না.গঞ্জে কদর বাড়ছে এনসিপি নেতাদের
যৃুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
না.গঞ্জে কদর বাড়ছে এনসিপি নেতাদের
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪(ফতুল্লা) আসনে কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও জেলার প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল আমিন সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর পুরো নারায়ণগঞ্জ জেলায় এনসিপি নেতাদের কদর বেড়েছে। সেই সাথে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরের রাজনৈতিক অঙ্গনের অন্যান্য রাজনৈতিক দল এবং তার নীতি নির্ধারকরা এনসিপির নেতাদের সমীহ করে চলছেন।
সূত্র বলছে, নারায়ণগঞ্জ জেলায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর এনসিপির নেতা হিসেবে বিভেচিত হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও জেলার প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল আমিন এনসিপি, কেন্দ্রীয় কমিটির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক মো. শওকত আলী, সদস্য আহমেদুর রহমান তনু, জাতীয় যুবশক্তির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তুহিন মাহমুদ, জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক নিরব রায়হান। তবে এসকল নেতাদের এনসিপির রাজনৈতিক প্লাট ফর্মের বাহিরে তাদের কোন ষ্পেস দেননি অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো। কিন্তু ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে - এনসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক মো. শওকত আলী, আহমেদুর রহমান তনু, মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও জেলার প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল আমিন মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁ) আসনে জাতীয় যুবশক্তির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তুহিন মাহমুদ মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনেও মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন তারা হলেন- আড়াইহাজার উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী মফিজুল ইসলাম ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান আঙ্গুরের মামাতো ভাই খন্দকার মাজহারুল হক কায়জার। নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন এনসিপি প্রধান সমন্বায়কারী ইউসুফ, যুগ্ম সমন্বয়কারী সেলিম মিয়া, দলটির জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক নিরব রায়হান। পরবর্তীতে ১১দলীয় জোট গঠিত হলে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও জেলার প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল আমিনকে মনোনীত করা হয়। পরবর্তীতে নির্বাচনে জয় লাভ করেন আল আমিন। এরপর থেকেই শুরু এনসিপির সকল নেতাদের নারায়ণগঞ্জে কদর। বিএনপির নেতাকর্মীরাও তাদের বিরোধী দল হলেও এনসিপি এখন সমীহ করছেন সেই সাথে এনসিপির নেতাকর্মীদের উপর নির্বাচনী পরবর্তী হামলা থেকে রক্ষা করতে কাজ করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করছেন বিএনপির সাংসদসহ তাদের সমর্থকরা। এতে করেই বুঝা যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জে কদর বাড়ছে এনসিপি নেতাদের।


