Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন, দিশেহারা ক্রেতা

Icon

মেহেদী হাসান

প্রকাশ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৬:১৮ পিএম

নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন, দিশেহারা ক্রেতা
Swapno

দিন যত যাচ্ছে তেলের দাম ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে, প্রতি দিনই লিটারে ২ টাকা করে বাড়ছে তেলের দাম। তেলের পাশা-পাশি বাজারে বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। সপ্তাহের ব্যবধারে কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। এছাড়াও দাম বেড়ে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে স্থির রয়েছে সবজির দাম। ক্রেতারা জানান, সামনে রমজান মাস আসছে এখন থেকে বাজার মনিটরিং না করলে রমজান মাসে নিত্যপণের দাম আরও বাড়তে পারে।

 

গতকাল নারায়ণগঞ্জের পাইকারী দিগুবাবু বাজার ঘুরে দেখা যায়, পেঁয়াজের দাম গত সপ্তাহ থেকে এই সপ্তাহে কেজিতে ৫টাকা করে বেড়েছে। গত সপ্তাহে পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও এই সপ্তাহে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা কেজি দরে। দেশি আদা বিক্রি ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ও চায়না আদা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, রসুন দেশিটা ৪৫ টাকা কেজি ও চায়নাটা ১২০  টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

এছাড়াও দিন দিন লিটারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তেলের দাম। বাজারে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা লিটার ও পাইকারী বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৭৩ টাকা লিটার। বিভিন্ন কোম্পানীর বোতলের সয়াবিন তেলের দামও গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। তীর কোম্পানীর ৫ লিটারের সয়াবিন তেল বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৭৭৫ টাকা,  রূপচাঁদা ৫ লিটার ৭৮০ টাকা যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৭৭০টাকা, বসুন্ধরা ৫ লিটার ৭৬০ টাকা। খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭৬ টাকা কেজি , মসরির ডাল বড় সাইজের ৯০ টাকা ও ছোট সাইজের ১০৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


এছাড়াও বাজারে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সবজি দাম স্থির রয়েছে। আসলাম নামে একজন ক্রেতা জানান, “আমি এই বাজারে প্রতিদিনই বাজার করতে আসি কিন্তু গত ১৫ দিন ধরে বেশি দাম দিয়ে সবজি কিনছি, প্রতি দিনই দেখি ৪-৫ টাকা করে সবজির দাম বাড়ে, কিন্তু কমতে দেখিনা, কি আর করমু খেতে হলে বেশি দাম দিয়েই কিনতে হবে”।

 

এ দিকে সবজি বিক্রেতারা জানান, সবজির আমদানি কম, বিক্রিও কম তাই দাম একটু বেশি।  বাজারে ঘুরে দেখা যায়, এক পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে  ৩৫টাকা, পাতাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩৫টাকা পিস, শিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

 

নতুন আলু প্রতি কেজি ১৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে ও এক পাল্লা (৫ কেজি) ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো বিক্রি হচ্ছে  ৩০ থেকে ৪০টাকা কেজি। বেন্ডি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা, কালো বেগুন লম্বাটা ৬০ টাকা কেজি ও গোলটা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা পেঁপে ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে ও লেবু ছোট সাইজের ২০টাকা হালি ও বড় সাইজের ৪০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচ ৫০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


বাজারে ব্রয়লার মুরগী ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, কক মুরগী  গত সপ্তাহে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এই সপ্তাহে ২৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে , লাল লেয়ার মুরগী বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকা। তাছাড়াও গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকা কেজি, খাসির মাংস ৯০০ থেকে ৯২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে , বকরীর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

বাজার গুলোতে মাছের দামও চড়া, মাছ বিক্রেতারা জানান, নদীতে মাছ কম ধরা পারছে, তাই মাছের চাহিদা কম থাকার কারনে মাছের দাম বেশি। ইলিশ ছোট থেকে সাইজের বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি ও  মাঝারি থেকে বড় সাইজের ইলিশ ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে , রুই প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি  দরে বিক্রি হচ্ছে। কাতলা কেজি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি, পাঙ্গাশ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন