দেশ জুড়ে উপজেলা নির্বাচনের হাওয়া বইছে। সারা দেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জেও টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। নারায়ণগঞ্জের ৫ টি উপজেলার মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ন সদর উপজেলা । কিন্তু সীমানা নিয়ে মামলা জটিলতাগত কারণে নির্বাচন বন্ধ ছিলো দীর্ঘদিন। তবে নির্বাচন কমিশনের তফসিলের পরে সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনকে ঘিরে তুমুল আগ্রহের সৃষ্টি হয়।
তফসিল অনুযায়ী, ৮ মে প্রথম ধাপে এ নির্বাচন হওয়ার কথা ছিলো। এতে করে সবাই ধরেই নিয়েছিলো হয়তো মামলা জটিলতা কেটে গিয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা সবাই নিজেদের নির্বাচনী আগ্রহের কথা বিভিন্ন মাধ্যমে জানান দিয়েছেন। নিজেদের পছন্দের প্রার্থীর পক্ষ নিতে এ উপজেলার নেতারা ও ভোটাররা হয়ে গিয়েছিলেন দুইভাগে বিভক্ত। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে আবারো নির্বাচন কমিশন এ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন ২২ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিতের আদেশ দেন।
তথ্যমতে, ২৭ মার্চ আপিল বিভাগের দেওয়া এক আদেশ প্রতিপালনার্থে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশ দেন নির্বাচন কমিশন। ২২ এপ্রিলের পর এ বিষয়ে শুনানি হবে। শুনানির পর নির্বাচন হওয়ার পক্ষে রায় দেওয়া হলে উপজেলা নির্বাচনের জন্য পূর্বনির্ধারিত চারটি তারিখের মধ্যে যেকোনো একটি তারিখে নির্বাচন হবে। যদি নির্বাচন হওয়ার পক্ষে রায় দেওয়া হয় তবে শেষ ধাপে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে তফসিলের পরও নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় প্রার্থীরা রয়েছেন চরম বিপাকে। এখন পর্যন্ত তাদের দলীয় হাইকমান্ড থেকে কোনো রকম নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এমনিক তাদের সাথে এ ব্যাপারে কোনো ধরনের আলোচনা পর্যন্ত হয়নি। তবে শেষতক এখানে নির্বাচন হবে, কি হবে না এ প্রশ্ন এখন সর্বত্র।
কেননা, সদর উপজেলার বর্তমান পরিষদের দায়িত্বে যারা রয়েছেন তারা একেবারেই জনবান্ধব না বলে তাদের প্রতি উপজেলাবাসীর রয়েছে চরম ক্ষোভ। এমতবস্থায় জদি পূনরায় পুরোনো কুটচাল চেলে নির্বাচন বন্ধ করে রাখা হয় তবে উন্নয়ন বঞ্চিত হবে সদর উপজেলাবাসী। তাই প্রার্থী থেকে ভোটার সকলেই চেয়ে আছে যেহেতু আজ নির্বাচন সংক্রান্ত স্থগিতাদেশ শেষ হচ্ছে সেহেতু এ উপজেলায় নির্বাচন নিয়ে কি সিদ্ধান্ত দেয় নির্বাচন কমিশন। এস.এ/জেসি


