# ফতুল্লা থানা ‘আওয়ামী বিএনপি’ দেখতে চায় না নেতাকর্মীরা
আওয়ামী লীগের অনুগত হিসাবে পরিচিত বিএনপি নেতা এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাসকে নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তার মাঝে পরে গেছেন এড. তৈমুর আলম খন্দকার। অভিযোগ রয়েছে শিল্পপতি শাহআলমের টাকায় এবং নারায়ণগঞ্জর দুইজন এমপির তদবিরে আজাদ বিশ্বাসকেই ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি করতে চান তৈমুর আলম খন্দকার। কিন্তু এই খবর জানাজানি হলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয় চারিদিকে।
নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী লোকাল দৈনিক সংবাদপত্রগুলি একের পর এক রিপোর্ট প্রকাশ করতে থাকে। বিএনপির ভেতরেও শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিএনপির তৃনমূল পর্যায়ের বহু নেতা কর্মী ঘোষনা দিন তারা আর যাই হোক আজাদ বিশ্বাসকে মেনে নেবেন না। ফেসবুকে অনেকেই তাকে আওয়ামী লীগের দালাল হিসাবে চিহ্নিত করে স্ট্যাটাস দেন। ফলে এভাবে চারিদিকে সমালোচনার মুখে আজাদকে নিয়ে নতুন করে ভাবছেন তৈমুর।
অপরদিকে এই অথর্ব আজাদ বিশ্বাসকে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারকে শিল্পপতি শাহআলম টাকা দিয়ে ভায়েস্ট করার চেষ্ঠা করছেন বলে পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশ হলে শাহআলম বিব্রত হন বলে জানা গেছে। কারন বিএনপিকে যারা ভালো বাসেন তারা শাহআলমের লোক হওয়া সত্বেও আজাদ বিশ্বাসকে পছন্দ করেন না। তারা মনে করেন ফতুল্লা থানা বিএনপিকে এমনিতেই আজাদ বিশ্বাস আওয়ামী লীগের একটি অঙ্গ সংগঠনে পরিণত করেছেন। তাই আবারও আজাদকেই সভাপতি করা হলে ফতুল্লা থানা বিএনপি হবে ফতুল্লা থানা আওয়ামী বিএনপি।
এদিকে কেনো আজাদ বিশ্বাসকে বিএনপির নেতাকর্মীরা এভাবে বয়কট করছেন? এ ব্যাপারে বিএনপির নেতাকর্মীদের পরিস্কার বক্তব্য হলো গত ১৪ বছর ধরে বিএনপির নেতাকর্মীরা যখন সীমাহীন নির্যাতন নীপিড়নের শিকার হয়ে এসেছেন তারা দেখেছেন এই আজাদ কিভাবে আওয়ামী লীগের দালালী করেছে। তারা দেখেছে কিভাবে সে সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান এবং সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমানের দালালী করেছেন। টানা ১৪ বছর ধরে তিনি এই আতাতের মাধ্যমে সরকারী সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন এবং আরাম আয়েশ করছেন। আর বিনিময়ে তিনি চরমভাবে বিএনপির স্বার্থ বিকিয়ে দিয়েছেন। তাই এমন একজন ব্যাক্তিকে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি করতে চাওয়ার বিষয়টি এক ধরনের ঔদ্ধত্ব আচরণ ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মনে করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।


