# বারবার এমপি হয়েও ঢাকা-না.গঞ্জ পুরনো সড়কে কোনো উন্নয়ন করেননি
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি একেএম শামীম ওসমান সব সময় বড় বড় কথা বলতে পছন্দ করেন। কিন্তু তিনি এই আসনে বার বার এমপি নির্বাচিত হলেও ঢাকা নারায়ণগঞ্জ পূরনো সড়কের কোনো উন্নয়ন হয় নাই। সড়কটির দুই পাশে পর্যাপ্ত জায়গা থাকার পরেও যুগ যুগ ধরে সড়কটি দুই লেনই রয়ে গেলো। তাই এই সড়কে দিন রাত চব্বিশ ঘন্টাই যানজট লেগে থাকে।
তাই এই সড়কের দুই পাশের বাসিন্দারা জানিয়েছেন শামীম ওসমান কথায় যতোটা পারদর্শী কাজের বেলায় লবডঙ্কা। তিনি বরাবরই কথায় বড় কিন্তু কাজে বড় নন। তাইতো এই সড়কের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।
এই সড়কটি নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া মোড় থেকে পঞ্চবটি এবং পাগলা হয়ে রাজধানীতে গিয়েছে। লিংক রোড নির্মাণের আগে এই সড়কটিই ছিলো রাজধানীর সাথে নারায়ণগঞ্জের যোগাযোগের একমাত্র সড়ক।
কিন্তু নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য দুঃখের বিষয় হলো সড়কটি অবহেলায় পরে আছে যুগের পর যুগ ধরে। কারন গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি প্রশস্ত করা হচ্ছে না। সেই বৃটিশ বা পাকিস্তান শাসনামল থেকে সড়কটির প্রশস্ততা একই রয়েছে। নারায়ণগঞ্জের প্রবিন নাগরিকদের মতে শত বছর আগে যে দুই লেনের সড়ক নির্মান করা হয়েছে এখনো সেই দুই লেনই রয়েছে। বরং ক্ষেত্র বিশেষে এর প্রশস্ততা আরো কমেছে। ফলে রাস্ট্রের সড়ক জনপদ বিভাগ এই সড়কটিকে চরম অবহেলা করছে বলে মনে করেন নারায়ণগঞ্জের সাধারন মানুষ।
এদিকে নারায়ণগঞ্জের সাধারন মানুষের মতে স্বাধীনতার পূর্ব এবং পরবর্তী সময়ে এই সড়ক দিয়ে যে পরিমান যানবাহন চলাচল করতো এখন চলাচল করে তার চেয়ে অন্তত তিনশ গুন বেশি। কারন বিগত পঞ্চাশ বছরে নারায়ণগঞ্জের এবং এই সড়কের দুই পাশের্^ জনসংখ্যা ছিলো বর্তমানের দুইশ ভাগের এক ভাগ। বলা চলে সড়কটির দুই পাশে ছিলো চাষের জমি। কোনো মানুষ বাস করতো না।
আর এখন গড়ে উঠেছে লাখ লাখ মানুষের বসতি। তাই সড়কটির প্রশস্ততা না বাড়ায় সারাদিন যানজট লেগেই থাকে। তাই সড়কটির দুই পাশে পর্যাপ্ত জায়গা থাকার পরেও কেনো প্রশস্ত করা হচ্ছে না সেটা কেউ বলতে পারছেন না। নারায়ণগঞ্জর সাধারন মানুষ মনে করেন এখনই সড়কটি দুই পাশে প্রশস্ত করা দরকার। কিন্তু শামীম ওসমান রয়েছেন ঘুমিয়ে। তার যেনো কোনো দায়ই নেই।


