Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

পিপি ওয়াজেদ আলী খোকন ও তাঁর স্ত্রী বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

Icon

প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৫:৪৬ পিএম

পিপি ওয়াজেদ আলী খোকন ও তাঁর স্ত্রী বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
Swapno

নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও মহানগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এড.ওয়াজেদ আলী খোকনের স্ত্রী সেলিনা ওয়াজেদ মিনুর বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ থাকার অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার এই মামলা দায়ের করা হয়।

 

এরআগে  নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও মহানগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এড.ওয়াজেদ আলী খোকনের স্ত্রী সেলিনা ওয়াজেদ মিনুর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ থাকা এবং মানি মানিলন্ডারিং অভিযোগের সত্যতা পায় র্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

 

সম্প্রতি তদন্তে এসব বিষয়ের প্রমাণ পাওয়ায় এ বিষয়ে মামলা করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।

 

দুদক সূত্রে জানা যায়, পিপি ওয়াজেদ আলী খোকনের স্ত্রী সেলিনা ওয়াজেদ মিনুর নামে রয়েছে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত বিপুল পরিমাণ সম্পদ। এমন অভিযোগের তদন্তে নামে দুদক।

 

পরে তদন্তে সেলিনা ওয়াজেদ মিনুর নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং মানি লন্ডারিংয়ের প্রমাণ পায় দুদক। এসব অপরাধে দুর্নীতি দমন আইন ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় এবং মানি লন্ডারিং আইন ২০১২ এর ৪(২) ধারায় মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। এ বিষয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি মামলার অনুমতি দেয়া হয়।

গত বছরের অক্টোবর মাসে নারায়ণগঞ্জ জজ কোর্টের পিপি ওয়াজেদ আলী খোকনের বাড়িতে অভিযান চালায় দূর্নীতি দমন কমিশন দুদকের একটি প্রতিনিধি দল। দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা রেজাউল করিমের নেতৃত্বে আসা টিমটি অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ বাড়ির পরিমান মাপঝোক করেন। পরে দলটি ওয়াজেদ আলী খোকনের স্ত্রী’র ইনকাম টেক্সের ফাইল অনুসন্ধানের জন্য নিয়ে গিয়েছিলো। এসময় পিপি এবং তাঁর স্ত্রীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধি দলটি তখন দীর্ঘক্ষন সেখানে অবস্থান করেছিলো। 

তখন ওয়াজেদ আলী খোকন এর আগে তাঁর সম্পদের যেই বিবরণী জমা দিয়েছিলেন সেখানে বর্তমান সম্পাদের সাথে ব্যপক হেরফের পেয়েছিলো অনুসন্ধানকারি দলটি। 

 

এ পর্যন্ত তথ্য অনুসন্ধানে যে তথ্যগুলো উঠে এসেছে তার স্ত্রী সম্পদ বিবরনীতে ট্যাক্স ফাইলে ব্যাপক গড়মিল পেয়েছে দলটি। প্রথমে তার স্ত্রীর সম্পদগুলো তার ভাইয়ের নামে রেজিস্ট্রি করে এবং পরে তা হেবা করে নিজের নামে ট্রান্সফার করা হয় তার ফাইলে। এছাড়া তাদের ফাইলে যেসব ব্যবসার উল্লেখ করা হয়েছে, বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব খুজে পায়নি দুদক। 

 

এর আগে ২০১৮ সালের মে থেকে নারায়ণগঞ্জ জজ কোর্টেও পাবলিক প্রসিকিউটর ওয়াজেদ আলী খোকনের বিরুদ্ধে অবৈধ ভাবে সম্পদ অর্জনের আভিযোগ উঠে। এরপর থেকেই তার সেই অবৈধ আয়ের অনুসন্ধানে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন। এই বছরের ২৮ মে দুদক থেকে ওয়াজেদ আলী খোকনকে চিঠি পাঠায় দুদক। পরে ২৯ মে তাকে দুদক কার্যালয়ে এক ঘন্টার মতো জিজ্ঞেসা করে।     

 

 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন