শহরে রেললাইনে সড়ক হলে যানজট অর্ধেক নিরসন হবে : হাজী নূর উদ্দিন
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২২, ০৭:০৯ পিএম
আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী সংগঠনের সভাপতি হাজী নূর উদ্দিন যুগের চিন্তা আয়োজিত ‘যানজটমুক্ত নারায়ণগঞ্জ শহর’ বিষয়ে গোলটেবিল বৈঠকে নিজের বক্তব্যে বলেন, নারায়ণগঞ্জ দ্বিতীয় শ্রেণির জেলা হিসেবে এখন বাংলাদেশে পরিচিত। নারায়ণগঞ্জ যেহেতু পাঁচটি উপজেলা নিয়ে জেলা এ কারণ নারায়ণগঞ্জকে দ্বিতীয় শ্রেনির জেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং সেভাবে সুবিধাগুলো ভোগ করতে পারি। ঢাকা জেলা পাঁচটি উপজেলা নিয়ে গঠিত। গাজীপুর জেলা পাঁচটি উপজেলা নিয়ে গঠিত।
বাংলাদেশের ৮টি উপজেলা ক্রমে বেশি যারা তারা প্রথম শ্রেণির জেলা আর আটটির নিচে যারা তারা তৃতীয় শ্রেণির জেলা আমরা যেহেতু পাঁচটি আমরা দ্বিতীয় শ্রেনির র্পযায়ে রেখেছে। পুরো ৪০ রক্ষ লোক বসবাস করে আমাদের এখানে। গাজীপুর শহর পাঁচটি জেলা সেটাকে বিশেষ শ্রেনির জেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং সেখানে তারা বিশেষ শ্রেণির মর্যাদায় সরকারি অনুদান পেয়ে সমৃদ্ধ হচ্ছে।
ঢাকা পেয়ে থাকতে পারে কারণ ঢাকা রাজধানী কিন্তু নারায়ণগঞ্জ পাঁচটি উপজেলা হয়ে কেন আমরা দ্বিতীয় শ্রেণির জেলা হয়ে থাকবো আমি এটার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং গাজীপুরের পাশাপাশি আমাদেরকেও যেন দ্বিতীয় শ্রেনির জেলায় মর্যাদায় চিহ্নিত করা হয় এবং সকল সুযোগ সুবিধাগুলো যেন আমরা পেয়ে থাকি। নারায়ণগঞ্জ শহর দুইশো বছর আগের শহর নয় কোনো ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই শহর গড়ে দিয়ে যায় নি তারা শুধু ১৮৮৬ সালে রেল সড়কটা স্থাপিত করেছিল ।
জিমখানা থেকে ময়মংসিংহ জেলা পর্যন্ত রেল সড়ক করে ছিল। আর নারায়ণগঞ্জ শহরের উৎপত্তি চারশত পুরোনো। ৩৬৫ বছর যাবৎ আমরা থাকি নারায়ণগঞ্জে। আমাদেরকে টানবাজারের বাবুরা জায়গা দেয় নাই। বাবু কালচার ছিল তখন। আমাদেরকে দিয়ে রেলীবাগান বলে যেখানে আমাদের পূর্বপুরুষ যারা ওমান থেকে বা ইমেন থেকে এসেছিল ওনাদেরকে এখানে জায়গা দিয়েছিল। রেল চলাচলে যে ইস্টেশনটি ব্যবহার করা হয় ১৬ বার ঢাকা যায় ১৬ বার নারায়ণগঞ্জে আসে এভাবে ১৬ বার ছয়টি জায়গায় বেরিকেট সৃষ্টি হয়। মূলত তিনটি বড় বড় বেরিকেট সৃষ্টি হয়। চাষাঢ়া, ২নং রেলগেট, ১ নং রেলগেট। একবার রেল চলাচলের জন্য গেট ফেলানো হলে এই গেট ছুটার আগেই আরেক বার রেলগেট ফেলতে হয়। এই যানজট লেগেই থাকে। নন্দিপারা, গলাচিপা এবং চাষাঢ়া বালুর মাঠ এলাকায় আরো তিনটি রেল চলাচলের জন্য জায়গা আছে সেখানে কিন্তু অনেক গাড়ি চলাচল করে সেখানে কোনো বেরিকেট নেই । আমাদের এখান থেকে রেল চলে চাষাড়া টু কমলাপুর এবং কমলাপুর টু চাষাঢ়া ।
এবাবে যেহেতু রেল চলাচল করে তাহলে পরে ১৬,১৬,৩২ বার যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয় সেটা থেকে আমরা বাঁচতে পারি। ১নং রেল গেট থেকে চাষাঢ়া পর্যন্ত যে রেল লাইনটা আছে সেটা যদি সড়ক পথে রূপান্তরিত করা হয় তাহলে শহরের অর্ধেক যানজট নিরসন হওয়ার সম্ভানা দেখা দিবে। আর যদি তা না হয় তাহলে পরে এখন যে প্রযুক্তি বের হয়েছে যেমন আমরা ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত যে রেল লাইন হচ্ছে বিশেষ করে ফতুল্লা হয়ে আলিগঞ্জ হয়ে মাওয়া পর্যন্ত অধিকাংশ জায়গায় মেট্রো রেল এর মতো উপর দিয়ে রেল চলবে । এভাবে যদি রেল পথটি তৈরি করা যায় তাহলে সড়কটি সড়ক পথে রূপান্তরিত করা যায়। এভাবেই আমরা অনেকটা যানজট থেকে মুক্ত পেতে পারি।
এটা হলো একদিক আর আরেকটা হলো বঙ্গবন্ধু সড়ক, সিরাজদ্দৈালা সড়ক, শায়েস্তা খান সড়ক, মীর জুমলা রোড,থেকে সকল হকার ও অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করতে হবে । সিরাজদ্দৈালা রোড একটা হাটবাজার, এটা কোনো সড়ক না একটা হাটবাজার। সড়কের দুই পাশে দোকান তো আছেই, পাকা রাস্তার উপরে দোকান। নারায়ণগঞ্জ কলেজ,টিএনটি,নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল এর এখানে বসতে দেয় না। কিন্তু ঐখানে দেখা যায় ফুটপাতের উপরে যে স্লাব আছে সেই স্লাবটা দখল করে দোকান করছে বাইরে সেখানে কাপড় চোপড় নিয়ে বসে তারপর কিছুটা রাস্তা এরপর চাকা দিয়ে টলি বানিয়ে সেখানে রাস্তার মধ্যে দোকান, সারি বদ্ধভাবে দোকান। তারপর রাস্তার পূর্ব পাশে রেলস্টেশন সংলগ্ন সেখানে রেলের জমিতে দোকান ।
পাকা সড়কের মধ্যে টুল টেবিল দিয়ে বাড়তি অংশ বাড়িয়ে দোকানের কাজ চলছে এগুলি যদি উচ্ছেদ করা না হয় পরে কালিবাজারের যেই মাজারটা সেখান থেকে শুরু করে চান্দু সরদারের তেলের পাম্প পর্যন্ত সেখানে হাটার সুযোগ নাই এবং সেখান থেকে ঢাকা যাওয়ার বাসগলি মেট্রো হলের এখান দিয়ে চলে আসে । আমাদের উপস্থাপনা হলো এ সমস্ত রোড থেকে এ ধরনের অবৈধ ব্যবসায়ী এবং হকারদের অবশ্যই উচ্ছেদ করতে হবে পাশাপাশি সিরাজদ্দৈালা রোডকে ১০০ ফুট সম্ভব না হলে ৮০ ফুট প্রস্থত করতে হবে। তাহলে পরে এখান দিয়ে মানুষ চলাচল করতে পারবে।
২নং রেল গেট ও চাষাঢ়া গোল চত্বর এর চারি দিকে রাস্তায় কোনো যাত্রীবাহি বাস বা কোনো যানবাহন পার্ক করতে পারবে না । ২নং রেলগেট এর এখানে যে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ আছে এর পাশে দুই তিনটি কোম্পানির বাস এসে দাড়ায় থাকে তাদেরকে অনেক বলা হয়েছে পত্রিকায় অনেক লিখা হয়েছে কিন্তু তারা সে জায়গা ছাড়তে রাজি নয় এবং সে মনির হোটেলের সামনে তিন-চারটা সিএনজি সবসময় থাকবে এগুলো ইচ্ছা করলে উচ্ছেদ করা যায়। এগুলো উচ্ছোদ করলে রাস্তাটা আরো ফ্রি হবে । আর এ বঙ্গবন্ধু সড়ক থেকে সকল হকার উচ্ছেদ করবে। ডাকবাংলা চাষাঢ়া পুলিশ ফাড়িতে এই দুটিকে স্থান্তর করতে হবে। চাষাঢ়া বঙ্গবন্ধু রোড ফুটপাতসহ হলো ১০০ ফুট আর এই ১০০ ফুট সড়ক দিয়ে যখন গাড়ি চলে ৭০ ফুট আছে পাকা রাস্তা দুইদিকে এই গাড়িটা যখন যায় তখন সে চাষাঢ়া রেললাইন পার হলে আর পার হতে পারে না অথবা পঞ্চপটি থেকে যখন আসছে তখন সে পুলিশ ফাড়ি ও ডাকবাংলো জন্য সে ভিতরে আসতে পারছে না ।
এগুলো নিয়ে নাগরিক মানববন্ধন করছে আমরা মানববন্ধনর করেছি তবে করলে কি হবে আনোয়ার ভাই বলেছেন এগুলো আমি সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবো। প্রশাসন থেকে বলছে পুলিশ ফাড়িটা আমরা উঠাইয়া নিবো। নিবো নিবো করতে করতে মানুষের তো ক্ষতি হচ্ছে,কর্মক্ষমতা নষ্ট হচ্ছে । সুতারাং,এক মিনিট সময় নষ্ট না করে এখনই এগুলো সরানো দরকার। বঙ্গবন্ধু সড়কে সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কোনো মার্কেট, মার্কেটের ভবনের সামনে কোনো প্রকার গাড়ি পাকিং করা যাবে না ।
অনেকে দেখবেন উকিলপাড়া রাস্তার এইপাড় ব্যাংকের সামনে এখানে সেখানে এদিকে গাড়ি পপুলারের সামনে গাড়ি এরাতো ফুটপাতেরর উপরে গাড়ি রাখে এটা হতে পারেনা এগুরো কোথা থেকে আসছে তারাকি আকাশ থেকে ফেরেস্তা আসছে তারা বিল্ডিং করে বসে যায়গা করে বসে পিছনে আমাদের কথা হাইলো রাস্তা এবং ফুটপাত সম্পূর্নমুক্ত রাখতে হবে করে রাখবে আমাদের জেলা প্রসাশক আছে এবং প্রশাসন দুইটাই আছেন আমাদের পুলিশের আকর্ষন আছে সমস্ত তাদের লোকবল আছে সিটি কর্পোরেশন লোক আছে আমাদের নির্বাহী কাউন্সিলররা আছেন আমাদেরকে কেন এই ভোগান্তীতে ভোগতে হবে আমারকি মগের মুলুকে থাকি নাকি কেন কেউ আমাদের নাই দেখার মতো কেউ রক্ষা করার মতো নাই শুধু লেখালেখি করবে পত্রিকায় লেখালেখি হবে এই টকশো হবে আরেকদিন আবার ঘুরে যাবে এগুলো চলতেই থাকবে এগুলো অবশ্যই সরানো দরকার এই বঙ্গবন্ধু সড়ক নিতাইগঞ্জ থেকে এই চাষাড়া পর্যন্ত খালি থাকা দরকার আর বেসজ মালের যে খাদ্যদ্রব্য এই সেন্টু ভাই যেটা বললেন তিনি পুরোটা বলতে পারেন নাই।
এখানে ডাল,তেল,নূন,চাল,আটা অনেক কিছুই এখন থেকে আমার সারা নারায়ণগঞ্জের প্রায় ৩৪টা জেলায় যায় এমপি আছেন আমাদের পুলিশ প্রশাসন আছেন ওনারা ৪জনে একসাথে বসেন বইসা সিদ্ধান্ত নেন কি করলে এদের ব্যবসা এখান থেকে মালপত্র সারাদেশে বাংলাদেশে চলে এই জন্য সুযোগ সৃষ্টি থাকবে এটি বহল থাকবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য গাড়িঘোড়া চলাচলে সুবিধা পাবে আপনি যানেন এখন মাওয়া পদ্মা ব্রিজ চালু হবে আমাদের শীতলক্ষ্যা ব্রিজ চালু হবে তখন এই রাস্তাটা কত বেশি আরো জরুরি হবে কত বেশি আরো প্রয়োজনী হবে কত বেশি আরো মানুষ খানে চলাচল করবে কত বেশি গাড়িঘোড়া চলবে সুতরাং এই রাস্তাকে এই নিতাইগঞ্জের এই রাস্তাকে অবশ্যই খালি করার দরকার এবং যারা আটা ময়দা মিল মালিক চাল ব্যবসায়ী আরধদার যারা ব্যবসা করেন তাদেরকে ভালো করে ব্যবসা করার সুযোগ করে দিত হবে।এমই/জেসি


