Logo
Logo
×

রাজনীতি

শামীম ওসমানের মিটিং-মিছিলের নেতাই রয়ে গেলেন

Icon

এম মাহমুদ

প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৪, ০৯:১৩ পিএম

শামীম ওসমানের মিটিং-মিছিলের নেতাই রয়ে গেলেন
Swapno

 

# দলীয় সংগঠন ঠাঁই বা জনপ্রতিনিধি হওয়ার খায়েশেও তাদের পূর্ণ হয় না

 

বছর জুড়েই কোন না কোন ইস্যুকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ এ কে এম শামীম ওসমান বিশাল জনসভার ডাক দেন। আর এই জনসভাকে জনসমুদ্রে রূপ দিতে সহায়ক হিসেবে ভূমিকা রাখে ফতুল্লা থানার আলোচিত সমালোচিত বিভিন্ন আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ যুবলীগের নেতারা। যারা ইতিমধ্যে সাংসদ শামীম ওসমানের মিটিং মিছিলের নেতা হিসেবে খেতাব পেয়েছেন।

 

কারণ তারা আওয়ামী লীগের সংগঠনে শীর্ষ পদ বা জনপ্রতিনিধি হওয়ার খায়েশ দেখালো সেটা পূরণ হচ্ছে না খোদ তাদের লিডার সংসদ শামীম ওসমানের সদিচ্ছার অভাবে। মূলত তারা নানা সময় আলোচিত হয়েছিলেন নানা কান্ডে সে সকল ঘটনায় বেগ পোহাতে হয়েছে তাদের লিডার শামীম ওসমানকে।

 

যার কারণে তাদেরকে জনপ্রতিনিধি বা সংগঠনের দায়িত্বে বসাতে আস্থা রাখতে পারছেন না সাংসদ শামীম ওসমান। শুধুমাত্র সভা সমাবেশে বিশাল আকারে শোডাউন করে ভূমিকা রাখার সক্ষমতা থাকায় তাদের উপর সংসদ শামীম ওসমান মিটিং মিছিলে আস্থা রাখছেন। যার ফলে মিটিং মিছিলের নেতাই রয়ে গেলেন ফতুল্লার এসকল নেতারা।

 

সূত্র বলছে, আসন্ন ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ উপ নির্বাচনকে কেন্দ্রে করে ফতুল্লার অধিকাংশ নেতারাই চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হয়েছিলেন। যাদের মধ্যে অনেকে ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু টানা দুবার চেয়ারম্যান হওয়ার খায়েশ তাদের রাজনৈতিক লিডারের কাছে ইচ্ছামত প্রকাশ করেও শেষতক ছিঁটকে পড়তে হয়েছে।

 

সূত্র মতে, ফতুল্লার প্রভাবশালী নেতা বিবেচিত ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উপ নির্বাচনকে কেন্দ্রে করে যারা প্রার্থী হয়েছিলেন। আলোচনা সমালোচনার কমতি ছিল না কে হচ্ছেন স্থানীয় সংসদের পছন্দের প্রার্থী। যারা সবত্রই ছিলেন আলোচনায় তারা হলেন- ফতুল্লা থানা যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেল আলী, ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ফরিদ হোসেন লিটন, ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু শরীফুল হক, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সদস্য মজিবুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগ নেতা জানে আলম বিপ্লব, ফতুল্লা থানা যুবলীগ নেতা আজমত আলী।

 

তবে এ সকল প্রভাবশালী নেতাদের ভীরে আলোচনায় ছিলেন ফতুল্লা থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফাইজুল ইসলাম। শেষতক সিদ্ধান্ত আসে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ এ কে এম শামীম ওসমানের পক্ষ থেকে তার পছন্দের প্রার্থী ফাইজুল ইসলাম। যার কারণে রাজনৈতিক গুরুর সিদ্ধান্তকে প্রাধান্য দিয়ে গুরুর পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছেন ফতুল্লার প্রভাবশালী নেতা খ্যাত ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ উপ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী নেতারা।

 

সূত্র জানিয়েছে, তারা শুধু জনপ্রতিনিধি হতে গিয়ে হোঁচট খাননি সংগঠনের নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে ব্যর্থ হচ্ছেন। কারণ ফতুল্লা থানা যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেল আলী, ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ফরিদ হোসেন লিটন, ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু শরীফুল হক, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সদস্য মজিবুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগ নেতা জানে আলম বিপ্লব, ফতুল্লা থানা যুবলীগ নেতা আজমত আলী। তারা প্রত্যেকেই ফতুল্লা কেন্দ্রিক রাজনীতির সাথে জড়িত।

 

যাদের মধ্যে মীর সোহেল আলী ফতুল্লা আওয়ামী লীগের মূল নেতৃত্বে ফিরতে চান যুবলীগ থেকে এর মধ্যে ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ফরিদ হোসেন লিটন, ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু শরীফুল হক, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সদস্য মজিবুর রহমানেরও একই প্রত্যাশা।

 

অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবলীগ নেতা জানে আলম বিপ্লব জেলা যুবলীগের শীর্ষ পদে আসতে চাইলেও যুবলীগের কমিটি না হওয়ায় সে প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না। এছাড়া ফতুল্লা থানা যুবলীগ নেতা আজমত আলী দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লা থানা যুবলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ফতুল্লা থানা যুবলীগের শীর্ষ পদ হিসেবে সভাপতি পদও প্রত্যাশা করেন।

 

তবে এ সকল প্রভাবশালী নেতাদের রাজনৈতিক গুরু নারায়ণগঞ্জ-৪(ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ এ কে এম শামীম ওসমানের সদইচ্ছার অভাবে তারা সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বেও আসতে পারছে না। তবে রাজনৈতিক গুরুর নির্দেশে গুরুর সভা সমাবেশে বিশাল আকারে শোডাউন করে ইতিমধ্যে মিছিল মিটিংয়ের নেতা হিসেবে খেতাব ঠিকই পেয়েছেন। যার কারণে ফতুল্লার প্রভাবশালী নেতারা মিটিং মিছিলের নেতাই রয়ে গেলেন। এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন