Logo
Logo
×

বিশেষ সংবাদ

‘নারীবান্ধব সিদ্ধান্ত থাকলেও বাস্তবায়নে জটিলতা’

Icon

যুগের চিন্তা অনলাইন

প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২২, ০৭:৫৫ পিএম

‘নারীবান্ধব সিদ্ধান্ত থাকলেও বাস্তবায়নে জটিলতা’
Swapno

 

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফওজিয়া মোসলেম বলেছেন, সরকারের নানা ধরনের নারীবান্ধব সিদ্ধান্ত ও নীতি আছে। কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নানা ধরনের জটিলতাও রয়েছে। প্রশাসন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা নারীদের প্রতি সংবেদনশীল নন। এই কারণে কখনও সরকারের নীতির সহযোগিতা আবার নীতির বিরোধীতা করে এগিয়ে যেতে হবে। আন্দোলনের এই পথ দেখিয়ে দেবে মহিলা পরিষদ।


গতকাল বুধবার (৩০ মার্চ) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনে মহিলা পরিষদ প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এইসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের সহসভাপতি সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মখদুমা নার্গিস রত্না।

 

সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি লক্ষ্মী চক্রবর্তীর সভাপতিত্ব ও সহসভাপতি রীনা আহমেদের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য হোসনে আরা বাবলী, বেগম রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদা আক্তার, মহিলা পরিষদ জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি আঞ্জুমান আরা আকসির, সাধারণ সম্পাদক হাসিনা পারভীন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রীতিকনা দাস, লিগ্যাল এইড সম্পাদক শাহানারা বেগম প্রমুখ। বক্তারা বলেন, ১৯৭০ সালের ৪ এপ্রিল পূর্ব পাকিস্তান মহিলা পরিষদ নামে নারীরা সংগঠিত হই।

 

এর পূর্বেও ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার আন্দোলন, স্বায়ত্বশাসনের আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা ছিল। বাংলাদেশের বামপন্থী ও প্রগতিশীল চিন্তাধারা থেকে এ সংগঠনের পথচলা। শিক্ষা ও সংস্কৃতির উন্নয়নে যারা জড়িত তাদের সহযোগিতা মহিলা পরিষদ পেয়েছে। সকলের সহযোগিতার মধ্য দিয়ে মহিলা পরিষদের ৫২ বছরের পথচলা। নারী আন্দোলন কোনো বিচ্ছিন্ন ব্যাপার নয়।

 

নারীর অধিকার মানে মানবাধিকার। সুতরাং নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন শুধু নারীর নয়, পুরুষেরও সমানভাবে। নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নারীর মানবাধিকার রক্ষা হবে। নতুন প্রজন্মের মেয়েদের মহিলা পরিষদের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে সত্তর ও আশির দশকের মহিলা পরিষদ নেত্রীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

 

মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হেনা দাস, নাজমা রহমান, হোসনে আরা হক, শাহিদা ওসমান, রেনুকা চক্রবর্তী, হাসি গুপ্ত, হাজেরা বেগম, কছিরন নেছা, আশালতা কর, বাণী গুন, পুষ্প রানী বর্মণ, জয়শ্রী বড়ুয়া, অঞ্জলি চক্রবর্তী, ডা. টি এ বানু, নুরুন নাহার বেগম, মঞ্জু রহমান, বকুল রানী বাড়ই, সাবিকুন নাহার হাশমত পরী, অধ্যাপিকা রাশিদা আক্তার,

 

শিরিন জাহান, হোসনে আরা রেজা, শোভা রানী দাস। আরও সম্মাননা প্রদান করা হয় জোবেদা খাতুন, গৌরি ধর, কানন বালা সরকার, স্বরসতী রাণী দত্ত, বীর মুক্তিযোদ্ধা লক্ষ্মী চক্রবর্তী, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রীতিকনা দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুদা সুলতানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. দীপা ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুশ্রী নিয়োগী, খাইরুন নেছা, মঞ্জুশ্রী বড়ুয়া, বেলোয়ারা বেগম মনু,

 

দীপালী রানী দাস, অশ্রু কণা রায়, সালেহা বেগম, সুফিয়া নেয়ামত, রীনা আহমেদ, শোভা চক্রবর্তী, কৃষ্ণা ঘোষ, শান্তাজ বেগম, ডা. দিলরুবা সিদ্দিক, আঞ্জুমান আরা আকসির, শিপ্রা গোস্বামী, রেখা চৌধুরী, কমলা দে, শাহানারা বেগম, সীমা সরকার, কল্পনা রায়, হাসিনা পারভীন, রেখা গুণ, রহিমা খাতুন, শোভা সাহা, সালেহা বেগম, আমিনা বেগম, হাসি চক্রবর্তী, খোরশেদা বেগম, সন্ধ্যা রানী, মোসতারা বেগমকে।

Abu Al Moursalin Babla

Editor & Publisher
ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন