আইভীকে নিয়ে রাজনীতিতে লঙ্কাকাণ্ড
সবে ৭২ ঘন্টা হলো ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী দেওভোগের বাড়িতে ফিরেছেন। কারামুক্ত হলেও সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেত্রীর প্রতি নিজ দল, ভিন্ন মতের দল ও প্রশাসনের তীক্ষè দৃষ্টি রয়েছে। কাশিমপুরের চার দেয়াল থেকে বের হলেও দেওভোগের বাড়িতে এখন সকলের নজরবন্দী তিনি। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি কিংবা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সব দলের নেতাকর্মীর আগ্রহ রয়েছে তাঁর দিকে।
রূপগঞ্জে এনসিপির অনুষ্ঠানস্থলে ছাত্রদল নেতাদের হামলার ঘটনায় রূপগঞ্জে এসে তিনি আইভীকে নারায়ণগঞ্জের শীর্ষ সন্ত্রাসী বলে মন্তব্য করেছেন। নাসীরউদ্দিন আইভীর মুক্তি পাওয়া নিয়ে বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে কঠোর সমালোচনাও করেছেন। আগামী স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপিকে লাল কার্ড দেখানোর আহবান তিনি জনগণকে জানিয়েছেন। ব্যক্তি ভিন্ন, স্থান ভিন্ন কিন্তু সমালোচনা কিংবা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশের প্রথম নারী মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। যদিও রাজনীতিতে যাকে নিয়ে এতো লঙ্কাকাণ্ড চলছে মুক্তির পর আইভী রাজনীতির কোন ব্যাপারেই মুখ খোলেননি। গণমাধ্যমে শুধু সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে মানবিক সরকার গঠনোর আহবান জানিয়েছেন। বাকি সময় যতটুকু খবর রটেছে, তিনি তাঁর জেলজীবনের অভিজ্ঞতায় নিকটস্থ মানুষের কাছে বর্ণনা করছেন। বাকি কোন ব্যাপারে এখনো মুখ খোলেননি।
এতে করে রাজনীতিতে নতুন মোড় যোগ করছেন আওয়ামী লীগের এই নেত্রী। মৃত্যুর আগে ‘জয় বাংলা’ বলে মরতে চান বলে এক সময় আইভীকে নিয়ে কঠোর সমালোচনা তৈরি হয়েছিলো। এখন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কর্মীরা সেই আইভীর কাঁধেই ভর করতে চায়।


