Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

আট নেতার চোখে ফতুল্লার উন্নয়ন দেখেন শামীম ওসমান

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২১, ০৫:৪৭ পিএম

আট নেতার চোখে ফতুল্লার উন্নয়ন দেখেন শামীম ওসমান
Swapno

# তিনি নিজে কিছুই তদারকি করেন না


# ফতুল্লার কোথাও গভীর কোনো আরসিসি ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা


নিজের নির্বাচনী এলাকা ফতুল্লার কোথায় কি সমস্যা আছে সেটা নিজে গিয়ে কখনোই দেখেন না সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। কোথায় কি সমস্যা আছে, বা কি উন্নয়ন হচ্ছে এসব কখনোই সরেজমিন পরিদর্শন করেন না শামীম ওসমান এমপি। তিন উন্নয়নের ব্যাপারে নির্ভর করেন ফতুল্লার পাঁচজন চেয়ারম্যান এবং শহরের তিন জন নেতার উপর। তারা যা বলেন তাই শোনেন এবং তাদের কথায়ই ডিও লেটার লিখেন। উন্নয়ন তদারকির দায়িত্বও থাকে তাদের উপর।

 

এরা হলেন ফতুল্লা থানার পাঁচ ইউনিয়নের পাঁচ চেয়ারম্যান। সাইফ উল্লাহ বাদল, শওকত আলী, আসাদুজ্জামান, লুৎফর রহমান স্বপন এবং মনিরুল আলম সেন্টু। আর তিন নেতা হলেন শাহ নিজাম, শাহাদাৎ হোসেন সাজনু এবং এহসানুল হাসান নিপু। মূলত এই আটজনের মাধ্যমেই ফতুল্লা থানা এলাকার উন্নয়ন করে চলেছেন শামীম ওসমান এমপি। এতে যা হচ্ছে তা হলো এই নেতারা এলজিআরডি আর উপজেলার ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে ইচ্ছে মতো কাজ করছেন।

 

তাই কাজটা কেমন হলো? সমস্যার কি সমাধান হলো? সুপরিকল্পিত মাস্টার প্ল্যান করে কাজ হলো কিনা তার কিছুই জানেন না শামীম ওসমান এমপি। অথচ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র নিজের চোখে না দেখে বা ভালো মতো না বুঝে কোনো কাজই করেন না। তার রয়েছে নিজস্ব ইঞ্জিনিয়ার এবং কাউন্সিলরগণ। তাদের মাধ্যমে প্রতিটি কাজের খোঁজ খবর রাখেন মেয়র।

 

এছাড়া নিজে সরেজমিন গিয়ে কিভাবে কাজটি মজবুত ও সুন্দর ভাবে করা যায় সেই পরিকল্পনা করেন। তারপর তিনি কাজ করেন। আর এই কারনেই ফতুল্লার তুলনায় সিদ্ধিরগঞ্জও উন্নয়নে এগিয়ে গেছে। শামীম ওসমান যদি নিজে উন্নয়ন কাজের তদারকি না করেন তাহলে আগামী দিনেও ফতুল্লায় ভালো কোনো উন্নয়ন হবে না।

 

এদিকে ফতুল্লা থানা এলাকার কোথাও কোনো আরসিসি ড্রেন নেই। এক কথায় সরকারীভাবে পরিকল্পিত কোনো ড্রেনেজ ব্যাবস্থাই গড়ে তোলা হয়নি ফতুল্লার ইউনিয়নগুলিতে। রাস্তার পাশে ইট দিয়ে এক ফুট বা দেড় ফুট ড্রেন নির্মান করা হচ্ছে। আবার অনেক রাস্তার পাশে কোনো ড্রেনই নির্মান করা হচ্ছে না। যার ফলে গোটা বর্ষাকাল জুড়ে ফতুল্লা থানা এলাকা ডুবে থাকে পানির নিচে।

 

অথচ প্রত্যেকটি রাস্তার পাশে অন্তত চার ফুট থেকে পাঁচ ফুট প্রশস্ত এবং ছয় ফুট গভির আরসিসি ড্রেন থাকা খুবই জরুরী। কিন্তু শামীম ওসমান হয়তো এ বিষয়টি জানেনই না। যার ফলে অপরিকল্পিত উন্নয়নে পর্যবশিত হয়েছে ফতুল্লা থানা এলাকা। এছাড়া যে আট নেতার চোখে তিনি ফতুল্লার উন্নয়ন দেখাশুনা করেন তারাও শামীম ওসমানকে এই ধরণের কোনো পরামর্শ দিয়েছেন কিনা সেটা জানা যায় নি।

 

তাই এখনো সময় আছে ফতুল্লার প্রত্যেকটি ইউনিয়নে রাস্তার পাশে পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যাবস্থা গড়ে তুলতে হবে। অন্যথায় আগামী বর্ষায়ও এই থানায় নতুন করে জলাবদ্ধতা হবে বলেই অত্র এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করেন। আর সেই ক্ষেত্রে মিডিয়ায়ও সমালোচনা হবে। মিডিয়ার দোষ দিয়ে কোনো লাভ হবে না। 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন