মহানগর জাতীয় পার্টির আহবায়ক গিয়াস ভেণ্ডার রিমান্ডে
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ১৭ মে ২০২২, ০৭:২০ পিএম
জাল জালিয়াতির মাধ্যমে জাল দলিল সৃজন করে সাড়ে ১৪ একর জমি বিক্রির অপরাধে মহানগর জাতীয় পার্টির আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ওরফে গিয়াস ভেন্ডারের ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (১৬ মে) দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার আলমের আদালতে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
বুধবার (১১ মে) বন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শহরের শহীদনগর এলাকার ছায়াকুঞ্জ নামের সাড়ে ১৪ একর জমির জাল দলিল সৃজন করে প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে গিয়াস ভেন্ডারের বিরুদ্ধে। নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, আদালতে ৩ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
এর আগে আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী বক্তব্য রাখার সময় আসামীপক্ষের আইনজীবীরা বাধা দেয়। তখন বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয় উভয় পক্ষের মধ্যে।মামলার বাদি মো: আজিজুর রহমান মিঠু জানান, মহানগর জাতীয় পার্টির আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী তাদের একান্ত পারিবারিক দলিল লিখক।
এ সুযোগে গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী বাদির সকল বিশ্বাস ভঙ্গ করে বাদির সহি সাক্ষর জাল করে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে জাল দলিল সৃজন করে উহাকে খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করেছে। এ বিষয়টি তিনি জানতে পেয়ে গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী তাকে প্রাণনাশের হুমকী দেয়। পরে তিনি গত ৮ মে নারায়ণগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে পিটিশন দায়ের (নং ১৩৩) দায়ের করেন।
পরে আদালতের বিচারক জাল দলিল সৃজনের অভিযোগটিকে গুরুত্বর উল্লেখ করে অধিকতর তদন্তের জন্য মামলাটি রেকর্ড করতে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের আলোকে মঙ্গলবার রাতে সদর মডেল থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়। পরে বুধবার তাকে বন্দর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, শহীদনগর এলাকার ম খন্ডের ছায়াকুঞ্জ নামের সাড়ে ১৪ একর প্লটের জমির জাল দলিল সৃজন করে মহানগর জাতীয় পার্টির আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ওরফে গিয়াস ভেন্ডার। পরে সেই জমি বিক্রি করার কথা বলে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।


