হকার পুনর্বাসনের কথা বলেন, তারা ভালো মানুষ নন : সেলিম ওসমান
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৮:২৫ পিএম
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান বলেছেন, যানজট এখন নেই এই সুফলের ধন্যবাদ পাওয়ার দাবিদার আমাদের মেয়র। অনেক ভালো মানুষ আছে। যারা তাদের(হকার) পূনর্বাসনের বলছেন এরা বোধ হয় ভালো মানুষ না। এটা কখনো হতে পারেনা ১ জন মানুষের জন্য ১ হাজার মানুষের কষ্ট হবে। মানুষের জন্যই মানুষ। আমরা চেষ্টা করেছিলাম, আমরা বাধা দিয়েছিলাম, মানুষ যেনো ব্যাবসা করে যেতে পারে।
কিন্তু তারাই জদি আমাদের রাস্তাঘাট বন্ধ করে দেয়। বাস ট্রাক ইচ্ছে মতো জদি শহরে ঢুকে তাহলে কিভাবে হয়। আমি দেখেছি কোমলমতি বাচ্চাদের স্কুলে যেতে কত কষ্ট হয়। পরিক্ষার টাইমও নষ্ট হয়ে যায়। নারায়নগঞ্জ এর মানুষ হকারদের সমর্থন করে যেনো নারায়ণগঞ্জবাসীর বিপদ ডেকে না আনে তাদের আমি অনুরোধ করছি।
ঐতিহাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজে’ উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্যে দিয়ে বার্ষিক মিলাদ, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান।
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চন্দন শীলের সভাপতিত্বে ও নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মো. মাহমুদুল হাসান ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকু, কামরুল হাসান মুন্না ও মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষককে প্রশ্ন করে সেলিম ওসমান বলেন, প্রধান শিক্ষক সাহেব আপনার কাছে একটা জিনিস জানতে চাই।
এই নারায়ণগঞ্জ থেকে একজন জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে এই ভাষার মাসে, তার নাম কি?...প্রধান শিক্ষক বলেন? আপনি ইতিহাস নিয়ে কথা বলছিলেন। আমি সবসময় কিন্তু ভুল ধরি। তার জন্যই আমি সেলিম ওসমান। আমি যেই ইতিহাস জানেন না, সেই ইতিহাস আপনি বলেন কেন? আগে আপনি নিজে পড়াশোনা করেন। তারপর ছাত্রদের সামনে বলেন। নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্য এই বাচ্চাদের শোনার দরকার নাই।
আপনি যা বক্তব্য দিচ্ছিলেন, সেটা টেবিলে চলে। আপনি কি উন্নয়ন করেছেন? কি করতে চান? সেটা টেবিলের তলে। আমার কোমলমতিদের সামনে এটা চলে না। আজকে তারা এখানে এসেছে উৎসব করার জন্য।
তিনি আরও বলেন, আজকে আমাদের মনে হয়, সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল গার্ডিয়ানদের এখানে বসার জায়গা করে দেওয়ার। আমি যখন গেইট দিয়ে ঢুকি, তখন আমি দেখি গার্ডিয়ানরা অসহায় অবস্থায় বাইরে বসে আছে। অনুষ্ঠান দরকার পড়লে দুইটা করা যেত, একবার বাচ্চারা একবার গার্ডিয়ানরা। এভাবে করা যেত। কারণ গার্ডিয়ানদের অনেক নালিশ আছে। আমার কাছে এসএমএসের মাধ্যমে যায়। এন. হুসেইন রনী /জেসি


