Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

শীতের আগমনে লেপ তৈরীতে ব্যস্ত শহরের কারিগররা

Icon

যুগের চিন্তা রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:০৯ পিএম

শীতের আগমনে লেপ তৈরীতে ব্যস্ত শহরের কারিগররা
Swapno

গত এক সপ্তাহ ধরে ভোর সকালের হালকা কুয়াশা একটু একটু করে শীতের আগাম বার্তা জানান দিচ্ছে। তাই এতে বেশ ভালই শীত অনুভূত হচ্ছে। যেন হালকা কাঁথা দিয়ে আর শরীর থেকে শীত তাড়ানো যাচ্ছেনা। অনেকেরই শরীর থেকে শীত নিবারণের জন্য প্রয়োজন হচ্ছে ভারি কিছুর, বিশেষ করে বৃদ্ধ এবং শিশুদের।

 

তাই নারায়ণগঞ্জ শহরের লেপ তোষকের দোকানে বেড়েছে কাজের ব্যস্ততা। দেখা গেছে, কেউ বাক্সবন্দি পুরোনো লেপ বের করে দোকানে নিয়ে আসছেন ঠিক-ঠাক করার জন্য, আবার অনেকেই প্রচন্ড ঠান্ডা থেকে বাঁচতে নতুন লেপ তৈরীর জন্য ভিড় করছে বেডিং’র দোকানগুলোতে।


সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নারায়ণগঞ্জ শহরের বেশ কয়েকটি পুরনো লেপ তোষক তৈরীর  দোকানে কারিগররা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। সাধারণত বছর জুড়ে তাঁরা দৈনিক ৫ ঘন্টা কাজ করলেও শীতের দুই থেকে আড়াই মাস কাজ করবেন ৮ থেকে ১০ ঘন্টা। কারিগররা জানান, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পাড়ায় মহল্লায় ঘুরে ঘুরে; এবং দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত দোকানের অর্ডারের কাজ করছেন তাঁরা।


নগরীর চারারগোপ খালের পশ্চিম পাশে অবস্থিত মাইজ ভান্ডারী বেডিং নামে একটি লেপ তোষক তৈরীর দোকান। এই দোকানের কারিগর ইসমাইল হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা শীতের দুই মাস অনেক কাজ পাই যেটা অন্যান্য সময় পাওয়া যায়না। এখন প্রতিদিন ঠিক মতো কাজ করলে দেখা যায়, একেক-জন কারিগর ৩ থেকে ৪ টি লেপ তৈরী করতে পারি। এতে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা মজুরি দেয় মালিক’।


তিনি আরো বলেন, ‘শীতের মাস ছাড়া এতো অর্ডার পাওয়া যায়না ঐ দেখা যায় যে, কোথাও কেউ দেশের বাইরে গেলে লেপ, তোষক ও বালিশ তৈরী করতে আসে, তখন মাঝেমধ্যে দুই একটা কাজ পাওয়া যায়’।


শহরের কালীর বাজারের শায়েস্তা খান রোডে অবস্থিত এস কে বেডিং নামে অন্য একটি লেপ তোষকের দোকানের মালিক আজিজ মিয়া। তিনি বলেন, ‘আমার দোকানে শীতের মাসকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই প্রতিদিনই প্রায় ৫ থেকে ১০ টি লেপের অর্ডার আসছে। এছাড়া দেখা যায় এই শীতে বিয়ে শাদি বেশি হয় তাই সামনে অর্ডার আরো বাড়বে। সব মিলিয়ে আমার এবং আমার কারিগরদের এখন ভালই উপার্জন হচ্ছে’।


অন্যদিকে, লেপ তোষকের দোকান মালিক ও ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ছোট, বড় এবং মাঝারি আঁকারের এক একটি লেপ তৈরী করতে নেয়া হচ্ছে, ১৫’শ থেকে ৩ হাজার টাকা। তবে শিমুল তুলায় লেপ তৈরী করলে খরচ একটু বাড়াতে হয় ক্রেতাদের। আর শীত আসলে লেপ তৈরী বেড়ে যাওয়ার ফলে প্রায় সব ধরনের তুলার দামই বৃদ্ধি পায়।


কালীর বাজারের চারারগোপ এলকায় লেপ কিনতে এসে তাহমিনা বেগম নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘আমি সকালে এসে একটি বড় লেপের অর্ডার দিয়েছি, দাম ধরা হয়েছে ২ হাজার ৮’শ টাকা। বিক্রতা জানিয়েছে, তুলার দাম কমলে এই লেপ আরো কম দামে নেওয়া যেতো।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন