ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চ মালিকের মামলা না নেওয়ার অভিযোগ
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২ মার্চ ২০২২, ০৫:২৬ পিএম
নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে পণ্যবাগী কার্গো জাহাজের ধাক্কায় যাত্রীবাহী লঞ্চডুবির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চের মালিকের মামলা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২১ মার্চ) দুপুর ১২টায় নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চঘাটে সংগঠনের কার্যালয়ে এই অভিযোগ তোলেন বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতি নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি বদিউজ্জামান বাদল।
তিনি জানান, ডুবে যাওয়া লঞ্চটির মালিক দীল মোহাম্মদ। সকালে তার ছেলে আল ইসলাম মামলা করতে যান বন্দর থানায়। থানা পুলিশ মামলাটি নেয়নি। মামলা নেওয়া হলো বিআইডব্লিউটিএ’র। তারা তো মামলা করার জন্য রেগুলার বডি না। নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডকে ডিঙিয়ে বিআইডব্লিউটিএ মামলা করে কার্গোর মালিকপক্ষকে বাঁচিয়ে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, শীতলক্ষ্যার প্রশস্ততা কমে যাচ্ছে।
তার উপর নদীর তীরে গড়ে ওঠা ভারী শিল্প কারখানার কারণে প্রতিনিয়ত পণ্যবাহী জাহাজের চলাচল বাড়ছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে সাতটি রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল করে। যাত্রীবাহী লঞ্চ ও পণ্যবাহী জাহাজসহ অন্যান্য জলযান চলাচলের জন্য নৌ পথে ট্রাফিক ব্যবস্থা চালুর দাবি বিভিন্ন সময় উঠলেও তা করতে পারেনি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
এ কারণে প্রায়ই নৌ দুর্ঘটনা ঘটছে। গত দশ বছরে পাঁচটি লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটেছে। কোন ঘটনাতেই ধাক্কা দেওয়া নৌ যানের মালিককে আসামি করা হয় না। এম এল আফসারউদ্দিন লঞ্চের মালিক মামলা করতে চাইলে সেই মামলাও নেয়নি বন্দর থানা পুলিশ। এদিকে লঞ্চডুবির ঘটনায় কার্গো ও লঞ্চ; উভয়ের বেপরোয়া গতি ছিল বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শামীম বেপারী।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ধাক্কা দেওয়া কার্গো জাহাজ ও ডুবে যাওয়া লঞ্চ দু’টোই বেপরোয়া গতিতে চলছিল বলে প্রাথমিকভাবে তারা নিশ্চিত হয়েছেন। ঘটনা আরও পর্যবেক্ষণ করে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।


