নিজাম-সাজনুর জন্য নির্বাচন কেন বন্ধ থাকবে?
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১১ মে ২০২৪, ০৬:২৮ পিএম
# দশ বছর নির্বাচন হয়নি, এবারও হচ্ছে না, জনগণকে এতো খাটো করে দেখছেন কেনো এমপি?
সাজনুকে নিয়ে সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের এতো এলার্জি কেনো এটা বুঝতে পারছেন না আওয়ামী লীগের অনেকে। নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি উপজেলার মাঝে চারটিতে নির্বাচন হলেও একটিতে নির্বাচন হচ্ছে না, আর সেটি হলো শামীম ওসমানের নিজের উপজেলা তথা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায়। এই উপজেলায় বিগত দুটি নির্বাচনও করতে ব্যার্থ হয়েছেন শামীম ওসমান এমপি।
যার ফলে বঞ্চিত হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সদরের সাধারণ জনগণ। এবারও শামীম ওসমান চরম হঠকারিতার আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি মনোনয়ন দিতে চান শাহ নিজামকে। কিন্তু শাহাদাৎ হোসেন সাজনুও যে কোনো মূল্যে এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে বদ্ধপরিকর। আর এটা বুঝতে পেরেই শামীম ওসমান অজুহাত দাঁড় করিয়ে নির্বাচন বন্ধ করে দিয়েছেন। কিন্তু জনগনের প্রশ্ন হলো সাজনু কে? তিনি কার লোক? তিনি কি শামীম ওসমানের লোক নন?
শামীম ওসমানের জন্য সাজনু এবং তার পরিবারের কি কোনই অবধান নেই? তাহলে একজন এমপি হয়ে কেনো তিনি এভাবে এক চোখা নীতি গ্রহণ করেছেন? ফতুল্লার সর্বস্তরের জনগণ মনে করেন এবারের এই নির্বাচনে বিএনপি-জামাত-চরমোনাই অংশ নিচ্ছে না। তাই সাজনু আর নিজামের মাঝে যদি নির্বাচন হয় তাহলে যিনি পাশ করবেন তিনিই শামীম ওসমানের লোক। তাহলে এমপি কেনো তার এলাকার জনগনকে বঞ্চিত করবেন? তিনি নির্বাচনটি সকলের জন্য ওপেন করে দিতে পারেন। যিনি জিতে আসবেন তিনিইতো তার জন্য কাজ করবেন।
তাই নির্বাচন না দিয়ে আর কতো কাল তিনি এভাবে উপজেলাবাসীকে বঞ্চিত করবেন? পরিস্কার কথা হলো নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার মানুষ নির্বাচন চায়। তাদের নানা সমস্যায় তারা উপজেলার চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যানদের পাশে চায়। কিন্তু শামীম ওসমানের কারণে বিগত পনেরো বছর ধরে পূরনোরাই চালাচ্ছেন সদর উপজেলা। আজাদ বিশ্বাস , নাজিমুদ্দিন আর ফাতেমা মনির জনগণের জন্য কোনো কাজই করছেন না। তাদের কাজ করার আগ্রহও নেই।
আজাদ বিশ্বাসতো পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন তিনি আর থাকতে চান না। তারপরেও শামীম ওসমান নির্বাচনের ব্যাবস্থা না করে তাকেই থেকে যাওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন। তাই একজন এমপি হয়ে তিনি জনগণের অধিকারকে এতো হালকা করে দেখছেন কোনো সেই প্রশ্নও উঠেছে। নারায়ণগঞ্জ সদরের মানুষ নির্বাচন চায়।


