রাতে বেশি ভয়ঙ্কর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ২২ মে ২০২১, ০৯:১৫ পিএম
দিন দিন ভয়ংকর হয়ে উঠছে সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। কাঁচপুর ব্রীজের পশ্চিম পাড়ে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল থেকে চিটাগাংরোড হয়ে সাইনবোর্ড পর্যন্ত অংশটি রাতের বেলা চলে যায় ছিনতাইকারী ও সংঘবদ্ধ ডাকাতদের দখলে। আর সেজন্য এই মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী জনসাধারণদেরকে পরতে হয় ছিনতাইকারীদের কবলে এবং হারাতে হয় সর্বস্ব। এমনটিই দাবী স্থানীয় জনসাধারণের। বিগত দিনে ছিনতাইকারী ও ডাকাতদের হাতে খুন হতে হয়েছে অনেককে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সম্প্রতি এসব সংঘবদ্ধ ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনলেও থেমে নেই এই চক্রের তৎপরতা। অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসছে এসব তথ্য। জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থি ও অপরাধ নিয়ন্ত্রনে দিনে এবং রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের কিলো-৩ টিম কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি র্যাব ও অন্যান্য সংস্থার টিমও মহাসড়কে দায়িত্ব পালন করে আসছে। তারপরেও চিহ্নিত ছিনতাইকারী চক্র ও সংঘবদ্ধ ডাকাত দলেরর সদস্যরা কৌশল অবলম্বন করে অপরাধ করে বেরাচ্ছে। ফলে এসব চক্রের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছে রাতের বেলা মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী বিভিন্ন পন্য পরিবহনের চালক-হেলাপার এবং কাঁচামালসহ বিভিন্ন মৌসমী ফলের ও মাছ ব্যবসায়ীরা।
বিভিন্ন পরিবহন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, রাতের বেলা সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী ও ডাকাতরা শিকার ধরার জন্য কৌশল অবলম্বন করে ফাঁদ পেতে বসে থাকে। তাদের ফাঁদের অন্যতম হাতিয়ার ভাসমান পতিতা। এসব ভাসমান পতিতারা কাঁচপুর ব্রীজের পশ্চিম পাড়ের ব্রীজের নিচ থেকে শুরু করে শিমরাইল ট্রাক টার্মিনালের দক্ষিণ পাশে গজারী বন, শিমরাইল মোড়ের রেন্ট-এ কার স্টান্ড, বিভিন্ন মার্কেটের সামনের ফুটপাতের দোকানের অলিগলি, ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের আশ-পাশের ঢাল, পাইনাদী নতুন মহল্লার কুয়েত প্লাজার সাথের গলি, ধনু হাজী রোডের ঢাল, মৌচাক বাস স্ট্যান্ডের পাশে মাছের আড়ৎ, পেট্রোল পাম্প, নিচের ক্যানেলপাড় সড়ক, সানারপাড় পিডিকে পাম্প এবং সাইনবোর্ড স্ট্যান্ডের আশ-পাশের এলাকায় অবস্থান নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। এই ভাসমান পতিতাদের সাথে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী ও ডাকাতদের গভীর সখ্যতা রয়েছে।
এছাড়াও এসব পতিতারা বিভিন্ন মার্কেট ও স্ট্যান্ডে নিয়োজিত নৈশ প্রহরীদের সাথে যোগসাজশে এ অপকর্ম করে বেরাচ্ছে বীরদর্পে। এদের কারণেই মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী পণ্য পরিহনের চালকরা এই অঞ্চলের বিভিন্ন পয়েন্টে গাড়ী পাকিং করে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে গিয়ে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছে। এছাড়া মহাসড়কের দুই পাশের এলাকার উঠতি বয়সের কিশোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের লোকজন মহাসড়কে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে বিপথগামী হচ্ছে যুবসমাজ। এই ভাসমান পতিতাদের কারণেই নানান সময় হানাহানীর ঘটনা ঘটে থাকে বলে স্থানীয়দের অভিমত। এ কারণেই এই মহাসড়কটি দিন দিন ভয়ংকর হয়ে ঊঠছে বলে জানা যায়। যা বিগত দিনের কয়েকটি ঘটনায় স্পষ্টই প্রতীয়মান।
জানা যায়, গত মাসের ২২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিট থেকে ৩টার মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাইনাদী নতুন মহল্লা এলাকায় ডরিক মাদানী টাওয়ারে মিলন মিয়া (৬০) নামে এক নৈশ্য প্রহরীকে হত্যা এবং সিদ্দিকুর রহমান নামে অপর এক নৈশ্য প্রহরীকে মারধর করে ‘ইউএসবি’ নামক একটি কুরিয়ার সার্ভিসের শাখায় দুধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটায়। ডাকাতদল নৈশ্য প্রহরীদের হাত-পা বেঁধে প্রহার করে মার্কেটের ভেতরে গল্লির মধ্যে ফেলে রেখে কুরিয়ার সার্ভিসে রক্ষিত ১৫০টি ব্যাটারী, একটি ওভেন ও একটি ফ্রিজসহ ১৫/১৬ লাখ টাকার মালামাল লুট করে একটি পিকআপে করে নিয়ে চলে যায়। এসময় এশিয়া মটরস নামে পাশের একটি ব্যাটারী চালিত ইজিবাইকের দোকান থেকেও ৮টি ব্যাটারী ও ১৫টি চার্জার নিয়ে যায়। ঘটনার পর র্যাব, পুলিশ, সিআইডি ও পিবিআইয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
গত বছরের ১ জানুয়ারী বুধবার ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের সামনে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে খুন হয় ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর থানার কৈখালীপাড়া এলাকার মো: মনু মিয়ার ছেলে ট্রাক চালক সিরাজ (৩২)। ওই দিন রাত ৩টায় সে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার শিয়ারচর এলাকা থেকে কার্টুন বোঝাই একটি ট্রাক নিয়ে আশুলিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। ট্রাকটি সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড় ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের সামনে আসলে অজ্ঞাত কয়েকজন ছিনতাইকারী অতর্কিত হামলা করে। এসময় ছিনতাইকারীরা জোরপূর্বক ট্রাকচালক সিরাজের কাছে থাকা টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করে। সে সময় সিরাজ তাদের বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করে। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে ছিনতাইকারীরা সিরাজকে ছুরিকাঘাত করে। পরে সিরাজের সহকারি রাজু চিৎকার শুরু করলে তারা পালিয়ে যায়। এসময় আশেপাশের লোকজন সিরাজকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠিয়ে দেয়।
পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিরাজকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে ৫ জানুয়ারী সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ পটুয়াখালী থেকে দুইজন ও সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে দুইজনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলো, পটুয়াখালীর সদর থানাধীন নন্দীপাড়া গ্রামের মৃত হাসান খলিফার ছেলে মূলহোতা মো: লাল মিয়া ওরফে লালু (২৫), নোয়াখালীর চাটখীল থানাধীন মমিনপুর গ্রামের হুমায়ুন কবিরের ছেলে মো: ইয়াছিন ওরফে পপো (১৮), হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানাধীন পারাজার গ্রামের মো: মাসুক মিয়ার ছেলে মো.শাহীন (২৬) ও সিদ্ধিরগঞ্জের রসুলবাগ এলাকার মো: আজিজুল হাকিম ভূঁইয়ার ছেলে মো: নাজমুস সাকিব ওরফে অনিক (১৫)।
এ বিষয়ে ৬ জানুয়ারী সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘ক’ সার্কেলর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী গনমাধ্যম কর্মীদের জানান, গ্রেফতারকৃতরা পেশাদার ছিনতাই চক্রের সদস্য। এরা বিভিন্ন সময় মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই করে থাকে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকান্ডের কথা স্বীকার করেছে। ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর রবিবার ভোর রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাইনাদী নতুন মহল্লা এলাকার কুয়েত প্লাজার সামনে পতিতা নিয়ে ফুর্তি করতে গিয়ে নিজ বন্ধুদের ছুরিকাঘাতে খুন হয় বরিশাল জেলার বানারীপাড়া থানার তেঁতলা গ্রামের কাকরাইল বাইনের ছেলে কাঠ মিস্ত্রি কালু বাইন (২৩)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ ওই দিন ভোরেই তারই দুই বন্ধু একই এলাকার দেবেন বাইনের ছেলে সবুজ বাইন (২৫) ও মতিউর রহমানের ছেলে স্বপন (২৭) কে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ভাই গোবিন্দ গাইন বাদী হয়ে ওই দিন বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত কালু বাইন ঘটনার তিন দিন আগে সানারপাড় এলাকায় তার বড় ভাইয়ের বাসায় কাজের উদ্দেশ্যে এসেছিল। রবিবার ভোররাতে গ্রেফতার দুই বন্ধুর সাথে কুয়েত প্লাজার সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢালে ভাসমান পতিতার সাথে ফুর্তি করতে যায়। এসময় নিজেদের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে গ্রেফতাররা কালু বাইনকে ছুরিকাঘাত করে। পরে তারা গুরুতর আহতবস্থায় কালু বাইনকে ফেলে পালিয়ে যাওয়ার সময় দুই মোটরসাইকেল আরোহী তাদেরকে আটক করে। এ সময় টহল পুলিশ এসে স্বপন ও সবুজকে গ্রেফতার করে। পরে গুরুতর আহতবস্থায় কালু বাইনকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ২০১৮ সালের ১৬ ফেব্রæয়ারী শুক্রবার দিবাগত রাত ১টায় সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ের ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের সামনে ভাসমান পতিতাকে বাঁচাতে গিয়ে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে খুন হয় লক্ষীপুর জেলার রামগতি থানার মুন্সীবাড়ি ৪নং ওয়ার্ডের শিক্ষা গ্রাম এলাকার মো: মিজানুর রহমানের ছেলে এবং সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি তেঁরা মার্কেট এলাকার শামীমের বাড়ির ভাড়াটিয়া সিএনজি চালক আজমেরী ওরফে আরিফ হোসেন (২৫)।
এ ঘটনায় ২০ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার নিহত আরিফের মা মোসা: নিরুতাজ বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলা নং-৩৬, ধারা: ৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩০২/৩৪ দ:বি:। ২৩ ফেব্রæয়ারী শুক্রবার দিবাগত রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাসেল আহমেদ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত মানিক ওরফে মেন্টাল মানিক (২৫) কে বরিশাল জেলার কাজীরহাট থানার পূর্ব রতনপুর এলাকা থেকে এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকা থেকে আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো: আল আমিন (২৩)ও এনামুল শিকদারের ছেলে মো: রাব্বী (২৪) কে গ্রেফতার করা হয়। এসময় খুনির কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি চাকু উদ্ধার করা হয়।
২৪ ফেব্রুয়ারী শনিবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় সংবাদ সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) মো: শরফুদ্দিন আহমেদ গনমাধ্যম কর্মীদেরকে জানায়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ের হাজী আহসান উল্লাহ সুপার মার্কেটের পশ্চিম পাশে কলাপট্টিতে ভাসমান পতিতা সোনালীকে অজ্ঞাত তিনজন যুবক বিনা টাকায় অনৈতিক কাজ করিতে চাহিলে সোনালী অস্বীকৃতি জানায় এবং উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। উভয়ই কথা কাটাকাটি করতে করতে ডাচ্ বাংলা ব্যাংক সংলগ্ন আল মদিনা হোটেলের সামনে আসে। তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি দেখিয়া আজমেরী ওরফে আরিফ ঝগড়া না করার জন্য নিষেধ ও প্রতিবাদ করে। তখন অজ্ঞাতনামা তিন যুবক তার উপর ক্ষুব্ধ হয়।
একপর্যায়ে আজমেরী ওরফে আরিফ তাদের মধ্যে একজনের শার্টের কলার চাপিয়া ধরিলে এর জের হিসেবে রাত আনুমানিক ১টার দিকে তারা ধারালো ছোরা দিয়ে আরিফের পেটে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। এতে তার ভুরি বাহির হইয়া যায়। তখন পাশে থাকা পতিতা রিনা বেগম (৩৫) আগাইয়া আসিলে তাহাকেও তারা ধারালো ছোরা দিয়ে আঘাত করিলে তার ভুরি বাহির হইয়া যায় এবং ভাসমান পতিতা সোনালিকেও মারধর করে তারা পালাইয়া যায়। তাৎক্ষনিক ভাবে স্থানীয় লোকজন তাদের ৩ জনকে সিএনজি যোগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ ফেব্রæয়ারী শনিবার দুপুর সোয়া ৩টায় আরিফ মারা যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা হত্যাকান্ডটি ঘটাইয়াছে মর্মে স্বীকার করে।
এ ব্যাপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, ‘মহাসড়কে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমরা নানামূখী প্রদক্ষেপ গ্রহণ করে কাজ করছি। গত মাসে ডাকাতির ঘটনায় খুন ও মালামাল লুটের ঘটনাটি আমরা উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি এবং মালামাল উদ্ধারসহ ডাকাতির সাথে সম্পৃক্ত একজনকে গ্রেফতার করেছি। এছাড়া রাতের বেলায় রাস্তা-ঘাটে মানুষজন জড়ো হতে দেখলে তাদেরকে সরিয়ে দিচ্ছি। তিনি আরো বলেন, মহাসড়কে ৩ কিলোমিটার ৩ টহল টিমের পাশাপাশি হোন্ডা টিম নিয়োজিত করেছি। তারা রাতের বেলায় সড়ক-মহাসড়কে টহল দিচ্ছে। আমরা যেকোন অপরাধ প্রতিরোধে সোচ্চার রয়েছি। যদি কোন অপরাধ কর্মকান্ড আমাদের নজরে আসে তাহলে আমরা সাথে ব্যবস্থা নিয়ে থাকি।’


