Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

আমদানী কম, দাম কমছে না রসালো ফল তরমুজের

Icon

লতিফ রানা

প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:০৫ পিএম

আমদানী কম, দাম কমছে না রসালো ফল তরমুজের
Swapno

প্রচন্ড গরমে অন্যতম রসালো মৌসুমী ফলগুলোর মধ্যে অনেকেরই প্রিয় তরমুজ। তবে চাহিদার তুলনায় আমদানী খুবই কম, তাই অনেক বেশী দামে বিক্রী হওয়ায় অনেকেরই নাগালের বাইরে এর দাম। আকারভেদে পাইকার বাজারে ৫০ থেকে ২শত টাকা মূল্যের তরমুজ দুই হাত ঘুরে খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে দেড়শত থেকে ৪শত টাকায়। বছরে প্রায় দুই মাসের মতো তরমুজের ব্যবসা থাকে। বর্তমানে চারাগোপের ৫২টি আড়তের মধ্যে ৪০টি আড়তেই তরমুজের ব্যবসা হচ্ছে।

 

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) শহরের পাইকারী আড়ৎ খ্যাত চারারগোপ এলাকাসহ খুচরা বাজার ঘুরে তরমুজের বাজারের এমন চিত্র পাওয়া যায়। বর্তমানে এখানে ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা ও বরিশাল এই চার এলাকার তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে।

 

পটুয়াখালীর গলাচিপা এলাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ চারারগোপের খালে ট্রলার দিয়ে তরমুজ নিয়ে এসেছেন কৃষক রফিক মুন্সি। তিনি জানান, এই তরমুজ গুলো তিনি পটুয়াখালীর গলাচিপার তার নিজের ক্ষেত থেকে ট্রলারে করে এনে এখানে পাইকারী বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছেন। এবার আশানুরূপ তরমুজের ফলন না হওয়ায় তিনি আফসোস করেন।

 

রফিক মুন্সি জানান, তরমুজ গুলোকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করেছেন তিনি। বাংলালিংক বড় সাইজের প্রতি শত তরমুজ তিনি ২০,০০০ টাকা দরে (প্রতি পিস ২০০টাকা) বিক্রি করছেন। মাঝারি সাইজের প্রতি শত তরমুজ ১২ থেকে ১৩ হাজার (প্রতি পিস ১২০ থেকে ১৩০টাকা) দরে এবং বাংলালিংক ছোট সাইজের প্রতি শত তরমুজ ৫০০ থেকে ৬০০শত (প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা) দরে বিক্রি করছেন।

 

পাইকারী ক্রেতা শাহজাহান পাটোয়ারী জানান, বাজারে এবার তরমুজের চাহিদা অনুযায়ী আমদানী অনেক কম। তিনি বলেন, আমরা খুচরা বিক্রেতার কাছে বাংলালিংকের বড় সাইজের তরমুজ ২৫ থেকে ৩০ হাজার (প্রতি পিস ২৫০ থেকে ৩০০টাকা) টাকা দরে বিক্রি করি। মাঝারি সাইজ ২০ হাজার টাকা (প্রতি পিস ২০০টাকা) দরে এবং ছোট সাইজের তরমুজ ৬০০ থেকে ৭০০টাকা (প্রতি পিস ৬০ থেকে ৭০টাকা) দরে বিক্রি করি।

 

কালীর বাজারসহ শহরের প্রধান সড়কের আশেপাশের ভ্যানগাড়িতে খুচরা বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে খুচরা বাজারে বড় সাইজের তরমুজ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি সাইজ দুই থেকে আড়াই শত টাকা এবং ছোট সাইজের তরমুজ তারা প্রায় দেড়শত টাকা দরে বিক্রি করছে।

 

ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখন কালো তরমুজের তুলনায় বাংলালিংক তরমুজের চাহিদা বেশী। তবে সাদা তরমুজ (সাধারণভাবে যে তরমুজ পাওয়া যেত) এখন বাজারে নেই বললেই চলে।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন