না.গঞ্জে বিলুপ্তির পথে জাপা
প্রায়শই জাতীয় ভাবে জাতীয় পার্টির ভাঙন এবং নয়া গ্রুপিং বিভক্তির মাধ্যমে আলোচনায় আসে। কিন্তু স্থানীয় ভাবে রংপুরের পর নারায়ণগঞ্জে জাপার শক্তিশালী ঘাটি থাকলেও শক্তিমত্তা কিংবা ভোট ব্যাংক; কোথাও কোন অন্ত নেই দলটির। এদিকে ওসমান প্রীতিতে নারায়ণগঞ্জে জাপার আদর্শ দলীয় নেতাকর্মীদের কাছেও আস্থার জায়গা হারিয়েছে। যার কারণে নারায়ণগঞ্জের অধিকাংশ জাপা নেতা দল পরিবর্তন করে বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন। কারণ তৎকালীন সময়ে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের উপর ভর দিয়ে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল দিয়ে রাজপথ পথ ভোটের মাঠে হাল চাষ করতে হয়েছে।
সাংসদ হয়ে নারায়ণগঞ্জ জাপার রাজনীতি তার নিয়ন্ত্রণে নেন খোকা। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ জাপার সকল কমিটিও তার নিয়ন্ত্রণে নেন। তবে ৫ই আগস্টের পর আওয়ামীলীগের পতনের পর নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের সাথে জাপার রাজনীতি নিশচিহ্ন হয়ে গেলে ঢাকা থেকে জাপার নেতৃত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করেন খোকা। অথচ, তার পছন্দে নারায়ণগঞ্জ জাপার কমিটি করলেও তার কমিটির নেতারা তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছে না।
সকলেই আওয়ামীলীগের সাথে সাথে গাঁ ডাকা দিয়েছেন। সূত্র মতে, নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি করেছিলেন সানাউল্লাহ সানু সাধারণ সম্পাদক করেছেন নাইম ইকবালকে এবং মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি করেছিলেন মোদাচ্ছেরুল হক দুলালকে সাধারণ সম্পাদক করেছিলেন আফজালকে। এরমধ্যে ৫ই আগষ্টের পর নারায়ণগঞ্জ জাপার কোন নেতাকে সাবেক এমপি খোকাকে সঙ্গ দিতে না গেলেও সানাউল্লাহ সানু এবং জেলা ও মহানগর ছাত্রসমাজের রুপু এবং সবুজকে সঙ্গ দিতে দেখা যায়।
নারায়ণগঞ্জ জাপার আরেক নিয়ন্ত্রক সেলিম ওসমানও আত্মগোপনে দেশে থাকলেও জাপার দয়ায় এমপি হলেও জাপার সংগঠন এবং নেতাকর্মীদের প্রতি কোন প্রকার খোঁজ রাখেননি। এদিকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে সাবেক সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা নির্বাচনের ন্বপ্ন দেখা শুরু করলেও জাপা নেতাদের চরম অসহযোগীতা দল পরিবর্তন নারায়ণগঞ্জে জাপার বিলুপ্ত দশা থেকে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন খোকা।


