Logo
Logo
×

রাজনীতি

সেক্রেটারির হাড্ডিগুড্ডি ভেঙে দেয়ার অর্ডার দিলেন সভাপতি

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৪, ০৮:১৯ পিএম

সেক্রেটারির হাড্ডিগুড্ডি ভেঙে দেয়ার অর্ডার দিলেন সভাপতি
Swapno


# পিপি না হলে ওরে কোন মানুষ চিনতো : শাহ জামাল খোকন

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে তার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষকলীগের আহ্বায়ক ও সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওয়াজেদ আলী খোকন ও তারই কমিটির সদস্য সচিব শাহ জামালের সাথে এক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। তারা একে অপরকে গালাগালি করেন। এমনকি কেউ কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলেন নাই। ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময়ে পিপি ওয়াজেদ আলী খোকন সদস্য সচিব খোকনকে ধমক দিয়ে সরিয়ে দেন। খোকনও তাকে প্রত্যাখান করে চলে যান। এ নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে এক বিশৃঙ্খলাপরিবেশ তৈরী হয়। এই ঘটনায় ভিডিও ভাইরাল হয়।

 

ভিডিওতে দেখা যায়, জেলা কৃষকলীগের আহ্বায়ক ওয়াজেদ আলী খোকন উত্তেজিত হয়ে সদস্য সচিব খোকনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমার বাইরে কেউ কথা বললে তার হাড্ডি হুড্ডি ভেঙ্গে ফেলে দিবে। মাদার**খান*কি* বলে গালা গালি শুরু করেন। তুই বের হয়ে যা। চিন্তা করেন কত বড় বেয়াদব। ২১ শে ফেব্রুয়ারির দিন শামীম ওসমানের ছবি ডেকে দেয়। ওর কত বড় সাহস। আমি অর্ডার দিয়ে দিলে বাইরাইয়া হাড্ডি হুড্ডি ভেঙ্গে আমায় খবর দিবি। ওরা কিসের কৃষকলীগ করে। ওরা খোকা লীগ করে।

 

এসময় এড. ওয়াজেদ আলী খোকন সোনারগাঁয়ের কৃষকলীগ নেতাদের ধমক দিয়ে ফুলের শ্রদ্ধা দিতে না দিয়ে সেখান থেকে নামিয়ে দেন। তাদেরকে মেরে হাড্ডি হুড্ডি ভেঙ্গে নদীতে ভাসিয়ে হুমকি দেন সাবেক পিপি এড. ওয়াজেদ আলী খোকন। তিনি সোনারগাঁ উপজেলা পুরো রমজান দলীয় কর্মসূচি পালন করার ঘোষনা দেন।

 

অপরদিকে জেলা কৃষকলীগের সদস্য সচিব শাহ জামাল খোকন ওয়াজেদ আলী খোকনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। ও কি লীগ করে। শামীম ওসমান বলতে পারবে আমি কি। তুই জেলার পিপি ছিলি বিধায় তোরে মানুষ চিনে। আর না হয় তোরে কোন মানুষ চিনতাে। পরে শামীম ওসমানের পায়ে ধরে মাফ চেয়ে সে কৃষকলীগে আসে। আর না হয় তাকে কোন মানুষ চিনে না। আর আমি ১৯৬৭ সাল থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতি করে আসছি। সে আজকে এসে যাকে তাকে গালাগালি করে।

 

তাছাড়া রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মাঝে আজকের ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সেই সাথে বিশাল বড় দল আওয়ামী লীগের সহযোগি সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে সভাপতির গালাগালি নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। আবার অনেক সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেন সাবেক পিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পরে কি করে তিনি সকলের সামনে এই ভাবে তারাই দলের কমিটির সদস্য সচিবকে গালাগালি করতে পারলেন। তাও আবার রোজার মাসে।

 

যে মাসে মানুষকে মানবিক সহনশীল হতে শিখায়। যে মাসে মানুষ আল্লার তাকওয়া অর্জন করে থাকে। সেই মাসে জনসম্মুখে একজন আইনজীবি হয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করছে তা কি করে শোভা পায়। তিনি আইনের লোক হয়ে আইন ভেঙ্গে হাড্ডি হু্ড্ডি ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দিলেন কি করে। মানুষ কার প্রতি আস্থা রাখবে। যখন দেখা যায় একজন আইনজীবি আইন ভঙ্গ করার নির্দেশ দেন। তাছাড়া এতে করে দলের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেন তৃনমূল নেতা কর্মীরা। এই ধরনের নেতৃবৃন্দের লাগাম টানার আহ্বান জানান সর্বস্তরের নেতা কর্মীরা। এস.এ/জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন