Logo
Logo
×

রাজনীতি

ঝুলে আছেন নিজাম-সাজনু

Icon

সাইমুন ইসলাম

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৪৬ পিএম

ঝুলে আছেন নিজাম-সাজনু
Swapno

 

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় নির্বাচন হয়নি প্রায় দেড় দশক। তথ্যমতে, কয়েকটি এলাকা বাদ দিয়ে উপজেলার নতুন সীমানা নির্ধারণ হওয়ায় উচ্চ আদালতে রীট করেছেন ৩ জন ব্যক্তি। যার ফলশ্রুতিতে আটকে যায় সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। তবে দীর্ঘ বিরতির পর এ উপজেলার নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা হওয়ায় ধারণা করে নেওয়া হয়েছিলো হয়তো সিমানা সংশ্লিষ্ট জটিলতা কেটেছে। প্রার্থীরা যখন শামীম ওসমানের সমর্থন লাভে দৌড়ঝাঁপ করে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তখনই শামীম ওসমানের এক বক্তব্যে এ উপজেলার নির্বাচন নিয়ে সৃষ্টি হয় ফের শঙ্কা।

 

শামীম ওসমান বলেন, আমি কনফার্ম করে বলছি ৮ মে নির্বাচন হবে না। এর পরপরই প্রার্থীদের কপালে পড়ে চিন্তার ভাঁজ। তথ্যমতে, এ উপজেলা নির্বাচন নিয়ে শামীম ওসমানের বেশ কয়েকজন অনুগামী বহু পূর্বেই ইচ্ছে পোষণ করে আছেন। এ উপজেলায় নির্বাচনে অংশ নিতে প্রতিটি পদে একাধিক প্রার্থী মুখিয়ে রয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে বহুল আলোচিত মহানগর আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজাম ও মহানগর যুবলীগের সভাপতি সাজনু।

 

অন্যদিকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় রয়েছেন নারায়নগঞ্জ জেলা আ’লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেল আলী ও ফতুল্লা থানা আ’লীগের ১ নং সদস্য আবু মোঃ শরিফুল হক। তবে সাংসদ কাকে রেখে কাকে সমর্থন দিবেন এ ঝামেলা থেকে মুক্ত ছিলেন বহু বছর। কারণ মামলা জটিলতা সংক্রান্ত কারণে এ উপজেলায় নির্বাচন আটকে রয়েছে দীর্ঘ পনেরো বছর ধরে।

 

সূত্র মতে, রিটকারী তিনজনই আজাদ বিশ্বাস এর লোক হিসেবেই পরিচিত অপরদিকে শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে আজাদ বিশ্বাস পরিচিত। সেই হিসেবে শামীম ওসমান আজাদ বিশ্বাসকে মামলা জটিলতা দূর করার তাগিদ দিলে নির্বাচন হওয়া সময়ের ব্যাপার বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারা। তবে শামীম ওসমান এ নিয়ে কোনো আগ্রহ দেখাননি বলেই নির্বাচন আটকে আছে বলেন মনে করেন উপজেলাবাসী।

 

কারণ শামীম ওসমান তার অনুগামীদের মধ্যে সম্পর্কে ফাটল ধরতে দিতে চান না বলেই এ ধরনের কৌশল বেছে নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থাৎ তিনি এতদিন ধরে সদর উপজেলা নামক মুলা তার অনুসারীদের মধ্যে ঝুলিয়ে রেখেছেন। তবে এবার সুযোগ এসেছিলো এ উপজেলার নির্বাচন হওয়ার। তবে সেই পুরোনো কৌশলেই আটকে গেল নির্বাচন। ২২ এপ্রিল উচ্চ আদালতে এ নিয়ে শুনানি হবে। সেদিনের উচ্চ আদালতের সিদ্বান্তের উপর নির্ভর করছে সদর উপজেলার নির্বাচনের ভবিষ্যত।

 

এ নিয়ে রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছেন শামীম ওসমান উপজেলার মুলা ঝুলিয়েই রাখলেন। তবে এ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে রয়েছেন প্রার্থীরা। কেননা, ১৫ এপ্রিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ অথচ ২২ এপ্রিল উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে এ নির্বাচনের ভবিষ্যত। যদি নির্বাচন না হয় তবে মনোনয়ন কিনে ও জমা দিয়ে তো কোনো লাভ নেই। আবার কেউ মনোনয়ন না কিনে থাকলে যদি আদালত ঘোষনা দেয় নির্বাচন হবে প্রার্থীরা অংশগ্রহন করার সুযোগ পাবে না। এইসব নিয়ে প্রার্থীরা রয়েছেন চরম দোটানায়। তবে বিশ্বস্ত সূত্র বলছে সদর উপজেলায় নির্বাচন যদি প্রথম ধাপে না হয় তবে শেষ ধাপে হলেও হবে। এস.এ/জেসি
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন