Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

রূপগঞ্জে সেজান জুস কারখানার আগুনে ৫২ জন নিহত

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২১, ০৪:২৩ পিএম

রূপগঞ্জে সেজান জুস কারখানার আগুনে ৫২ জন নিহত
Swapno

রূপগঞ্জে সেজান জুস ফ্যাক্টরিতে অগ্নিকান্ডের পর ৪৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এরআগে, আগুনে তিন জনের নিহতের তথ্য জানানো হয়। দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়েও আগুন পুরোপরি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। শুক্রবার (৯ জুলাই) দুপুর সোয়া একটা পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে কয়েকটি ফ্লোরের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর কারখানার অভ্যন্তর থেকে লাশগুলো বের করে আনেন উদ্ধারকর্মীরা।

  জেলা ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আব্দুল আল আরিফিন লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ফায়ার সার্ভিসের  গাড়িতে ৪৯ জনের লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে জানান তিনি। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ জানিয়েছে উদ্ধার হওয়া লাশ ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হবে।  এদিকে কারখানায় আগুনের ঘটনায় প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন। এর মধ্যে ৩৩ জনের নাম-পরিচয় পেয়েছে স্থানীয় প্রশাসন প্রতিষ্ঠানটির এডমিন ইনচার্জ সালাউদ্দিন মিয়া জানান, অগ্নিকান্ডের সময় সেকশনের পাঁচটি ফ্লোরে প্রায় চারশ' শ্রমিক ওভারটাইম করছিলেন।

এরআগে, আগুনে তিন জনের নিহতের তথ্য জানানো হয়। এরা হলেন-স্বপ্না রানী (৪৪) ও মিনা আক্তার (৪৩) মোরসালিন (২৪)। নিহত স্বপ্না হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার গুলডুবা এলাকার যতীন সরকারের স্ত্রী ও নিহত মীনা কিশোরগঞ্জের কমিরগঞ্জ উপজেলার উত্তরকান্দা কুকিমাদল গ্রামের হারুনের স্ত্রী। তারা উভয়ই কারখানার ওডি সেকশনের শ্রমিক বলে নিশ্চিত বরেন সেখানকার অপারেটর আজিজ মিয়া।  এছাড়া আগুনে আহত হয়েছেন আরও প্রায় অর্ধশত শ্রমিক। তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। 
    
 

বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে কারখানায় অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিট দীর্ঘ প্রায় ২০ ঘণ্টার চেষ্টায় শুক্রবার দুপুরের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকান্ডের পর থেকেই নিখোঁজ শ্রমিকদের জন্য স্বজনরা ফ্যাক্টরির সামনে অপেক্ষা করছিলেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘ সময় লাগায় স্থানীয়রা কারখানায় হামলাও চালায়। এসময় সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আহত হন। আনসার সদস্যদের তিনটি শটগানও  খোয়া যায়। পরে দুটি শটগান উদ্ধার হয়।

 এদিকে আগুনের ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম বেপারীকে আহবায়ক করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন রূপগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক, পুলিশের একজন প্রতিনিধি এবং কলকারখানা অধিদফতরের একজন প্রতিনিধি।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন