কাউন্সিলর বাবু ও মুন্না পাওয়ার হাউজের সংঘর্ষের ঘটনা মিমাংসা
স্টাফ রির্পোটার
প্রকাশ: ১৯ মে ২০২২, ০৪:২৩ পিএম
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৮নং ওয়ার্ডের মুসলিম নগর শেষ মাথা পাওয়ার হাউজ এলাকায় গত রবিবার রাত ৯টায় দুই গ্রুপের একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রায় ১০ থেকে ১২ আহত হয়। এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় দু গ্রুপেরই পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ করা হয়। এ বিষয়ে জানা যায়,
নাসিক ১৮নং ওয়ার্ডের মুসলিম নগর এলাকায় মায়ের দোয়া নামে একটি হোসিয়ারীর শ্রমিক ও মালিক এর মধ্যে সামান্য কথা কাটা-কাটির সূত্র ধরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মায়ের দোয়া হোসিয়ারী মালিক সোহেল জানান, গত মাসে আমার হোসিয়ারীতে রিয়াদ নামে একটি ছেলে কিছু দিন কাজ করে। ঈদের পর থেকে রিয়াদ কাজ ছেড়ে দেয়। গত রবিবার বিকেলে রিয়াদ আমার হোসিয়ারীতে এসে আমার কাছ থেকে তার পাওনা ৭০০ টাকা চান।
পরে আমি রিয়াদকে কিছু দিন সময় দিলে রিয়াদ তা মেনে নেয়না, এক পর্যায়ে রিয়াদের সাথে আমার সাথে কিছু কথা কাটা-কাটি হয়। পরে সন্ধা ৭টায় রিয়াদ ৫-৬ জনের একটি গ্যাং নিয়ে আমার হোসিয়ারীতে হামলা চালায়। এসময় তাদের হাতে বাঁশের টুকরা, লাঠি, কুড়ার সহ দেশী অস্ত্র ছিল। রিয়াদের সাথে এসময় হামলায় ছিলেন, রাকিব, সাজ্জাত, হৃদয়,
আরমান, রায়হান সহ আরও কয়েকজন। তারা আমার হোসিয়ারীতে ঢুকে আমার বড় ভাই সবুজ এর উপর হামলা চালায়। পরে আশে-পাশের লোক আসলে রিয়াদ গ্যাং তাদের উপরও হামলা চালায়। এসময় আমরা আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না ভাই ও এলাকা বড় ভাই বিটু ভাইয়ের কাছে গিয়ে নালিশ করি। পরে তারা সেখানে তাদের লোক পাঠালে রিয়াদ গ্রুপ তাদেরকেও মারধর করেন।
এসময় তারা সেন্টু নামে একজনকে এলোপাথালি ভাবে মারধর করে পাওয়ার হাউজ স্টিল মিল এ আটকিয়ে রাখেন। খবর শুনে কাউন্সিলর মুন্না ভাই ও বিটু ভাই ঘটনা স্থলে যান পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে সেন্টুকে উদ্ধার করতে। কিন্তু রিয়াদের সাথে থাকা বাহিনীরা পাল্টা মুন্না ভাই ও বিটু ভাইয়ের উপর হামলা চালায়। পরে এলাকাবাসি ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের উপরও হামলা চালায়।
এ ঘটনাটি তারা মিথ্যা নাটক সাজিয়ে থানায় মামলা করেন, তারা প্রচার করছেন যে বিটু চাঁদার দাবীতে এ হামলা চালায়। তা সম্পন্ন মিথ্যা, এ বিষয়ে আজ বুধবার আমাদের ১৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুন্না ভাই ও ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু ভাই বিচার করে দু’পক্ষের মধ্যে মিলিয়ে দিয়েছেন।
এ বিষয়ে নাসিক ১৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না বলেন, আমরা দুই এলাকা থেকে দুই কাউন্সিলর দায়িত্ব নিয়েছি, দুই পক্ষকে বসিয়ে এটা সমাধান করে দেবো। পরবর্তীতে দরকার হলে এলাকার মুরব্বিদের নিয়েও বসব। এ বিষয়ে নাসিক ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু বলেন, দুটি ওয়ার্ডই পাশা-পাশি ওয়ার্ড, তাদের মধ্যে একটা ভুল বুঝা-বুঝির কারে এ ঘটনা ঘটে। আমরা বসে দু পক্ষকেই মিল মিস করে দেবো। মামলার যে বিষয়টি রয়েছে সেটা আমরা দু জনকে বসিয়ে আপোষ নামা করে দেবো।


