াকত হোসেন খোকা খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি।

 

আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত দাপটের সহিত এই আসনে বিজয়ী হয়েছে। যদিও ভোটার উপস্থিতি এই আসনের কেন্দ্রগুলোতে খুব কম ছিল। বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, এই আসনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকার প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৮০৮ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লিয়াকত হোসেন খোকা পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৮১১ ভোট। নির্বাচনে কায়সার হাসনাত ৭৬ হাজার ৯৯৭ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন।

 

তবে এর আগে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনের নির্বাচনে ব্যাপক জাল ভোটের অভিযোগ করেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাপা মনোনীত প্রার্থী লিয়াকত হোসেন খোকা। এই আসনে ৩৪ কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে ভোট স্থগিত রাখার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করেছেন লিয়াকত হোসেন খোকার নির্বাচনী প্রধান সমন্বয়কারী মাহমুদুল আনোয়ার।

 

বেসরকারী ফলাফলে স্বতন্ত্র প্রার্থী এইচএম মাসুদ দুলালের ঈগল প্রতীক পেয়েছে ২১৪ ভোট, বিএনএম ওয়ারিউল রহমান খান নোঙ্গর প্রতীকে পেয়েছেন ২৬৬ ভোট, নারায়ণ দাস বিকল্পধারা কুলা প্রতীকে পেয়েছেন ১৯১ ভোট, বাংলাদেশ সুপ্রিমপার্টির আসলাম একতারা প্রতীকে পেয়েছেন ৭২৫ ভোট, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আরিফ পেয়েছেন ১৩৬ ভোট ও তরিকত ফেডারেশনের মুজিবুর রহমান মানিক ফুলের মালা প্রতীকে পেয়েছেন ২৮৯ ভোট।নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ১৩১টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৬৩৮ জন। মহিলা ভোটার ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৯ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৮ হাজার ১৪৯ জন।

 

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শামীম ওসমানের বিপক্ষে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় তিনি ফুরফুরে মেজাজেই ছিলেন গত কয়েকদিন যাবৎ। তার আসনে (ফতুল্লা-সিদ্ধিগঞ্জ) এলাকায় ভোটার উপস্থিতি ছিল একেবারেই কম। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী শামীম ওসমান ২৩১টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৮২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকের পার্টির মুরাদ হোসেন জামাল গোলাপ ফুল প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ২৬৯  ভোট।

 

নির্বাচন নিয়ে কতখানি নির্ভার ছিলেন তা নিজেই জানিয়েছেন শামীম ওসমান। গতকাল বিকেলে নারায়ণগঞ্জ আদর্শ স্কুলে সপরিবারে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তিনি। ভোট দেয়া শেষে শামীম ওসমান বলেন, ‘আমার এলাকায় কোথায় কী ভোট হচ্ছে আমি জানি না। সকাল থেকে এবাদতে ছিলাম। তারপর বাবা, মা ও ভাইয়ের কবর জিয়ারত করেছি। আমরা কমিটমেন্ট করেছিলাম উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেব।’

 

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ২৩১টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার  ৬ লাখ ৯৬ হাজার ১৩৯ জন। মহিলা ভোটার ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৬৯২ জন। পুরুষ ভোটার ৩ লাখ ৫২ হাজার ৪৪১ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৬ জন।

 

শামীম ওসমানের মতোই নির্ভার ছিলেন তার বড় ভাই নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সেলিম ওসমান। লাঙ্গল প্রতীকে সেলিম ওসমান ১৭৫টি কেন্দ্রে ১ লাখ ১৫ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী ফ্রন্টের একরামুল হক চেয়ার প্রতীকে পেয়েছেন  ৩ হাজার ৭৩৩ ভোট। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের ১৭৫টি ভোটকেন্দ্রের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি অনেকে কম ছিল।

 

গতকাল সকালে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১২ নং ওয়ার্ডের হেরিটেজ স্কুলে ভোট প্রদান করেন সেলিম ওসমান। এই আসনে  ভোট প্রদান করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আওয়ামী লীগ নেত্রী সেলিম ওসমান। গতকাল রোববার (৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে মেয়র আইভী তার বাড়ির পাশে দেওভোগ শিশুবাগ স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেন। ভোট দেয়া শেষে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, ‘(প্রধানমন্ত্রী) শেখ হাসিনার জন্য ভোটটা দিলাম, এখানে নৌকা তো নেই, তবু শেখ হাসিনার কথায় ভোট দিতে এসেছি।’  

 

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ১৭৫টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৪০০ জন। মহিলা ভোটার ২ লাখ ৪৫ হাজার ২৬ জন। পুরুষ ভোটার ২লাখ ৪৯ হাজার ৩৬৮ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৬ জন। এস.এ/জেসি
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন