নয় দফা দাবি বাস্তবায়নে সমাজতান্ত্রিক শ্রমিকফ্রন্টের শ্রমিক সমাবেশ
যুগের চিন্তা অনলাইন
প্রকাশ: ২৮ মে ২০২২, ০৯:৫৩ পিএম
বাজেটে শ্রমিকের রেশন, আবাসন, চিকিৎসার জন্য বিশেষ বরাদ্দ, শ্রমঘন অঞ্চলে নারী শ্রমিকদের জন্য হোস্টেল ও বয়স্ক শ্রমিকদের জন্য পেনশনসহ ৯ দফা দাবি বাস্তবায়নে বাজেটে বরাদ্দের দাবিতে শ্রমিক সমাবেশ ও মিছিল করেছে সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা। শুক্রবার (২৭ মে) বিকাল ৫ টায় নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এ শ্রমিক সমাবেশ ও শহরে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি আবু নাঈম খান বিপ্লবের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি সেলিম মাহমুদ, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সহসভাপতি এম এ মিল্টন, রি-রোলিং স্টিল মিলস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক এস এম কাদির, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট জেলার সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শরীফ, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের জেলার সংগঠক সুলতানা আক্তার, রিকশা, ব্যাটারি রিকশা,
ইজিবাইক চালক সংগ্রাম পরিষদ নেতা মিজানুর রহমান। নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে এস.ডি.জি’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এস.ডি.জি’র ১৭ টি লক্ষ্যের প্রথম লক্ষ্য কোনো দারিদ্র থাকবে না, দ্বিতীয় লক্ষ্য খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির উন্নয়ন, অষ্ঠম লক্ষ্য শোভন ও পূর্ণকালীন কাজ নিশ্চিত করা, দশম লক্ষ্য বৈষম্য বিলোপ।
করোনা পরবর্তীতে দারিদ্র বেড়েছে, বেড়েছে অপুষ্টি, কর্মহারিয়ে অনিশ্চয়তায় ধুঁকছে লক্ষ লক্ষ পরিবার, ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য তীব্র হয়েছে। এই সময়ে এস.ডি.জি অর্জন করতে হলে প্রায় ৭ কোটি শ্রমজীবী মানুষ কে সামাজিক সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। তাদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে ভর্তুকি মুল্যে নিত্যপণ্যের রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে, সুস্থ কর্মী উৎপাদনের অন্যতম শর্ত তাই শ্রমজীবীদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা ও আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।
দেশে প্রাতিষ্ঠানিক কর্মক্ষেত্রের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে ফলে অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকদের বার্ধক্যকালিন নিরাপত্তার জন্য শ্রমজীবী পেনশন স্কীম চালু করতে হবে। আর সরকারী কর্মচারীদের পেনশন, সঞ্চয় পত্রের সুদ, কৃষি ভর্তুকির টাকা অন্তর্ভূক্ত করে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ স্ফীত করে দেখালে তা এস.ডি.জি অর্জনের আন্তরিকতার অনুপস্থিতিই প্রমাণ করবে।
ভ্যাট-ট্যাক্সের একটা বড় অংশ বহন করে শ্রমজীবী মানুষ। আমরা প্রত্যাশা করি প্রায় ৭ কোটি শ্রমজীবী মানুষ যারা কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে শ্রম দিয়ে অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখে, যাদের শ্রমে রপ্তানি আয় বাডছে এবং যারা প্রবাসে কাজ করে রেমিটেন্স পাঠায় সেই দেশী ও প্রবাসী শ্রমিকদের আকাংখার প্রতিফলন আগামী বাজেটে থাকবে। এলডি / জেসি


