কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পর বিভিন্ন সময় নারায়ণগঞ্জের নানা এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিল করে। সম্প্রতি ২০ সেপ্টেমর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের বিপরীতে ইসদাইর এলাকায় জটিকা মিছিল করে। একই সাথে ঢাকা নারায়ণগঞ্জ লিংরোডে বিক্ষোভ মিছিল করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক অভিযান ও গ্রেফতার চালিয়েছে। সেই সাথে সরকারি দল বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজপথে নেমে আন্দোলন করছে। দলের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের যে কোন নাশকতাকে প্রতিরোধ করার জন্য পাহাড়ায় থাকবে বলে জানান।
এদিকে আওয়ামী লীগের পালিয়ে থাকা ওসমানীয় সম্রাজ্যের খলিফারা বিভিন্ন ভাবে নারায়ণগঞ্জে নাশকতা তৈরী করে শান্ত শহরকে শহরকে অশান্ত তৈরী করতে মরিয়া হয়ে রয়েছে। কেননা ওসমানীয় সম্রাজ্য সহ আওয়ামী লীগের পালিয়ে থাকা নেতা কর্মীরা ফিরতে চায়। তাদের সেই পুরোন আধিপত্য আবার দখল নিতে মরিয়া হয়ে গেছে। আর এজন্য তারা এখন নানা ভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরীতে পায়তারা করছে। তাছাড়া সম্প্রতি সময়ে আওয়ালীগের লকডাউন ঘোষনা হলে নারায়ণগঞ্জে বাসে আগুন জালিয়ে নাশকতার ছক কষে পালিয়ে থাকা নেতাকর্মীদের দোসররা। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে গড়ে তোলার জন্য রাজপথে নেমে বিক্ষোভ মিছিল করছেন।
জানাযায়, ২৩ সেপ্টেম্বর নগরীতে মহানগর বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল করে আওয়ামী লীগের নাশকতার বিরুদ্ধে। শহরে বিশাল শোডাউন দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে আওয়ামী লীগকে কঠোর হুশিয়ারি প্রদান করেন। তার আগে ২২ সেপ্টেম্বর জেলা মহানগর যুবদল নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের নৈরাজ্্েযর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল করেন। অপরদিকে ঢাকা নারায়ণগঞ্জ লিংরোডে জেলা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল সকল নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
মহানগর বিএনপির আহবায়ক ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খাঁন বলেন, ‘৩০ ডিসেম্বরেও বাংলাদেশে কোনো পলাতক ফিরে আসবে না। পলাতক নেত্রীও আসবে না। সুতরাং তাদের কথায় কেউ দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করবেন না।
আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাদের প্রসঙ্গে সাখাওয়াত বলেন, ‘যারা পলাতক, তারা কোনোদিন বীরের বেশে কোনো কাজ করতে পারে না। আজকে আওয়ামী লীগ একটি পলাতক দল। তাদের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সর্বশেষ এমপি পর্যন্ত তারা এই দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছে। সেই পলাতকরা আজ বিদেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের চোখ-রাঙানি দেয়। তাদেরকে আইনি ভাবে প্রতিহত করতে হবে।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. আবুল কালাম বলেন ‘দীর্ঘ ১৮ বছর এই দেশের জনগণ, আমরা নারায়ণগঞ্জবাসীরা দেখেছি এই রাজপথেই প্রকাশ্য অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করে আমাদের সংগ্রামী সাথীদের হত্যা করেছে। ‘গত ১৮ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবশিষ্টাংশ যে প্রশাসন রেখে গেছে, তাদের থেকে গত ছয় মাসে আমরা পূর্ণ সমর্থন পাচ্ছি না। তাই আমাদের শক্তি অর্জন করে বলীয়ান হতে হবে।