Logo
Logo
×

রাজনীতি

যুবলীগের শীর্ষ পদ পেতে ডাকাত মিরুর নাশকতা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম

যুবলীগের শীর্ষ পদ পেতে ডাকাত মিরুর নাশকতা

যুবলীগের শীর্ষ পদ পেতে ডাকাত মিরুর নাশকতা

Swapno


নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কুতুবপুর ইউনিয়নের আলোচিত সন্ত্রাসী ও মাদক গডফাদার মীর হোসেন মিরু (যিনি এলাকায় ‘ডাকাত মিরু’ বা ‘ল্যাংড়া মিরু’ নামে পরিচিত) আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে জনসমক্ষ থেকে নিখোঁজ বা পলাতক রয়েছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কুতুবপুর ইউনিয়নের একটি বড় অংশে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের গডফাদার হিসেবে তার নাম উঠে আসে। অতীতে ডাকাতির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি পঙ্গু হন, যার ফলে স্থানীয়ভাবে তিনি ‘ল্যাংড়া মিরু’ নামেও পরিচিতি পান।


রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে এবং গণরোষ এড়াতে তিনি আত্মগোপনে বা পলাতক রয়েছেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি স্বশরীরে পলাতক থাকলেও তার অনুসারী ও অপরাধ চক্রের সদস্যরা এলাকায় এখনো সক্রিয় থাকার চেষ্টা করছে বিশেষ করে গতবছরের ২৫ আগস্ট আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার প্রতিবাদে   গুলিস্তান ও এর আশপাশের এলাকায় আওয়ামী লীগের কর্মীরা ঝটিকা মিছিল বের করার চেষ্টা করেছেন। যা মিছিল মুহূর্তে সারা দেশে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার  সৃষ্টি করেছেন।


‎পুলিশ এসব ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করেছে। যেমন—মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়াম, জিরো পয়েন্ট ও এর আশেপাশের এলাকা থেকে মিছিলের সময় নেতাকর্মী আটকের ঘটনা ঘটেছে। এ ধরণের মিছিলের খবর পেলে বা মিছিলের চেষ্টা চালালে সাধারণ শিক্ষার্থী, বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়। অনেক স্থানে সাধারণ মানুষের প্রতিহত করার বা গণধোলাই দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।


তবে এই মিছিলে সবচেয়ে বেশি লোকজন এবং নেতৃত্ব দেন নারায়ণগঞ্জ নেতাকর্মীরা বিশেষ করে মিছিলটি করার জন্য দীর্ঘদিন পরিকল্পনা ছিলো আর সেই পরিকল্পনায় মাস্টার মাইন্ড ছিলো কুতুবপুরে  শীর্ষ সন্ত্রাসী মির হোসেন মিরু। শুধু তাই নয় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে আত্মগোপনে থেকে কর্মসূচি পালন করে এই  শীর্ষ সন্ত্রাসী মীর হোসেন মিরু।


‎এমনকি একাধিক  সুত্রে  জানা গিয়েছে, নারায়ণগঞ্জের যুবদলের কমিটি দেওয়া নিয়ে ব্যাপকভাবে  আলোচনা চলছে। আর সেই কমিটিতে শীর্ষ পদে থাকতে  সন্ত্রাস বিরোধী, দেশবিরোধী একের পর এক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয় ডিসেম্বরে  সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে আসার ঘোষণা দেওয়ার পর পরই আরো সক্রিয় হয়ে ওঠে এই দুর্র্ধষ মির হোসেন মিরু।


‎খবর নিয়ে জানা যায়, ৫ আগস্টের পর  তার বিরুদ্ধে  একাধিক বৈষম্য ছাত্র  হত্যা মামলা হয়েছে। শুধু তাই নয় বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের আমলে তার অত্যাচারে ফতুল্লার কুতুবপুরের  মানুষ অনেকটাই আতঙ্কে দিন পার  করেছে। শুধু তাই নয় সেই আওয়ামী লীগের আমলেই  বিরুদ্ধে হত্যা, গুম, মাদক ব্যবসা সহ দেড় ডজন খানেক মামলা যেই মামলায় বেশ কয়েকবার তিনি গ্রেফতারও হয়েছিলেন।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন