ভোট টানতে মূলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে শীতলক্ষ্যা-৩ সেতু
পরিচয় প্রকাশ গুপ্ত
প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২২, ১০:১০ পিএম
#আগামী ডিসেম্বরে উদ্বোধন হবে বলা হলেও কাজ শেষ হয়নি
এক যুগ আগে (২০১০ সালের ৯ ডিসেম্বর) একনেকের সভায় একই সঙ্গে অনুমোদন পেয়েছিল পদ্মা সেতু ও তৃতীয় শীতলক্ষ্যা (মদনগঞ্জ- চর সৈয়দপুর) সেতু। এর মধ্যে ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতুর নির্মান শেষ। তিন সপ্তাহ পর আগামী ২৫ জুন এ সেতুর উদ্বোধন অর্থাৎ সেতু দিয়ে যানবাহনের পারাপার শুরু হবে। অথচ, এক যুগ পরেও মাত্র চারশ’ মিটার দীর্ঘ শীতলক্ষ্যা-৩ সেতুর নির্মান শেষ হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মূল শীতলক্ষ্যা-৩ সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দু’পারে এ্যপ্রোচ সড়ক, গাড়ি চলার সংযোগ সড়ক এবং টোল প্লাজা নির্মান কাজ শেষ হয়নি। তারপরও কর্তৃপক্ষ আগামী ডিসেম্বরে এ সেতু উদ্বোধনের আশাবাদ ব্যাক্ত করেছেন। তবে, রাজনৈতিক মহল তা বিশ্বাস করছেন না। তারা মনে করেন, শীথলক্ষ্যা-৩ সেতু হচ্ছে জাতীয় নির্বাচনে বন্দরবাসীর ভোট টানার জন্য নাকের ডগায় ঝুলিয়ে রাখা মূলা।
নব্বইয়ের দশক থেকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে এমপি হতে বার বার এ মূলা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এড. আবুল কালাম, এস এম আকরাম, নাসিম ওসমান ও সর্বশেষ সেলিম ওসমান, এরা সবাই এ মূলা ব্যবহার করে সুফল পেয়েছেন। তইি আগামী দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনেও যে এ মূলা ব্যবহৃত হবে এ ব্যাপারে রাজনৈতিক মহল নিশ্চিত।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক ভাবে এ সেতুর নির্মান ব্যায় নির্ধারন করা হয়েছিল ৩৭৭ কোটি ৬২ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। পরবর্তীতে (২০১৫ সালের ২৯ মে) সংশোধনীর মাধ্যমে এ ব্যায় বৃদ্ধি করে পুর্ণনির্ধারন করা হয় ৫৩৯ কোটি,৬৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। এরপর আরও দু’দফা ব্যায় বৃদ্ধির পর বর্তমানে এ ব্যায় নির্দ্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৬১৯ কোটি টাকা।এমই/জেসি


