Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

পারিবারিক কলহ নৈমিত্তিক বাড়ছে আত্মহত্যা

Icon

ফরিদ আহম্মেদ বাধন

প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২২, ০৫:৪৬ পিএম

পারিবারিক কলহ নৈমিত্তিক বাড়ছে আত্মহত্যা
Swapno

# উদ্বেগ বাড়ছে জনমনে, সামান্য কারণেই ঘটছে প্রাণহানি
# সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় না হওয়ায় এমন ঘটনা

 

বাবা মায়ের অনেক আদরের মেয়ে ছিলো রুমকি (ছদ্মনাম)। দুই ভাই ইটালী প্রবাসী। বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে ছিলো সে। লেখা পড়াও সে খুব ব্রিলিয়ান্ট ছিলো। ঢাকার একটি বিশ্ব বিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে লেখা পড়া করছিলেন রুমকি। আর মাত্র কয়েকটি সেমিষ্টার পরীক্ষার পরই রুমকি বিদেশের মাটিতে আইন বিষয়ে লেখা পড়া করতে যাবেন। কিন্তু না।

 

তার আর বিদেশের লেখা পড়া করতে যেতে হলো না। নিরিবিলি থাকতে পছন্দ করা রুমকি তার রুমে আত্মহত্যা করে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। তার এই মৃত্যু তাঁর পরিবারের সাথে সাথে মেনে নিতে পারেনি নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জের তেতলাবোবাসী। কি কারনে রুমকির মৃত্যু হয়েছে তা কেউ জানতে পারেনি আজো। ঘটনাটি গতবছরের। কারো সাথে  রুমকির কোনো ভালোবাসার সম্পর্ক ছিলো  কিনা এ বিষয়টিও ছিলো সবার অজানা।

 

মৃত্যুর কয়েক ঘন্টা আগেও রুমকি তার মায়ের সাথে কথা বলে দুটি ডিম সিদ্ধ করে খেয়ে নিজের রুমে গিয়েছিলো  সকাল ১১ টার দিকে। দুপুর ১ টার অনেক ডাকাডাকি করার পরও যখন দরজা খুলছিলো না, তখনই তার দরজা ভেঙ্গে পরিবারের লোকজন দেখতে পায় তার  দেহটি ফ্যানের সাথে ঝুলে আছে। সাম্প্রতিক সময়ে বেড়েছে আত্মহত্যার প্রবণতা।

 

কিশোর থেকে শুরু করে মধ্য বয়সীদের মধ্যে আত্মহত্যার সংখ্যাও বেড়ে গেছে। যোগ হয়েছে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে আত্মহত্যা করার সংখ্যাও। বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রী ও কিশোরদের মধ্যে প্রেমে বাধা অথবা বিচ্ছেদের কারনে অথবা বাবা মায়ের সাথে অভিমান করেও আত্মহত্যা করছে অনেকে। অপরদিকে সাম্প্রতিক সময়ে পরকীয়ার কারনেও বাড়ছে এ অপমৃত্যুর সংখ্যা।

 

পরিসংখ্যান বলছে, ৫৬ টি দেশের মধ্যে বেশিরভাগ দেশেগলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার পদ্ধতিটি সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি ছিল,যার মধ্যে ৫৩% পুরুষ এবং ৩৯% মহিলা আত্মঘাতী ছিল। হতাশার কারনেও মানুষ এখন দিন দিন আত্মহত্যাকে বেছে নিচ্ছে। এই পদ্ধতির ব্যবহার ইউরোপের ৪% থেকে প্যাসিফিক অঞ্চলের ৫০% এর চেয়ে আলাদাভাবে পরিবর্তিত হয়।

 

চাষাবাদের কাজের মধ্যে সহজলভ্যতার কারণে এটি ল্যাটিন আমেরিকায়ও প্রচলিত। অনেক দেশে নারীদের মধ্যে প্রায় ৬০% এবং ৩০% পুরুষের মধ্যে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহারের মাধ্যমে আত্মহত্যা করে থাকে।

 

অনেকের মধ্যে অপরিকল্পিত এবং দ্বিধাদ্বন্দ্বের সময়কালে ঘটে থাকে। মৃত্যুর হার পদ্ধতি অনুসারে পরিবর্তিত হয়: আগ্নেয়াস্ত্র ৮০-৯০%, পানিতে ডুবে ৬৫-৮০%, ৬০-৮৫% গলায় ফাঁস দিয়ে, ৪০- ৬০% গাড়ি দুর্ঘটনা, ৩৫-৬০% লাফিয়ে , ৪০-৫০% পুড়িয়ে, কীটনাশক পান করে ৬-৭৫% ও ওষুধের মাত্রা বাড়িয়ে ১.৫-৪%।

 

আত্মহত্যার সর্বাধিক প্রচলিত পদ্ধতি বেশিরভাগ সফল পদ্ধতির থেকে ভিন্ন; ৮৫% পর্যন্ত প্রচেষ্টাগুলি উন্নত বিশ্বে ড্রাগ ওভারডোজের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। অপরদিকে বর্তমানে লাইভে এসেও মানুষ আত্মহত্যার কারন বর্ণনা করে আত্মহত্যার দিকে ধাবিত হচ্ছে।  যে হারে আত্মহত্যা বাড়ছে এতে করে  উদ্বেগ বাড়ছে জনমনে ।

 

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানা এলাকায় তুচ্ছ ঘটনা, পারিবারিক কলহ, প্রেমে বাধা এমনকি হতাশাগ্রস্থ হয়ে মানুষ পারিবারিক সকল বাধা ছিন্ন করে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। তবে আত্মহত্যার বিষয়ে প্রতিটি ধর্মেই কড়া কড়ি বিধি নিষেধ রয়েছে।


সাম্প্রতিক সময়ে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানা এলাকায়  আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়েছে। বেড়েছে মানুষের দ্বন্দ্ব। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পরকীয়ার কারনে আত্মহত্যার প্রবণতাও। সামান্য কারনেই মানুষ গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করছে। ডিপ্রেসন থেকে এ ধরনের ঘটনা মানুষ ঘটিয়ে থাকে বলে মনে করা হয়। তবে আত্মহত্যা কখনোই কোনো কিছুর সমাধান করতে পারেনি। বরং পুরো পরিবারকে হতাশায় মধ্যে ফেলে যায় একজন আত্মহত্যাকারী।

 

গত ২০২১ সালের  ৪ আগষ্ট  নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে রাফিয়া তুন নেছা নামের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরী আত্মহত্যা করে। সে গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের সাওঘাট এলাকায় বাবা মায়ের সাথে বসবাস করতো।

 

ঘটনার দিন রাতে তার মা-বাবার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছিলো। সে প্রতিদিনের মতো একইভাবে রাতে রুমের দরজা লাগিয়ে ঘুমাতে যায়। মঙ্গলবার ভোরে অনেক ডাকা-ডাকির পর দরজা না খোলায় দরজা ভেঙে দেখে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত ফাঁস দেওয়া অবস্থায় রয়েছে।


২০২১ সালের ২৩ জুলাই নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন জোসনা বেগম নামে এক গৃহবধু। উপজেলার তারাব পৌরসভার দক্ষিণ মাসাবো এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছিলো।

 

দক্ষিণ মাসাবো এলাকার মালয়েশিয়া প্রবাসী ইউছুফ মিয়ার স্ত্রী দুই সন্তানের জননী জোসনা বেগমের স্বামীর সাথে অভিমান করে গলায় ওড়না প্যাচিয়ে আত্মহত্যা করে।আত্মহত্যার আগে স্বামীর সাথে মোবাইলে তার ঝগড়া হয়েছিলো। ৬ বছর ও ৩ বছরের দুটি সন্তানের কথা চিন্তা না করে সে আত্মহত্যা করেছিলো।


২০২১ সালে  ১৭ অক্টোবর রূপগঞ্জে  স্বামীর সাথে ঘুরতে যেতে চেয়েছিলো জোসনা আক্তার স্বর্ণা। স্বামী ঘুরতে না নিয়ে যাওয়ায় স্বামীর সাথে অভিযান করে সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছিলো কার। ঘটনার দুই মাস আগে বরিশাল জেলার বিমানবন্দর উপজেলার রামপট্টি এলাকার সেন্টু প্রধানের ছেলে শাহিন প্রধানের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করেন জোসনা আক্তার স্বর্ণা।

 

বিয়ের পর থেকেই তারা রূপগঞ্জ উপজেলা গোলাকান্দাইল উত্তরপাড়া এলাকার ভাড়া থেকে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। ঘুরতে না নিয়ে যাওয়ায় স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে স্বর্ণা শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে গালায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।


১৪ সেপ্টেম্বর সকালে আড়াইহাজারে মাঝেরচর গ্রামে পারিবারিক কলহের জের ধরে লালুরকান্দী গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রহমানের ছেলে কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেন।  একই দিন রাতে মাঝেরচর গ্রামের মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে রাকিবুল ইসলামও (২০) পারিবারিক কলহের জেরে ঘরের আড়াঁর সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।


চলতি বছরের ২২ জানুয়ারী  প্রেমে ব্যর্থ হয়ে চাঁদপুর থেকে ফতুল্লায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে আত্মহত্যা করেছে আলামিন নামক এক যুবক। ফতুল্লার পশ্চিম দেওভোগস্থ কাদের মিয়ার ভাড়াটিয়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর থেকে ফতুল্লা থানার পশ্চিম দেওভোগস্থ কাদের মিয়ার ভাড়াটিয়া বাসায় বসবাসরত বোনের বাসায় বেড়াতে  এসেছিলো যুবক আলামিন। রাতে সে রুমের ভেতর ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে রশি পেচিয়ে আত্মহত্যা করে।
শুধুমাত্র ফেব্রুয়ারী  শুধু মাত্র  ফতুল্লায় ৩০ ঘন্টার ব্যবধানে ৪ জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

 

এদের মধ্যে নারী ও কিশোর ছিলো। শাসনগাঁও এলাকার তাজুল ইসলামের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে ফিরোজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ওই বাড়িতে একাই থাকতেন। তার স্ত্রী, বাবা-মাসহ সবাই টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে থাকেন। তিনি ভাসমান খাবার বিক্রেতা ছিলেন । শাসনগাঁও এলাকার হাসান মাতবরের বাসা থেকে গার্মেন্ট শ্রমিক আঞ্জুমানের (১৯) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

 

আঞ্জুমান পটুয়াখালীর দশমানিয়া থানার দশমানিয়া গ্রামের হারুন মুন্সির মেয়ে। একই দিন রাতে পুলিশ কাশিপুর বাংলাবাজার এলাকার লুৎফর রহমানের ভাড়া বাসা থেকে রাসেল ঢালী (৩৪) নামে এক রিকশাচালকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। রাসেল ঢালী বরিশালের উজিরপুর থানার উটরা গ্রামের মৃত কাদের ঢালীর ছেলে।

 

তিনি স্ত্রী, সন্তানসহ ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। অপরদিকে ভুইগড় গিরিধারা এলাকায় আলামীন টাওয়ারের অষ্টমতলা থেকে মেহেরাজ ইসলাম শাওন (১৭) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শাওন লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানার রায়পুর মধ্যবাজারের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। সে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর তালিম মিল্লাত মাদ্রাসার দাখিল বিভাগের আবাসিক ছাত্র ছিল। শাওনকে মোবাইলে গেমস খেলতে না দেওয়ায় সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।


গত ৬ মার্চ ফতুল্লার মাসদাইর বাজার এলাকায় তুষার আহম্মেদ (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জে। তুষারের সঙ্গে একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক হয়। ঘটনাটি বাবা-মাকে জানিয়েছিলো তুষার। বাবা-মা রাজি না হওয়ায় ৩-৪ দিন আগেও তুষার ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। তখন তাকে সুস্থ করে তোলা হয়। পরে রোববার ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে সে।


গত ২ ফেব্রুয়ারী ফতুল্লায় হাদিস খান (৪৬) নামে এক বেকার যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ব ফতুল্লার দক্ষিণ শিয়াচরের মিন্টু মিয়ার বাড়ি থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।


সূত্রমতে, চীনে কীটনাশক পান করা সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি। জাপানে স্বতঃস্ফূর্ততা যা সেপুকু (বা হারা-কিরী) নামে পরিচিত এখনও ঘটে; যাইহোক, গলায় ফাঁস দিয়ে এবং জাম্পিং সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি সেখানে। হংকং এবং সিঙ্গাপুরে জাম্পিং এর মাধ্যমে যথাক্রমে ৫০% এবং ৮০% আত্মহত্যা সম্পন্ন হয় । সুইজারল্যান্ডে অল্পবয়সী ছেলেদের মধ্যে আত্মহত্যার জন্য সর্বাধিক আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়, তবে এই পদ্ধতি তুলনামূলকভাবে হ্রাস পেয়েছে যখন বন্দুকগুলি ব্যবহারের উপর বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছিল ।

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আত্মহত্যার ৫৭% আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের সাথে জড়িত,এই পদ্ধতি মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে কিছুটা বেশি । পরবর্তী সবচেয়ে সাধারণ কারণ পুরুষের মধ্যে গলায় ফাঁস দিয়ে এবং নারীদের মধ্যে বিষ পান করা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৪০% আত্মহত্যা এই পদ্ধতিগুলির সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ।


আত্মহত্যা না করা প্রসঙ্গে ধর্ম :
 আত্মহত্যা না করার বিষয়ে প্রতিটি ধর্মেই কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আত্মহত্যা নিষিদ্ধ করে  পবিত্র কোরআনে আয়াত নাজিল হয়েছে, ‘(তোমরা তোমাদের জীবন, সময়, সম্পদ, মেধা, যোগ্যতা, সুযোগ ও সামর্থ্য) আল্লাহর পথে ব্যয় করো, ‘ তোমরা নিজেদের ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়ো না।’ আর উত্তম কর্ম ও দয়া করো; নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা সৎকর্মী ও দয়াশীলদের ভালোবাসেন। (সুরা: ২ বাকারা, আয়াত: ১৯৫)। আত্মহত্যার শাস্তির বিষয়ে হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, ‘ যে যেভাবে আত্মহত্যা করবে, তার শাস্তি অনন্তকাল সেভাবেই চলতে থাকবে।’ (মুসলিম ও তিরমিজি)।


আত্মহত্যার প্রসঙ্গে সনাতন ধর্মে ঈশ উপনিষদে আত্মহত্যার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। সাবধান করে বলা হয়েছে যে আত্মহত্যাকারী মৃত্যুর পর আনন্দহীন লোকে গমন করবে। ‘অসুর্য্যা নাম তে লোকা অন্ধেন তমসাবৃতাঃ তাংস্তে প্রেত্যাভিগচ্ছন্তি যে কে চাত্মহনো জনাঃ’। যার ভাবার্থ দাড়ায়: অসুরদের আবাসস্থল ঘন অন্ধকারে আবৃত লোক যেখানে সামান্য আলোও পৌছায় না এমন জায়গায় দেহ ত্যাগের পর সেইসব মানুষ প্রবেশ করবে যারা নিজেরাই নিজেদের হত্যা করেছে।
 

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন