জিয়াউর রহমান নিজেই ইতিহাস : এমপি আবুল কালাম
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
জিয়াউর রহমান নিজেই ইতিহাস : এমপি আবুল কালাম
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য এড.আবুল কালাম বলেছেন, জিয়াউর রহমান উনি নিজেই একজন ইতিহাস। উনার আজকে শাহাদাৎবার্ষিকী। এই দিবসটি আমরা গত ৪৫ বছর যাবৎ করে আসছি। আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। বিগত নির্বাচনে এই ২৬নং ওয়ার্ড থেকে আপনারা বিএনপি থেকে আমাকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করেছেন। আমাদের এই বন্দরের ইউনিয়ন ও সিটি কর্পোরেশন পথকে বিগত সময় আমরা বিএনপি থেকে বিজয় লাভ করেছি।
আমরা বলতে পারি এটা আমাদের বিএনপির একটা ঘ্ািট। আপনাদের কাছে আমরা সবাই দলের পক্ষ থেকে, আমার নিজের ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে, পরিবারে পক্ষ থেকে ও আমার নেতাকর্মীর পক্ষ থেকে আরেকবার আপনাদের কাছে কৃজ্ঞতা শিকার করি এবং কৃজ্ঞতা জানাই আপনাদের। আজকে যে মজলিসগত অবস্থাটা আমাদের রাজনীতিভাবে এটা আমাদের ধরে রাখতে হবে, এটাই সব চেয়ে বড় মূল বিষয়। আজকে শাহাদাৎ বার্ষিকী মানে এটা না, প্রতি বছরই আসবো, আর প্রতি বছরই একটু দোয়া খায়ের করে চলে যাবো, আর সারা বছর আর্দশ নীতিতে থাকবো না, এটা কিন্তু হয় না।
আমরা যখন রাজনীতি করি, সকলে কিন্তু আমরা একটা বিশ্বাস করি, একটা স্লোগানে সামিল হই, সেটা হলো আমরা সকলেই জিয়ার সৈনিক। আমরা বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী বিশ্বাসে আমরা একটা রাজনৈতিক দল, গণতান্ত্রিক দল, জনগণের দল। এই বিষয়গুলো আমাদের মাথায় রাখতে হবে। এই বিষয়গুলো যখন আমাদের মাথায় থাকবে, তখন প্রশাসক মহোদয়ও কাজ করতে পারবে, আমি এমপি হিসেবেও আপনাদের কাজ করতে পারবো, আমাদের নেতাকর্মীরা কিন্তু এই বিশ্বাসের মূল্যায়ণ হয়ে কিন্তু সমাজসেবা করতে পারবে। এটার আদর্শের বাহিরে যদি আমরা চলে যাই তাহলে অস্তিত্ব থাকবে না।
আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার সার্থে আমাদের বুঝতে হবে, যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাহেব আমাদেরকে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদীর যে মূল উদ্দেশ্যটা সেটা প্রথমে কিভাবে চর্চা করেছিলেন। জিয়াউর রহমান কিন্তু খান খননের মধ্য দিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন। আজকে আমাদের আমাদের নেতা মাননীয় চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান সাহেবও কিন্তু একই কাজ খাল খনন দিয়ে শুরু করেছেন। আমাদের বন্দরেও কিন্তু এই খাল খননের কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আমরা মাঠে নেমে আসছি।
আমাদের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, হেল্প কার্ড সহ আমাদের এই সুযোগ সুবিধা গুলো যাতে জনগণের জনকল্যান মুখি হয়, সেই বিষয়টা নিয়েই কিন্তু, বিএনপি মাত্র তিন মাসও হয়নি আমাদের, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সুযোগ্য গতিশিল নেতৃত্বে আমরা কিন্তু ইতি মধ্যেই মাঠ পর্যায়ে চলে আসতে সক্ষম হয়েছি এবং ইনশাল্লাহ জনগণ এটা অতীতে গ্রহণ করছে, এখনো গ্রহণ করতে, আগামী দিনেও আপনাদের সহযোগিতা লাগবে এই কাজে আমাদের।
তাই আপনারা এলাকাবাসী আপনারা যদি নিজেরা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য, নিজেকে সম্মানিত হওয়ার জন্যে এবং নিজেকে সাবলম্বী করা জন্য যদি নিজেরাই আগ্রহ প্রকাশ করেন, তাহলে সরকারের পক্ষে সব কিছুই আপনাদের করে দেওয়া সম্ভব। কারণ সরকার একক কিছু না, সরকার একটি প্রতিষ্ঠান, যে প্রতিষ্ঠানের মালিক কিন্তু আপনারা। আপনারা জনগণই কিন্তু আমাদেরকে নির্বাচিত করেন এবং এই নির্বাচনের মাধ্যমেই কিন্তু সরকার গঠন করে আপনাদের প্রত্যাশা পূরণ করি আমরা।
সাখাওয়াত সাহেব উপলক্ষ্য না, উপলক্ষ্য হলো সিটি কর্পোরেশনে নেতৃত্ব আপনাদের হাতে, ঘরে চলে আসছে। এটা একমাত্র অর্জিত হয়েছে গত নির্বাচনে আমাদের বিএনপিকে জয়যুক্ত করেছিলেন বলে। আজকে বিএনপি জয়যুক্ত হওয়া মানেই সিটি কর্পোরেশন জয়যুক্ত হওয়া। তার মানে ২৬নং ওয়ার্ডে আপনারা জয়যুক্ত হওয়া। আপনাদের ত্যাগের বিনিময়ে আপনারা আজকে যে সফলতা অর্জন করেছেন, এই সফলতা রাখতে আমাদের কিন্তু সামনে দিকে আরও কষ্ট করতে হবে। আমরা যেহেতু রাজনীতি করি এই রাজনীতিকে ঘরের সম্পদ হিসেবে না, অন্তরের সম্পদ হিসেবে বানায় রাখতে হবে।
কারণ অন্তর দিয়ে ভালো না বাসলে, ঘর কিন্তু আমার পক্ষে আসবে না। ঘর বলতে আমার ছেলে, মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন, স্ত্রী-স্বামী এটি রাজনীতি অংশ। অতএব, একটা পরিবারের মধ্যে যদি বিদন্ড থাকে রাজনীতির তাহলে কিন্তু সুফল পাওয়া যায় না। এখন আমাদেরকে এখন কঠিন পথে আসতে হবে যে এই কারনে, যে আগামী দিনে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন আসবে, আগামী দিনে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আসবে, উপজেলা নির্বাচন আসবে, প্রতিটি ওয়ার্ডের নির্বাচন আসবে, মেয়র নির্বাচন আসবে এই সম্ভত কিছু এখন আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে।
আজকে আপনারা যে বিচ বুনেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে আপনারা আমাকে জয়যুক্ত করেছেন, এই কারনে আমাদের পাঁচ বছর কাজ করতে হবে। আগামীতে আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে যারা আসবে তাদেরকে কিন্তু আপনাদের সঠিক মূল্যায়ন করতে হবে। আগামী দিনে যে নির্বাচনগুলো আসছে, তার মধ্যে জনসেবার জন্য নিজের ঘরের থেকে নিয়ে আসতে হবে। এসময় দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, নাসিক প্রশাসক এড.সাখাওয়াত হোসেন খান, এড.সরকার হুমায়ুন কবির, এড.আবু আল ইউসুফ খান টিপু, আওলাদ হোসেন, আমিনুল ইসলাম মিঠু সহ প্রমুখ।


