ফতুল্লা মডেল থানার নবাগত ওসি রেজাউল বলেছেন,আমার যোগদানের ২৪ ঘন্টা হয়েছে। আমার সমালোচনা না করো সহায়তা করুন। মাদক,কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে আমি কাজ করে যাবো। আর যদি তা না পারি তাহলে নিজেই ইস্তেফা দিয়ে ফতুল্লা থেকে চলে যাবো। রোববার (১৫ মে) বিকেলে ফতুল্লা মডেল থানার সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি আরো বলেন ইচ্ছে করে ফতুল্লায় বদলী হয়ে এসে ২৪ ঘন্টার মধ্যে চার ঘন্টা বিশ্রাম নিতে পারিনি। খুব গুরুত্বপূর্ন একটি থানা অনেক ব্যস্ত থাকতে হয়। অনেক সমস্যা এক সাথে দেখতে হয় তিনি বলেন ফতুল্লায় চুরি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাং অপরাধ বেশি। এসব অপরাধীদের খুব দ্রুতই নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা করবো। এজন্য সকলের সহযোগিতা চাই।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) নাজমুল হাসান,পরিদর্শক(তদন্ত) তরিকুল ইসলাম, পরিদর্শক(অপারেশন) মাসুদ রানা,ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের সভদপতি আব্দুর রহিম, সাধারন সম্পাদক নিয়াজ মোহাম্মদ মাসুম,যুগ্ম সম্পাদক আলামিন প্রধান,
ফতুল্লা রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি নুর ইসলাম নুরু, মডেল প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক ফরিদ আহম্মেদ বাধন,সহ কমিউনিটি পুলিশিংয়ের নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা। একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু। তিনি বলেন, ফতুল্লার প্রতিনিটি এলাকাই গনবসতি। কারন ফতুল্লা শিল্পাঞ্চল।
আয়তনেও অনেক বড়। এখানে অন্তত ৩টি থানার প্রয়োজন। সেখানে মাত্র একটি থানা। এছাড়া যেমন পুলিশের সংখ্যা কম তেমনি পুলিশের চলাচলে যানবাহনও কম। সব মিলিয়ে অপরাধ দমনে পুলিশ লোকবল ও যানবাহন সঙ্কটের জন্য অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করতে পারেন।


