রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা
মেহেদী হাসান
প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২২, ০২:২৭ পিএম
আর এক সপ্তাহ পরই মাহে রমজান। রমজান মাস আসলেই নিত্যপণ্যের দাম হয়ে যায় আকাশ ছোয়া। এমনিতেই গত কয়েকমাস দরে বাজারগুলোতে নিত্যপণ্যের দাম চড়া। তারই মাঝে আসন্ন মাহে রমজান মাসকে সামনে রেখে বাজারগুলোতে নিত্যপণ্যের দাম আরেক দফা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এদিকে বাজারগুলোতে সবজির দাম যেন কিছুতেই কমছে না, ৫০ টাকা কেজির নিচে কোন সবজিই পাওয়া যায় না কাঁচা বাজারে।
বাজার করতে এসে পংকজ সাহা নামে একজন ক্রেতা জানান, আমি প্রতিদিন কাঁচা বাজার থেকে সবজি ও তরকারি কিনে নিয়ে যায় কিন্তু গত কয়েকমাস দরে তরিতরকারীর দাম অনেক বেশি। দুই তিন পদের তরকারী কিনলে দেড় দুইশ টাকা চলে যায়। বর্তমানে সংসার চালাতে অনেক সমস্যায় আছি, জিনিসের দাম বাড়ছে কিন্তু আমাদের বেতন ত আর বাড়ে নাই।
আলিফ হোসাইন নামে একজন ক্রেতা জানান, সামনে রমজান মাস আসতাছে, আমরা প্রতি বছরই দেখি রমজান মাস আসলে বাজার গুলোতে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়। আমি সরকারের কাছে দাবী রাখতে চাই রমজান মাসে প্রতিদিনই বাজারেগুলোতে যাতে মনিটরিং এর ব্যবস্থা করে। এদিকে বিক্রেতারা জানান, কয়েকদিন পরে আর একটু দাম বাড়তে পারে।
পাইকাররা যদি দাম বাড়ায় তাহলে আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হবে। গতকাল নারায়ণগঞ্জের পাইকারী দিগুবাবু বাজার ঘুরে দেখা যায়, পেঁয়াজ ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি দরে বিক্রি হচ্ছে ও এক পাল্লা ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশী আদা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ও চায়না আদা ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, রসুন দেশিটা ৫০ টাকা কেজি ও চায়নাটা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সয়াবিন তেল খোলাটা ১৬২ টাকা কেজি/ লিটার ও কোয়ালিটি সয়াবিন ১৫০ টাকা কেজি/ লিটার। তীর ও বসুন্ধরা কোম্পানীর ৫ লিটারের বোতল বিক্রি হচ্ছে ৭৬০ টাকা। চিনি ৭৫ টাকা কেজি। চনা বুট ৭০ টাকা কেজি ও ডাবলি বুট ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বেসন ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়াও সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায় গতকয়েক মাস ধরে সবজির দাম চড়া। কালো বেগুন লম্বাটা ৫০ টাকা কেজি ও গোলটা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। উসতা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পটল ৭০ টাকা কেজি, টমেটো ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আলু প্রতি কেজি ১৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে ও এক পাল্লা (৫ কেজি) ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
শসা ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে ও লেবু ছোট সাইজের ২০টাকা হালি ও বড় সাইজের ৫০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচ ৬০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মুরগীর দামও কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ২০টাকা। বাজারে ব্রয়লার মুরগী ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে,
সোনালী কক মুরগী ৩১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে , লাল লেয়ার মুরগী বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকা কেজি। তাছাড়াও গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকা কেজি, খাসির মাংস ৯০০ থেকে ৯২০ টাকা কেজি , বকরীর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


