Logo
Logo
×

রাজনীতি

হেফাজতের দ্বন্দ্বের অবসান কবে ?

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

হেফাজতের দ্বন্দ্বের  অবসান কবে ?

হেফাজতের দ্বন্দ্বের অবসান কবে ?

Swapno



২০২৪ সালের (৫ আগস্ট) পরবর্তিত পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে নারায়ণগঞ্জে হেফাজতের কমিটি নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে বিরোধ লক্ষ্য করা গেলে ও সেই বিরোধ নতুন কমিটিতে ও মিটেনি। এদিকে রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে সরাসরি পরিচয় না থাকলেও দেশের রাজনীতিতে প্রভাবশালী ধর্মভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের প্রভাব এখান আর নেই। নানা বিষয়ে পটপরিবর্তনের পরপই আলোচনায় চলে আসেন নারায়ণগঞ্জ জামায়াতে ইসলামী।


তারা বিভিন্ন কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জবাসীর নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছেন। বিপরীতে বিভক্তি কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে সমালোচনা কাটাতে ব্যর্থ হেফাজত। ইতিমধ্যে হেফাজতে ইসলাম নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিটি নিয়ে পাল্টাপাল্টি কমিটি ঘোষণার ঘটনায় সংগঠনটির ‘অভ্যন্তরীণ বিরোধ’ ফের প্রকাশ্যে এসেছে। একই দিনে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি কমিটি ঘোষণার পর কোন কমিটি সাংগঠনিকভাবে বৈধ, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।


গত বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে নগরের ডিআইটি রেলওয়ে কলোনী জামে মসজিদে এক সভা শেষে জেলা ও মহানগরের আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি বশিরউল্লাহ। ঘোষিত জেলা কমিটিতে ডিআইটি রেলওয়ে কলোনী জামে মসজিদের খতিব ও হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল আউয়ালকে সভাপতি করা হয়েছে।


এর আগে তিনি জেলা হেফাজতের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। আমলাপাড়া মাদরাসার মাওলানা আব্দুল কাদেরকে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এবং মাদানীনগর মাদরাসার মুফতি বশিরউল্লাহকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা বদিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দিন খান (সোনারগাঁ), অর্থ সম্পাদক মাওলানা খোরশেদ আলম কাসেমী এবং প্রচার সম্পাদক মুফতি শেখ শিব্বিরের নাম ঘোষণা করা হয়।


মহানগর কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে মুফতি জাকির হোসেন কাসেমীকে। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন দেওভোগ মাদরাসার মাওলানা আব্দুর রহমান। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুফতি মামুনুর রশীদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মাওলানা মাহমুদ ইবনে আউয়াল।


এর প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর রাত ৯টার দিকে ফতুল্লার জামতলা এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পাল্টা কমিটি ঘোষণা করেন হেফাজতে ইসলাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী প্রচার সম্পাদক মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান। সাত সদস্যের ওই কমিটিতে মাওলানা কামাল উদ্দিন দায়েমীকে সভাপতি এবং মাওলানা তাজুল ইসলাম আব্বাসকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। পাল্টাপাল্টি কমিটিকে ঘিরে উত্তাপ শুরু হয় হেফাজতের রাজনৈতিক অঙ্গনে।


সূত্র জানিয়েছে, গত ২০১০ সালের ১৯ জানুয়ারি হেফাজত প্রতিষ্ঠার পর থেকেই রাজধানীর পাশ্ববর্তী জেলা নারায়ণগঞ্জ হেফাজতের নেতাকর্মীরা আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছিলেন। ঢাকার পাশপাশি নারায়ণগঞ্জের রাজপথও তারা সরব রেখেছেন। রাজধানীর প্রবেশপথ কাঁচপুর মহাসড়কে তারা সহিংসতা চালিয়েছেন। হেফাজতের প্রতিটি কর্মসূচিতের তারা সরব ভূমিকা পালন করেছেন।


এরই মধ্যে যুদ্ধাপরাধী ও মানবতা বিরোধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম ব্লগার আহম্মেদ রাজীব হায়দার শোভনকে হত্যার ঘটনায় তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া গোল চত্বরকে ‘রাজীব চত্বর’ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। ২০১৩ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি চাষাঢ়ায় জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ, রাজাকারদের ফাঁসির দাবি ও ব্লগার রাজীব হত্যার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশের আগে নারায়ণগঞ্জের সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমান আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দিয়ে সেখানে সাইনবোর্ড গেঁথে দেন এবং ফলক উন্মোচন করেন।


কিন্তু সেই ‘রাজীব চত্বর’ ঘোষণার কয়েকদিনের মধ্যেই শহরের ডিআইটি এলাক থেকে মিছিল নিয়ে এসে রাজীব গুড়িয়ে দেয়া হয়। যে মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা। এরপর ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানী ঢাকায় শাপলা চত্ত্বর কায়েম করা হয়। আর এই শাপলা চত্ত্বরে ঢাকার পাশ্ববর্তী জেলা হিসেবে নারায়ণগঞ্জের হেফাজতের নেতারা সক্রিয় ভূমিকায় ছিলেন। এভাবে একের পর এক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জ হেফাজতের নেতাকর্মীদের সাথে ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের নজর কাড়ে।


তাদের যে কোনো কর্মসূচিতেই সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। তবে এই আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যেই মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান শামীম ওসমান ও সেলিম ওসমানের সাথে সম্পর্ক বজায় রেখে আসছিলেন। বিভিন্ন সময় তাদের সম্পর্কের ঘনিষ্টতাও পরিরক্ষিত হয়। ২০২১ সালের (২০ মার্চ) আলীরটেকের ডিক্রিরচর ঈদগাহ মাঠে ইসলামি মহাসম্মেলন করে ওলামা পরিষদ। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন তৎকালিন এমপি শামীম ওসমান। এসময় তিনি মাওলানা ফেরদাউসুর রহমানকে তার ছোট ভাই বলে সম্বোধন করেছিলেন।


যা স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছিলো। এর আগে ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে ২০১৬ সালের (১৩ মে) বন্দরের পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান সেদিন শ্যামল কান্তিকে কান ধরে উঠবস করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে এই ঘটনা প্রকাশ পেলে সারাদেশজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। এই ঘটনায় চাপের মুখে পড়ে যান ওসমান পরিবার।


ঠিক সে সময়েই তাদের পাশে দাঁড়ান নারায়ণগঞ্জ হেফাজতের নেতারা। ওই বছরের (২০ মে) নারায়ণগঞ্জ জেলা হেফাজত আয়োজিত শহরের ডিআইটি জামে মসজিদের সামনে ‘নারায়ণগঞ্জের সর্বস্তরের মুসলিম জনতা’ ব্যানারে সমাবেশ করা হয়। সমাবেশ থেকে নারায়ণগঞ্জ হেফাজত নেতারা শ্যামল কান্তিকে শাস্তি দিতে সরকারকে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন। সেই সাথে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে হরতাল- অবরোধ করে দেশ অচল করে দেয়ার ঘোষণা দেন।


অন্যদিকে ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা বিষয়ে কটূক্তির অভিযোগ এনে নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম (ক অঞ্চল) অশোক কুমার দত্তের আদালতে হেফাজতে ইসলাম নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সমন্বয়ক মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান এই মামলা করেন। ২০২১ সালের (১২ ফেব্রুয়ারি) মসজিদ ভেঙে শপিংমল ও মাদ্রাসা উচ্ছেদ করে পার্ক করার অভিযোগ এনে মেয়র আইভীর বিরুদ্ধে সমাবেশ করে নারায়ণগঞ্জ ওলামা পরিষদ। এদিন জুমার নামাজের পর শহরের চাষাঢ়া এলাকার বাগে জান্নাত মসজিদের সামনে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।


কিন্তু এরপর থেকেই অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বে জড়িয়ে বিভক্তি হয়ে পরেন হেফাজত ইসলামী। গত ২০২৪ সালের (৪ অক্টোবর) চাষাঢ়ার বাগে জান্নাত জামে মসজিদে প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর হেফাজতের কমিটি ঘোষণা করেছিলেন সংগঠনের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব। তবে ওই সম্মেলনে মাওলানা আব্দুল আউয়ালসহ নারায়ণগঞ্জের হেফাজতের বড় একটি অংশের নেতারা উপস্থিত ছিলেন না। ওই কমিটিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীকে জেলা সভাপতি এবং খেলাফত মজলিসের নেতা এবিএম সিরাজুল মামুনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।


মহানগর কমিটিতে মুফতি হারুনুর রশিদকে সভাপতি এবং মাওলানা মীর আহমাদুল্লাহকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। কমিটি ঘোষণার পরই এ নিয়ে বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়া এবিএম সিরাজুল মামুন দায়িত্ব গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান এবং ঘোষিত কমিটি প্রত্যাখ্যান করেন। তখন এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মাওলানা আব্দুল আউয়ালকে জেলা কমিটির মূল দায়িত্ব থেকে বাদ দেওয়া এবং জেলা ও মহানগরের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের মতামত উপেক্ষা করে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। পরে মাওলানা মামুনুল হকসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের একটি প্রতিনিধি দল নারায়ণগঞ্জে ডিআইটি মসজিদে আসেন।


তারা উভয়পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন এবং সম্মেলনে ঘোষিত কমিটি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত জানান। ওই কমিটি ঘোষণা ও প্রতিনিধি সম্মেলন আয়োজনের সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান।


তিনি এর আগে নারায়ণগঞ্জ মহানগর হেফাজতের সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রভাবশালী ওসমান পরিবারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা ছিলÑহেফাজতের একটি অংশের এমন অভিযোগের পর তাকে ঘিরে সংগঠনের ভেতরে বিরোধ আরও তীব্র হয়। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হেফাজতের ভেতরের এই বিরোধ আরও প্রকাশ্যে আসে।


সংগঠনের একাংশ ফেরদাউসুর রহমানকে সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে উল্লেখ করে তার বিরোধিতা করে আসছে। এর মধ্যেই গত (৩০ সেপ্টেম্বর) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও মহানগর হেফাজতের সাবেক প্রচার সম্পাদক জাহিদ হাসান হামলার শিকার হন। ওই ঘটনায় তিনি মাওলানা ফেরদাউসুর রহমানসহ হেফাজতের কয়েকজন নেতাকে দায়ী করেছিলেন।


হেফাজতের অভ্যন্তরীণ বিরোধের বিষয়টি ২০২৪ সালের প্রতিনিধি সম্মেলনেও স্পষ্ট হয়। কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকেই সেখানে উপস্থিত থাকলেও নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা সংগঠনটির দুই নায়েবে আমীরের কেউই ওই সম্মেলনে ছিলেন না। গত বুধবার নতুন কমিটি ঘোষণার অনুষ্ঠানেও আগের কমিটি ঘিরে থাকা বিরোধী পক্ষের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখা যায়নি। ফলে নতুন কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে সাংগঠনিক কাঠামো নতুন করে সাজানো হলেও নারায়ণগঞ্জ হেফাজতের দীর্ঘদিনের বিভক্তি কতটা দূর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।


কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি বশিরুল্লাহ জানিয়েছেন, কমিটি গঠন ও ঘোষণার দায়িত্ব সাংগঠনিক সম্পাদকের। তার ভাষায়, হেফাজতের নীতিমালা এ ধরনের পাল্টা কমিটিকে সমর্থন করে না এবং বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।‘কমিটি ঘোষণা করা, কমিটি বানানো তো সাংগঠনিক সম্পাদকের কাজ। কিন্তু আমি কমিটি ঘোষণার পর হেফাজতের কেন্দ্রীয় সহকারী প্রচার সম্পাদক মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান যে কমিটি ঘোষণা করলেন, তিনি তো এর এখতিয়ার রাখেন না মনে হয়।এটা তার করার সুযোগ তো নাই।’


মুফতি বশিরুল্লাহ ফেরদাউসুর রহমানের ঘোষিত কমিটির বিষয়টিকে ‘বিদ্রোহ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘একটি বৃহৎ সংগঠনে অভিমান-অনুরাগ থাকতে পারে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক যে কমিটি ঘোষণা করেছেন, সেই কমিটি ঘোষণার পর এভাবে পাল্টা আরেকটা কমিটি ঘোষণা করা যায় না। হেফাজতের নীতিমালা এটাকে সমর্থন করে না।’


ফেরদাউসুর রহমানের ঘোষিত কমিটি সাংগঠনিকভাবে গ্রহণযোগ্য কি না জানতে চাইলে মুফতি বশিরুল্লাহ বলেন, ‘এটা কোনো কমিটি হয়নি। আমরা শিগগিরই বসে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।’


মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান পাল্টা কমিটি ঘোষণা করেন বলেন, ‘বিগত দিনে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি আমরা, জেল-জুলুম খেটেছি আমরা। আর এখন সুদিনে এসে কমিটির নেতৃত্বে আসবে সুবিধাবাদীরা, সেটা আমরা মেনে নেব না। মহানগর শাখার যে কমিটি আজ বিকেলে ঘোষণা করা হয়েছে, সেটা আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।’


তিনি আরও বলেন, ‘যারা ত্যাগী এবং ইসলামের ঝান্ডা সমুন্নত রাখতে পারবে, তাদের নেতৃত্বেই নারায়ণগঞ্জ মহানগর হেফাজতে ইসলাম চলবে। এখানে অন্য কারো মাতুব্বরি চলবে না। কেউ যদি কমিটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে, তাহলে এর সঠিক জবাব দিতে আমরা প্রস্তুত।’


Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন