# স্টেশনগুলোতে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে ১৪ জন পুলিশ
# মাদকব্যবসাকে কেন্দ্র করে রেলস্টেশন সংলগ্ন হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে
নারায়ণগঞ্জ থেকে গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন পর্যন্ত রেল পথের দায়িত্ব পালন করে শহরের ১ নম্বর রেল গেট এলাকায় অবস্থিত রেলওয়ের নারায়ণগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। তবে এ ফাঁড়িতে দায়িত্বে থাকা সদস্যদের নারায়ণগঞ্জ স্টেশন ছাড়া অন্য রেল স্টেশনগুলোতে তাদের তেমন একটা দেখা যায় না। আর সেখানেও তাদের দায়িত্ব নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন অজুহাতে কাউকে ধরার পর সুবিধা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। তবে রেল পথের পুলিশের দাবি ঘটনা সত্য নয়। ১৬ কিলোমিটারের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেলপথে প্রতিদিন ১৬ জোড়া ট্রেন চলাচল করে। স্বল্প খরচে হাজারো যাত্রির যাত্রা পথ এই রেলপথ। তবে এ পথে তেমন একটা নিরাপত্তা নেই জেনেও নিজ দায়িত্বে চলাচল করেন যাত্রিরা। স্টেশনগুলোতে ছিনতাইকারী, মাদকাসক্তসহ নানা অপরাধীদের আড্ডা থাকে প্রকাশ্যে। মাদক সেবনও চলে চাষাড়া থেকে নারায়ণগঞ্জ রেল স্টেশনের মাত্র ২ কিলোমিটারে মধ্যে একাধিক জায়গায়। এসব বিষয়ে যেমনি সাধারণ মানুষ দেখে তেমনি দেখার কথা জিআরপি পুলিশের সদস্যদের। তবে তাদের এ বিষয়ে তেমন একটা ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়না। বরং তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ সাধারণ মানুষ, ট্রেনের যাত্রী ও শিক্ষার্থীদের।
একাধিক ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রাতে স্টেশন এলাকায় ঘুরাফেরা করে একটি চক্র। সেই চক্রের সদস্যরা যাত্রীদের নানা ভাবে হয়রানি করে। নানা প্রকার ছলে শিক্ষার্থী, ট্রেনের যাত্রী ও সাধারণ মানুষকে নানা ঘটনায় নিয়ে যাওয়া হয় জি আরপি পুলিশের ফাঁড়িতে। এরপর সুবিধা নিয়ে করা হয় মিমাংসা। এদিকে নানা ঘটনায় অনেকে মাদক, নারীসহ আটকেরপর তাদের ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। তাছাড়া মাদককারবারী, ছিনতাইকারী সহ নানা অপরাধীরা স্টেশন এলাকায় অবস্থান করলেও তাদের তেমন এটকা ধরতে বা ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়না রেল পথের পুলিশকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রেলওয়ের নারায়ণগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মোকলেছুর রহমান জানান, বর্তমানে ১৪ জন পুলিশ স্টেশন গুলোতে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে। তবে তারা বেশিরভাগ নারায়ণগঞ্জ ও চাষাঢ়া স্টেশন এলাকা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এ তারা বছর অনেকেই নানা অপকর্মের পর আটক করে মামলা দিয়েছেন। তিনি জানান, কাউকে হয়রানি করার ঘটনা আমার জানা নেই। আর এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য জিআরপি সদস্যদের প্রতি আরও নজর দেয়া হবে।
উল্লেখ্য, চাষাঢ়া রেল স্টেশনে প্রকাশ্যে দীর্ঘদিন মাদক বিক্রি হলেও সেখানে কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি জিআরপি পুলিশকে। সব শেষ মাদক নিয়ে সেখানে হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।


