Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

অভিযান করেও দখলমুক্ত করতে পারে না বিআইডব্লিউটিএ

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৩৫ পিএম

অভিযান করেও দখলমুক্ত করতে পারে না বিআইডব্লিউটিএ
Swapno

শীতলক্ষ্যা, বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদীতে প্রায় উচ্ছেদ অভিযান করে বিআইডব্লিউটিএ। অভিযানে এ সংস্থার বিভিন্ন কর্মকর্তারাও উপস্থিত থাকেন। তাদের অভিযানে বলা হয়, নদী দখল মুক্ত করছেন তারা। তবে তাদের অভিযানে নদীর দখল মুক্ত করা গেলে বছর জুড়ে অভিযান করতে হতো না। এমন প্রশ্ন উঠেছে। তাছাড়া সব নদীতেও অভিযান নেই বিআইডব্লিউটিএর।  

 

গত বৃহস্পতিবারও শীতলক্ষ্যা নদী উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে বিআইডব্লিটিএ। রূপগঞ্জ উপজেলার বেলদী বাজারের অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দেন তারা। এমন অভিযান প্রায় করে এ সংস্থাটি। এমনও হয়েছে একই এলাকায় প্রতি বছর তারা অভিযান করেন। তবু নদী স্থানীয়ভাবে দখল মুক্ত করতে পারেনি।

 

সূত্র বলছে, বুড়িগঙ্গা নদীতে অন্তত কয়েকশত অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। সেখানে গত কয়েক বছরে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে অনেকবার। একই অবস্থা ধলেশ্বরী নদীতেও। তবে শীতলক্ষ্যায় অন্যসব নদীর চেয়ে বেশি অভিযান হলেও পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি বিআইডব্লিটিএ। বরং দিন মাফিক উচ্ছেদ অভিযানের প্রচার প্রচারণা বেশি থাকে।

 

সূত্র আরও বলছে, এই তিন নদীতে উচ্ছেদ অভিযান হলেও ব্রহ্মপুত্র নদীতে তেমন দেখা যায় না সংশ্লিষ্টদের। এতে করে নদীর দক্ষিণ অঞ্চলের অধিকাংশস্থান বিভিন্ন ব্যক্তির দখলে চলে গেছে। এমন কি নদী মাঝপথেও স্থাপনা তৈরি করেছে প্রভাবশালীরা। ওই সব এলাকার মানুষও হতবাক বিআইডব্লিউটিএর উচ্ছেদ অভিযান না পেয়ে। কারণ ইতিমধ্যে নদীর মাঝপথে ও দুই পাশে বিভিন্ন ভবন গড়ে তোলা হয়েছে। স্থানীয় প্রভাশালীরা ও রাজনৈতিক নেতার স্থাপনার মালিক বলে জানা গেছে।  

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মাসুদ কামাল যুগের চিন্তাকে বলেন, বুড়িগঙ্গা নদী ছাড়া বাকি নদীগুলো আমাদের নারায়ণগঞ্জ অফিসের নিয়ন্ত্রণে। আমরা মূলত আমরা শীতলক্ষ্যা নদীতে বেশি অভিযান করে থাকি। নদী দখল মুক্ত করতে আমাদের চেষ্টা থাকে সব সময়। বছর জুড়ে অভিযান চালান কিন্তু নদীতো দখল মুক্ত হয় না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবার আমরা বাধ তৈরি করবো। গাছ লাগাবো যাতে করে আর নদী দখল করতে না পারে। ব্রহ্মপুত্র নদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে ব্রহ্মপুত্র নদীতেও অভিযান করা হবে।  
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন