ইসলামী আন্দোলনের মহাসমাবেশে নাসিক ১৪ নং ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দের যোগদান
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২২, ০৬:৫৫ পিএম
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ, শিক্ষা সিলেবাসে ধর্মীয় শিক্ষা সংকোচন বন্ধ ও ইসলাম, দেশ ও মানবতাবিরোধী মদের বিধিমালা বাতিলের দাবিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর জাতীয় মহাসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে বিশাল মিছিল নিয়ে যোগদান করেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ১৪ নং ওয়ার্ড শাখার নেতৃবৃন্দরা।
শুক্রবার (১ এপ্রিল) বাদ জুম্মা গুলিস্তান শহীদ মতিউর রহমান পার্কে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদসহ ৫ দফা দাবিতে এ জাতীয় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমীর ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নাসিক ১৪ নং ওয়ার্ডের সফল সহ-সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এর নেতৃত্বে ও সংগ্রামী সেক্রেটারী মোঃ শাহ আলম এর সার্বিক পরিচালনায় এ সময় মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নাসিক ১৪ নং ওয়ার্ডের জয়েন্ট সেক্রেটারী হাজী মোঃ মনির,
সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আমির হোসেন, ১৪নং ওয়ার্ড মুজাহিদ কমিটির সদস্য জয়নাল আবেদীন আবেদ ও ১৪ নং ওয়ার্ড ইসলামী আন্দোলনের সদস্য মোঃ আব্দুল আজিজ সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। মিছিল শুরু পূর্বে সংক্ষিপ্ত এক বক্তব্যে সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এ সরকার দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করে লুটপাট করছে। দেশের দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি রোধে সরকারের ব্যর্থতা ইতিমধ্যে প্রমাণ হয়েছে।
দ্রব্যমূল্যের এই উর্ধ্বগতি রোধ করতে না পারলে এ সরকারের উচিত ক্ষমতা ছেড়ে দেয়া। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশের অর্থনীতি ও বাজার ব্যবস্থা ভেঙ্গে দিয়েছে। দেশের মানুষ এখন আর আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে বিশ্বাস করতে পারছে না। বাজারে তেমন কোন নজরদারি নেই, মাঝেমধ্যে কোথাও কোথাও ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে দু-চারজনের জরিমানা করে মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে।
বাস্তবে কোথাও কোনো তদারকি নেই। দেশের জনগণ এখন বিকল্প শক্তি হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে দেখতে চায়। এসময় ১৪ নং ওয়ার্ডের সাধারন সম্পাদক মোঃ শাহ আলম বলেন, প্রশাসন ও স্থানীয় কতৃর্পক্ষের নিকট আমাদের জোরালো দাবি, সিন্ডিকেট ও মজুদদারি বন্ধ করে দ্রব্যমূল্য সকল শ্রেণীর মানুষের ক্রয়সীমার মধ্যে রাখুন।
সামনে রমজান মাস আসছে দ্রব্যমূল্য দিন দিন বৃদ্ধির ফলে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য পরিবার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। খেটে খাওয়া মানুষ যেনো দু-বেলা খেয়ে সিয়াম সাধনা করতে পারে সরকারের সে দিকটা বিবেচনা করা উচিত।


