রমজান মাস আসার আগের বাড়তে শুরু করেছে নিত্যপণের দাম। বাজার গুলোতে তেল, পেঁয়াজ, মাছ, মাংসের দাম চড়া। গত এক মাসে ব্যবধারে সয়াবিন তেল লিটারে বেড়েছে ৩০ টাকা। এছাড়াও গত ২ দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০টাকা। বাজার গুলোতে পেঁয়াজ বিক্রেতারা জানান, পেঁয়াজের আমদানি কম, তাই দাম বেশি।
সামনে দাম আরও পেঁয়াজের দাম বাড়তে পারে। এদিকে বাজার করতে আসা সাইফুল নামে এক ক্রেতা জানান, দুই দিন আগে পেঁয়াজ কিনছি ৪৫ টাকা এখন এই পেঁয়াজ ৬৫ টাকা কেজি।
সামনে রমজান মাস আসছে এই ভাবে যদি নিত্যপণের দাম বাড়ে তাহলে আমরা খাবো কি করে। আমাদের ত আর বেতন বাড়ে নাই, বছর খানের আগে যেই টাকা বেতন ছিল এখন সেই টাকাই বেতন, কিন্তু দু’দিন পর পর পণের দাম বাড়ছে।
সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি প্রতি দিন যাতে বাজার মনিটরিং করে। গতকাল নারায়ণগঞ্জের পাইকারী দিগুবাবু বাজার ঘুরে দেখা যায়, পেঁয়াজের দাম গত সপ্তাহ থেকে এই সপ্তাহে কেজিতে ২০ টাকা করে বেড়েছে। গত সপ্তাহে পেঁয়াজ ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হলেও এই সপ্তাহে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৪ টাকা কেজি দরে।
দেশী পেঁয়াজ এক পাল্লা (৫ কেজি) বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা ও ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশী আদা বিক্রি ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ও চায়না আদা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, রসুন দেশিটা ৪০ টাকা কেজি ও চায়নাটা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়াও সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০টাকা, শিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০ টাকা। নতুন আলু প্রতি কেজি ১৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে ও এক পাল্লা (৫ কেজি) ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০টাকা কেজি।
কালো বেগুন লম্বাটা ৫০ টাকা কেজি ও গোলটা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা পেঁপে ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে ও লেবু ছোট সাইজের ২০টাকা হালি ও বড় সাইজের ৪০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচ ৬০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও বাজার গুলোতে এখন মুরগীর চাহিদা বেশি।
মুরগী বিক্রেতারা জানান, এখন বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠান গুলো বেশি হচ্ছে তাই মুরগীর চাহিদা বেশি। মুরগীর আমদানি কম থাকার কারনে বাজারে মুরগীর দাম একটু বেশি। বাজারে ব্রয়লার মুরগী ১৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, কক মুরগী ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে , লাল লেয়ার মুরগী বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
তাছাড়াও গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকা কেজি, খাসির মাংস ৯০০ থেকে ৯২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে , বকরীর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে দেখা যায়
ইলিশ ছোট সাইজের বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি ও মাঝারি থেকে বড় সাইজের ইলিশ ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে , রুই প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাতলা কেজি ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি, পাঙ্গাশ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


