নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধিতে মধ্যবিত্তরা দিশেহারা
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৯ মে ২০২২, ০৯:০০ পিএম
প্রতিবছর বা প্রতিমাসে, প্রতিদিন জিনিস পত্রের দাম বৃদ্ধি পায়।ফলে জনজীবন হচ্ছে দুঃখ ও ভচালগোন্তির শিকার। ধানের ভরা মৌসুমেও দাম বাড়ছে চালের। শুধু নয় ডাল,আটা,ভোজ্যেতেল,শুকনা মরিচ পিঁয়াজ ও চিনি সহ প্রতিটি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দামই এখন বাড়তির দিকে।
হঠৎ করে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বিদ্ধেতে বিপাকে পড়েছে মধ্যবিত্ত সহ স্বল্প আয়ের মানুষ। একই সঙ্গে বিশ্ব ব্যাংক ও আইএমএফের পরামর্শে গ্যাস,বিদ্যুত ও পরিবহনের মতো সেবা সার্ভিসের মূল্য দাফায় দফায় বেড়ে যাওয়ায় দেশের ক্রেতা-ভোক্তা সাধারন জনগন আরও বেশী অসহায় হয়ে পড়ছে।
দারিদ্র্য সীমার নিচে অবস্থানরত মানুষের জন্য তা এক অভিশাপ হিসাবে বিবেচ্য । কারণ দ্রব্যমূল্য যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে সেভাবে সাধারন জনগনের উপাজন বৃদ্ধি পায়নি। একদিকে দ্যারিদ্র্যর অভিশাপ অন্যদিকে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি জনজীবন কে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে।
নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বগতি বর্তমান বাজার পরিস্থিতি
গত ২০০৫ থেকে ২০১৩ সালের দ্রব্যমূল্যর তুলনামূলক চিত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যায় ২০০৫ সালে মোটা স্বর্ণা/ইরি চালের দাম ছিল ১৫-২০ টাকা,যা উক্ত সময় বিক্রি হয়েছে ৩৫-৪০ টাকায়। নাজিরশাইল/মিনিকেট/লতা দাম ছিল ২৫-৩০ টাকা যা ঐ সময়ে সালে পর্যায়ে ক্রমে বিক্রি হয়েছে ৫৫-৬৫ টাকায়। অন্যান্য পণ্য যেমন মসুরে ডাল ৪৮ থেকে ১০০-১১২ ,সয়াবিন ৫৪ থেকে ১১০ টাকা আটা ১৬-৩৫ ,লবণ ১২ থেকে ১৭ টাকায় ,শুকনা মরিচ ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়,২৮ টাকার চিনি ৫৫-৬০ টাকা গরুর মাংস ১১০-২৫০ টাকা। বর্তমানে মরিচ ,পিঁয়াজ ,আলুর অস্বাবাবিক মূল্য বৃদ্ধির ঝাঁজে ক্রেতাদের রীতিমোত ক্রেতারা অসহায়,মধ্যবিত্তদের নাভিশ্বাস,দারিদ্র মানুষ দিশেহারা।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সম্পর্কে টিসিবির মতামত
সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কপোরেশন আব বাংলাদেশ (টিসিবি)’র হিসাবে গত এক বচরে মসুরে ডাল ১৯.৫৭% মুগ ডাল ২৯.৩৩% চিনি ৫৯.০৯%,পিঁয়াজ ৪৬% শুকনা মরিচ ৩৫% ও আলু ৭৪.০৭% হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া গত দুই-তিন মাসের ব্যবধানে চাল,িিচিনআটা এই তিনটি পণ্যের দাম বেড়েছে যথাক্রমে ১০.৮৭% ,৩.৮০%,এবং ১৪.৬৩%।
কিভাবে বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য
ভরা মৌসুমে এখন চালের দাম বাড়ার কোন কারণ নেই। স্থানীয় পাইকারী ও খুচরা চাল ব্যবসায়ীরা , হঠাৎ করে চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে যা এক শ্রেনীর চাল মিল মালিকদের অতি মুনাফা লাভের প্রবণতাকে দায়ী করছেন। কিন্তু আমাদের দেশের নীতি নির্ধারক কি করেছ কার লাভের জন্য এই মূল্য বৃদ্ধি আমরা জানতে চাই।
শহরের বিভিন্ন ব্যবসায় কেন্দ্র ঘুরে তথ্যানুসন্ধান করে দেখা গেছে, কোনো ব্যবসায়ী বাজারে পণ্যের অভাব আছে বলে জানায়নি। খুচরা বিক্রেতারা নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে সাফাই গেয়ে জানায় যে তারা পাইকারী বাজার থেকে উচ্চমূল্যে পণ্য ক্রয় করেছে। কম দাম হাঁকা তাদের পক্ষে অসম্ভব।
পাইকারি বাজারের ব্যবসায়ীদের ওই একই সুর। আসলে বাজারের পরিস্থিতি এরূপ দাঁড়িয়েছে যে, মজুমদারের নিজের লাভের জন্য জিনিসপত্রের দাম চড়িয়ে দিয়েছে এবং তাদের দেখাদেখি সকল ব্যবসায়ীরা বেশি মুনাফার পথ বেছে নিয়েছে।
মূল ঘটনা এই যে, বাজারের ওপর কারো কোন সঠিক নিয়ন্ত্রণ নেই। বরং, ব্যবসায়ীরা বাজেট, খরা, বন্যা, হরতাল, ধর্মঘট, পূজাপার্বণ, ঈদ উৎসব, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্যের বৃদ্ধির বাহানায় নিত্যব্যবহার্য পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। এ যেন রেওয়াজে পরিণত হয়েছে।
কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে সরকার আমদানি শুল্ক কমানো সহ অন্যান্য সুবিধা দিলেন ব্যবসায়ী পণ্যের দাম কমানো বস্তুত, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য বৃদ্ধির কারণ ও সূত্র নানাবিধ। তবে উৎপাদন অব্যবস্থাই যে এর মূল কারণ এতে কোনো সন্দেহ নেই।নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি ক্রেতারা অসহায়,মধ্যবিত্তদের,নাভিশ্বাস, দারিদ্র মানুষ দিশেহারা।
এই শহরের কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসী বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ বক্তব্য আলোচনা করেন আলোচনা করেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি নারায়ণগঞ্জ জেলা ন্যাপের সভাপতি এড. এম এ ওহাব, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আওলাদ হাসান, অজয় কিশোর মোদক, জাহাঙ্গীর আলম টিপু, মো. সেলিম সহ-সভাপতি নারায়ণগঞ্জ মহানগর ন্যাপ, সৈয়দ জাভেদ আহমেদ সাধারণ সম্পাদক নারায়ণগঞ্জ মহানগর ন্যাপ সভায় সভাপত্বিত করেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর ন্যাপ, কার্যকারী সভাপতি এডভোকেট এ,বি,সিদ্দিক।এমই/জেসি


