রমজানে যানজট নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা চান ব্যবসায়ীরা
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২২, ০৪:৪৯ পিএম
রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মার্কেটে ক্রেতাদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা চেয়েছেন ব্যবসায়ীরা। মার্কেটের নিরাপত্তা এমনকি যানজট নিরসন করে চলাচল নির্বিঘ্ন করতে সহায়তা চাওয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। ছিনতাইকারী, টানা পার্টি, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি সম্পর্কে সজাগ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
এদিকে রমজানের প্রথম দিনেই যানজটে ভোগান্তি পোহাতে হয় নগরবাসিকে। অনেক মানুষ তার কর্মস্থল থেকে বাসায় পৌছানোর জন্য এক ঘন্টা পূর্বে বের হয়েও সঠিক সময়ে পৌছাতে পারেন নাই। অভিযোগ রয়েছে চাষাঢ়া থেকে ২ নম্বর রেলগেইটে যাইতেই সময় লেগেছে ৪০ মিনিট। এছাড়াও ইতিমধ্যে নগরীর মার্কেট গুলোতে উপেচ পড়া ভীড় পরেছে।
এই সময় ফুটপাতে অন্তত হেটে চলাচল করার দাবী তুলেন নগরবাসি। অন্যদিকে ব্যবসায়ী নেতারা যানজট নিয়ন্ত্রণ, ক্রেতাদের নির্বিঘ্নে চলাচল, চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশের কার্যকরী ভূমিকা, রাতের বেলায় মার্কেটকেন্দ্রিক নিরাপত্তা,শপিং শেষ করে ক্রেতারা যেন ছিনতাই কিংবা অজ্ঞান পার্টির সম্মুখীন না হয় সে ব্যাপারে পুলিশের সহায়তা চান।
গত দু'বছর করোনাভাইরাসের বিধিনিষেধের কারণে অনেকেই মার্কেটবিমুখ ছিল। কিন্তু এবছর করোনা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকায় নেই কোনও বিধিনিষেধ। রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে সে কারণে মার্কেট মুখে ক্রেতাদের চাপ বাড়বে বলে মনে করছেন নগরবাসি। এসময় মার্কেটগুলো নিরাপত্তার পাশাপাশি সড়কের নিরাপত্তা দেওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
এসব চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখেই নিরাপত্তা নিশ্চিতে এরই মধ্যে বেশ কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে। জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হাসান ইমাম বলেন, আমরা চাই ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ।
করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে নিরাপত্তা সবচেয়ে বড় সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। গত ২ বছর করোনার কারনে মার্কেটগুলো বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এবার তেমন একটা বিধি নিষেধ না থাকায় মার্কেটে ক্রেতাদের চাপ থাকবে। ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের জন্য আমরা পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।
তিনি বলেন, সব সময়ই দেখা যায় রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে ছিনতাইকারী কিংবা অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় অপকর্ম ঘটিয়ে থাকে। এই শঙ্কা যেন এবছর না থাকে সেজন্যই পুলিশ ও গোয়েন্দারা আরও বেশি সক্রিয় থাকবে এটাই আমরা প্রত্যাশা করছি।
জেলা ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ঈদ ও রমজানকে কেন্দ্র করে জনগণের চলাচল নিশ্চিত করতে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি থানা পুলিশকেও ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে কাজ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এছাড়া ছিনতাইকারী, অজ্ঞান পার্টি, মলম পাটির তৎপরতা ঠেকাতে এসব চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করে অভিযান পরিচালনা করার নির্দেশনাও দেন। পাশা পাশি পুলিশ কয়েকটি টিম সাদা পোশাকে কাজ করভে। এছাড়াও থানা পুলিশকে টহল বাড়ানো নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


