ডি এন রোডে দু’গ্রুপের হানাহানির বলী
ছয়দিন যমে-মানুষে টানাটানির পর গতকাল রোববার) সকাল সাড়ে ৬টায় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর আহত সুব্রত মন্ডলের (১৯) মৃত্যূ হয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জ সাইনবোর্ড এলাকায় অবস্থিত প্রো এ্যাকটিভ হাসপাকালে সুব্রত মারা যায়। নিহত সুব্রত একজন হোসিয়ারী শ্রমিক ছিলেন। সে তার মা-বাবার চার সন্তানের মধ্যে তৃতীয় ছিল।
পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, গত ১৫ মে রাত পৌনে একটায় দেওভোগ জিউস পুকুর পাড় অবস্থিত শনি মন্দিরের সামনে সায়েম ওরফে ইয়াবা সায়েম, সাজিদ. বাবু, দোলন, আল আমিন, রাকেশ, তনয়, প্রনয়, নিরব, সুদেব, অনীক, রাজিব, প্রিতম. নোমান ও রিয়াদ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র নিয়ে সুব্রত এর উপর হামলা চালায় এবং তাকে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে যায়।
সঙ্গাহীন অবস্থায় সেখানে সে সারারাত পড়ে ছিল। ১৬ মে সকালে সুব্রত পরিবারের লোক তাকে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের ডাক্থার তাকে রেফার করলে পরবর্তিতে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। ১৭ মে সুব্রতকে সিদ্ধিরগঞ্জের প্রো-এ্যাকটিভ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডাক্তাররা জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত কারণে সুব্রতের রক্তে শ্বেতকনিকা কমে য়ায় এবং তার কিডনী সমস্যা দেখা দেয় এবং ছয়দিন ভুগে অবশেষে রোববার ভোরে সে মারা যায়।
নিহত সুব্রতের বড় বোন লিপি মন্ডল জানিয়েছেন, ১৫ মে রাতে এ কোপাকোপির ঘটনায় ১৬ মে তিনি নারায়নগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু পুলিশ তার অভিযোগটি মামলা হিসেবে রজু করেনি। এ কারণে ১৭ মে তিনি আদালতে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। গতকাল বিকেলে সুব্রতের লাশ ডিএন রোডে নিয়ে আসলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। সন্ধ্যার পর লাশ মাসদাইর শশ্মানে সৎকার করা হয়।


