ক্রেতা মুকুলের কাছেই ফিরে গেছে তার টাকা
পরিচয় প্রকাশ গুপ্ত
প্রকাশ: ২৭ মে ২০২২, ০৭:৪৭ পিএম
# আলীগ অফিস বিক্রির ৫০ লাখ টাকা উগরে দিতে হলো মনা সরদারকে
২০২০ সালে ‘মা হোটেল’ এর কাছে ডিআইটির বিএনপি অফিস ২২ লাখ টাকায় বিক্রি করে মহানগর বিএনপি সহ সভাপতি মোঃ আঃ মজিদ সেই টাকা হজম করে ফেললেও ১৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ অফিস বিক্রির ৫০ লাখ টাকা সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মনোয়ার হোসেন মনা সরদার হজম করতে পারলেন না।
কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও গোয়েন্দা সংস্থার চাপে পড়ে মনা সরদার অবশেষে অফিসের পজেশন বিক্রির ৫০ লাখ টাকা ক্রেতা তোফাজ্জল হোসেন মুকুলকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। এর অর্থ, অফিস বেচাকেনা বাতিল হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ অফিস আওয়ামী লীগেরই রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ মে (সোমবার) দুপুরে একটি গোয়েন্দা সংস্থার দুজন লোক এসে হাজির হন বিক্রি হয়ে য়াওয়া আওয়ামী লীগ অফিসে।
এর কিছুক্ষণ পর কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দু’নেতা এসে অফিসে প্রবেশ করেন। শফি ও এনাম নামে এ দু’নেতা এবং গোয়েন্দা সংস্থার দুজন অফিস আশপাশের দোকান মালিকদের সঙ্গে এ বেচাকেনার ব্যপারে আলাপ করলে তারা জানান,কাছেই মনা সরদারের বাড়ি, এ ব্যাপারে তিনিই বিস্তারিত বলতে পারবেন। মনা সরদারের কাছে অফিস বিক্রির কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন,
স্থায়ী অফিস করার জন্যই তিনি এ কাজ করেছেন। জানেন না দলীয় কার্য্যালয় বিক্রি করা যায় না। এ কথার কোন জবাব দিতে পারেননি মনা সরদার। দ্বিমুখী চাপে এক পর্যায়ে ভেঙ্গে পড়েন তিনি। এ বৈঠকের কিছুক্ষণ পর তাই জনতা ব্যাঙ্কের শাখায় আওয়ামী একাউন্ট থেকে অফিস বিক্রির জমা দেয়া ৫০ লাখ টাকা তিনি ক্রেতা তোফাজ্জল হোসেন মুকুলের একাউন্টে ফেরত পাঠান।
তবে কমিটিকে মিষ্টি খেতে দেয়া মুকুলের দশ লাখ টাকার কি হয়েছে তার কোন হদিস পাওয়া যায়নি। এদিকে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ অফিষ শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগেরই থেকে যাওয়ায় তৃণমূল কর্মীরা ভীষণ খুশী হয়েছে। তারা সময়োপযোগী সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সাধুবাদ জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা ওয়ার্ড সভাপতি মনা সরদার, সেক্রেটারী রফিকুল ইসলাম রফিক ও যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সায়েদুল ইসলাম শাকিলের বহিষ্কার দাবী করেছে।


