Logo
Logo
×

রাজনীতি

সন্ত্রাসী বাবুতে মজেছে সুবিধাভোগীরা  

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৪, ১০:০৭ পিএম

সন্ত্রাসী বাবুতে মজেছে সুবিধাভোগীরা  
Swapno


দ্বিতীয় ধাপে আগামী ২১ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা আওয়ামী লীগের চার প্রার্থী যাকে ঘিরে প্রতিক বরাদ্দের পর থেকেই সোনারগাঁয়ে নির্বাচনী আমেজ বইবার কথা থাকলেও।

 

 

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপি আবদুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত ও সাবেক সাংসদ সদস্য এবং জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা লিয়াকত হোসেন খোকা সাবেক ও বর্তমান দুইজনই আনারস প্রতিকের প্রার্থী সন্ত্রাসী খ্যাত বাবুল ওমর বাবুকে সমর্থনের পর পরই আমেজবিহীন হয়ে পরে সোনারগাঁ উপজেলার নির্বাচনী মাঠ।

 

 

এদিকে সমর্থনের পরপরই কায়সার হাসনাতের অতন্ত ঘনিষ্ট সহচর সোনারগাঁ উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মোটর সাইকেল প্রতিকের রফিকুল ইসলাম নান্নু ও দোয়াত কলম প্রতিকের প্রার্থী আলী হায়দার নির্বাচনী মাঠ থেকে অনেকটাই ঝড়ে পরে। যাকে ঘিরে বর্তমানে কায়সারের সমর্থিত প্রার্থী আনারস ও ঘোড়াতে লড়াইয়ের আশঙ্খা পাওয়া যাচ্ছে।

 

 

এদিকে বর্তমানে কায়সার হাসনাত ও আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গসংগঠনের সমর্থনে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সন্ত্রসী বাবুল ওমর। অপর দিকে কাগজে কলমে এই নির্বাচনে বিএনপি না থাকলেও পর্দার অন্তরালে থেকে সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির অনেক নেতা নির্বাচনকে প্রভাবিত করছেন বলে জানা গেছে।

 

 

এদিকে সোনারগাঁয়ে সন্ত্রাস, চাদাঁবাজ, জুয়ার আসওে নেতৃত্ব প্রদানকারী হিসেবে সুপরিচিত বাবুল ওমর বাবু। যিনি সোনারগাঁয়ে বালু নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে সকল অপকর্মের সাথে জড়িয়ে আছেন। তা ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে থাকাতেই সোনারগাঁবাসী বাবুতে অতিষ্ঠ হয়ে পরেছেন এবার যদি এই সন্ত্রাসী উপজেলার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান তাহলে পুরো সোনারগাঁ নিজ দখলে নিয়ে অপকর্মের মাত্রা বাড়িয়ে দিবে বলে আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

 


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাংসদ সদস্য কায়সার হাসনাতের সমর্থনের পরপরই যেন রক্ত চক্ষু গরম করে আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-স্বেচ্ছাসেবক লীগ-ছাত্রলীগ সকলেই নানা জ¦ালাময়ী বক্তব্যে দিচ্ছেন। আর সকলেই আনারস মার্কাকে আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা মনে করে ব্যাপক হারে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

 

একই সাথে সাবেক সাংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা লিয়াকত হোসেন খোকার প্রকাশ্যে সমর্থনে জাতীয় পার্টির নেতারা ও বাবুকে সমর্থন করছেন। তা ছাড়া গত সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহফুজুর রহমান কালামের পক্ষে নির্বাচনে প্রকাশ্যেই কাজহ করেছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন।

 

 

এবার সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান ও তার পুত্র জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম সজিব আওয়ামী লীগের সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী সন্ত্রাসী বাবুল ওমর বাবুর পক্ষে গোপনে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। তা ছাড়া বিগত দিন থেকেই বিভিন্ন বলয়ের মাধ্যমে বিএনপির একটি ভোট ব্যাংক অবস্থিত রয়েছে।

 

 

যাকে নিজ আওতায় নিয়ে আসতে বিভিন্নভাবে অর্থের খেলা খেলছেন চাঁদাবাজ বাবু। এ ছাড়া গত রমজানে ইফতার মাহফিলে অর্থের দাতা আওয়ামী লীগ নেতা বিতর্কিত-সন্ত্রাসী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বাবুল ওমর বাবু। আর এই অর্থ নিজ হাতে তুলে নিয়ে হ্যান্ডওভার করেছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নানের পিএস সেলিম। বর্তমানে এই বাপ-ছেলে বিএনপির ভোট ব্যাংক বিক্রি করে বাবুর থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে বিশাল অর্থ যাকে ঘিরে নির্বাচনে সোনারগাঁয়ে চলছে অর্থের ছড়াছড়ি।  

 


এ দিকে প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া উপজেলা নির্বাচন ও বর্জনের ঘোষনা দিয়েছিলেন বিএনপি যা বর্তমানে ও চলমান রয়েছে। সেই লক্ষে গত  ৮ মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বন্দর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ভোট বর্জনের দাবিতে নেমেছিলেন বন্দর উপজেলা বিএনপি ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। যার কারনে বন্দরে কেন্দ্রগুলোতে ভোটার সংখ্যা অনেকটাই কম লক্ষ্য করা গিয়েছিলো।

 

 

সেইসাথে স্থানীয়দের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণে অনেকটাই নির্বাচন বিমুখী হয়ে পরেছিলো জনগণ। এদিকে বর্তমানে আড়াইহাজার বিএনপি-রূপগঞ্জ বিএনপির লিফলেট বিতরণ করে জনগণকে ভোট বর্জনের আহ্বানে ব্যস্ত থাকলে ও সোনারগাঁ উপজেলায় দেখা মিলেনি এমন কোন চিত্র যা নিয়ে সোনারগাঁয়ে বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতারা মান্নানে একক সিদ্ধান্তে হতাশ হয়ে পরেছেন।     এন. হুসেইন রনী  /জেসি

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন