শহরকে প্ল্যানে না রেখেই অপরিকল্পিতভাবে লিংক রোড করা হয়েছে : সালাম
যুগের চিন্তা রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২২, ০৮:২২ পিএম
নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের (এনইউজে) সভাপতি আব্দুস সালাম যুগের চিন্তা আয়োজিত ‘যানজটমুক্ত নারায়ণগঞ্জ শহর’ বিষয়ে গোলটেবিল বৈঠকে নিজের বক্তব্যে বলেন, সবচেয়ে বড় অভাব হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের পরিকল্পনা। লিংক রোড ৬ লাইনে হচ্ছে আগামী ৬ মাসের মধ্যে শেষ হবে। কিন্তু আমরা এটা চিন্তা করলাম না যে ৬ লাইন থেকে কয় লাইনে ডুকবো আপনি চাষাড়ায় ২ লেন তাহলে ৬ লেনে যে গাড়িটা আসবে সে কিন্তু দুই লেনে ঢুকছে তাহলে চাষাঢ়া থেকে কি প্ল্যানটা আছে।
চাষাঢ়া থেকে শহরে যে বাসটা ঢুকবে যে ট্রাকটা ডুকবে যে ৬ লেনে অনায়াসে চলে আসলো লিংক রোড দিয়ে তারপর এই ট্রাকগুলো মাল বোঝাই করে যাচ্ছে বিসিকে সেখানে সিঙ্গেল লেন সবচেয়ে বড় জিনিস সেটা হচ্ছে প্ল্যানিং বলতে কেনো জিনিস নাই আমরা ফান্ড তৈরি করছি গর্ভমেন্ট থেকে ফান্ড আসছে সেটা অপরিকল্পিতভাবে আজকে যদি লিংক রোডকে ৬ লেনে করতে হয়। তাহলে শহরকে কয় লেনে করতে হবে। আমি সেদিন মেয়রকে কথাটা বললাম যে চাষাড়া পর্যন্ত আমি ৬ লেনে আসলাম খুব অনায়াসে চলে আসলাম যখন শহরে ঢুকতে গেলাম তখনি ২ লেনে পড়লাম রাইফেল ক্লাবের কি অবস্থা হবে, জিয়া হলের কি অবস্থা হবে, সোনালী ব্যাংকের কি অবস্থা হবে, খাজা মার্কেটের কি অবস্থা হবে, এই প্লানিংটা কিন্তুু আমরা দেখছি না।
না দেখার কারণে এখন কি হয়েছে যেকোনো অপরিকল্পিতিভাবে খুব সহজেই শহরে ঢুকতে হচ্ছে এবং যার জন্য যানজট প্রধান কারণ শহরে ডোকার সময় দ্বিতীয়তো আমরা যদি দেখি মুন্সিগঞ্জ থেকে একাদিক লিংক রোড কিন্তু নরায়ণগঞ্জে তৈরি হয়ে গেছে আমরা পঞ্চপটিতে লিংক রোড দিয়ে ঢুকছে এদিকে নিতাইগঞ্জে মুন্সিগঞ্জ দিয়ে ডুকছে লঞ্চঘাট দিয়ে মুন্সিগঞ্জে ডুকছে কাশীপুর দিয়ে মুন্সিগঞ্জে ডুকছে তাহলে মুন্সিগঞ্জে। কিন্তু ৪টা বা ৫টা লেন তৈরি হয়ে গেছে নারায়ণগঞ্জে ঢোকার তাহলে আমরা কি করলাম এই যে ৫টা লেনে শহরে চলে আসছে এবং তারা কিন্তু অপরিকল্পতিভাবে চলে আসছে। যে যেখান দিয়ে পারছে একটা ২০ ফিটের রাস্তা ১০ ফিটের রাস্তা তৈরি করে দিছে মুন্সিগঞ্জের মোক্তারপুরে নিয়ে সংযোগ করে দিয়েছে এবং তরা পরে যে সমস্যাটা হবে আমরা যদি নাসিম ওসমান সেতুটা চালু করি তখন কি হবে আপনি এখনো মুন্সিগঞ্জে কিন্তু লিংক রোড তৈরি হয় নাই।
পদ্মা সেতু থেকে তাহলে এই মুন্সিগঞ্জে যে সড়ক ব্যবস্থা এটা কিন্তু আমাদের দেখা সেখান থেকে যখন পদ্মা সেতুর কানেকটিন হিসেবে আমাদের নাসিম ওসমান সেতুতে আসবে এবং এখান থেকে যখন বন্দর দিয়ে বের হবে আপনার ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়েতে ঢাকা সিলেট হাইওয়েতে তখন কি হবে আপনি এখন মদনগঞ্জ থেকে যদি আড়াইহাজারে যে রোডটা আছে সেটাতে যদি আপনি যান প্রতিদিন যানজট প্রতিমুহুর্তে যানজট হচ্ছে।আমারা শুধু এই সিটি কর্পোরেশনের এলাকার মধ্যে কিন্তু কাচপুর রয়েগেছে সিটি কর্পোরেশন এলকার মধ্যে কিন্তু সিদ্ধিগঞ্জ রয়েগেছে সেই যানজটগুলে দেখেন আমরা শুধু শহরকে কেন্দ্র করে শুধু কেনো আছি আপনি সিদ্ধিরগঞ্জের মোড়ে যান শিমরাইল মোড়ে যান সেখানে একই অবস্থা এখন তারপর প্রশ্নটা দাড়িয়েছে এই অবস্থা থাকতে দেয়া যায় না।
যেটা জিএম আরাফাত বলছিলেন যে কয় লাখ এখানে অপরিকল্পিতিভাবে অন্য এলাকা থেকে বসবাস করছে সেটা কিন্তু আমাদের কারো জানা নেই আপনি আদমশুমারী হবে আদশুমারীর কাছ শুরু হচ্ছে সিটি কর্পোরেশন আদমশুমারীর জন্য পরিকল্পনা নিয়েছে সরকারীভাবে এখন আদমশুমারীতে আজকে একটা ট্রেনিং এ আমি দেখার সুযোগ হয়েছে।
যারা আদমশুমারী করবেন এখানে কাউন্সিলর শকু আছে সেখানে কিন্তু কোনো পরিকল্পনা নাই যেখানে যে লোকটা নারায়ণগঞ্জ সিটি আদমশুমারীতে আসবে সে কিন্তু কুমিল্লার লোক কিংবা যশোর থেকে আসছে। সেখানে আদমশুমারী হচ্ছে আবার ওই গ্রামের বাড়িতে গিয়ে তারপর আমি একজনকে প্রশ্ন করলাম সে উত্তর দিলো ১০% মাইনাস ১০%প্লাস মানে যা হবে এর মধ্যে ১০% প্লাস মাইনাস করে টোটাল হবে এখন প্লাস হবে না মাইনাস হবে সেটার কোনো সিদ্ধান্ত নাই তাহলে আমার কি ধারণা করতে পারি নারায়ণগঞ্জে আপাতত ৪০ লাখ লোকের বসবাস এই ৪০ লাখ লোক বসবাসের মধ্যে নরায়ণগঞ্জের যারা ২০ বছর আগে বসবাস করতেন গামের্টসশিল্প হওয়ার আগে সেখানে লোক সংখ্যা ছিলো ১৪ লাখ আজকে সেটা ৪০ লাখ হয়েছে আরো বেশি হতে পারে আমারা হয়তো বিসিকের গামের্টসশিল্প দেখেছি আদমজির ইপিজেড দেখেছি আবার এর বাহিরে কিন্তু সেটা সেন্টু বলে গেছেন হোসায়ারীশিল্প পাটশিল্প অনেক শিল্প। কিন্তু নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জের দোশনাল করখানাগুলো এখানে কিন্তু আছে তো এখানে ট্রাক মালিক সমিতির শফিউদ্দিন আছেন। তার কাছে কিন্তু একটা জরিপ নারায়ণগঞ্জে প্রতিদিন কয়টা ট্রাক ঢোকে বা কখন ঢোকছে এটার কোনো হিসাব নেই আপনি শহরকে বঙ্গবন্ধু সড়ককে ওয়ানওয়ে করেছেন এখানে সকাল থেকে রাত আটটা পর্যন্ত বাস ঢোকতে পারবে না বা ট্রাক ঢোকতে পারবে না ।আপনি সেটা কোন দিয়ে ঢোকছে খানপুর হয়ে শায়েস্তাখান সড়ক দিয়ে আবার কিন্তু শহরের উপর দিয়ে গুরে যাচ্ছে সিরাজদ্দৌল্লা সড়ক দিয়ে হোক বা শায়েস্তাখানের এখান দিয়ে কিন্তু ঢোকে যাচ্ছে তো ডুকে যাওয়ার পর ওখানে যে ট্রাফিক ব্যবস্থা।আমি একটু আগ কথা বলছিলাম নারায়ণগঞ্জ জেলাতে ১৭৪ জন ট্রাফিক আছে পুরো জেলাতে এবং পুলিশ প্রশাসন বলছেন যে আমার লোকবোল বাড়ছে না কেন বাড়ছে না। এটাতো মেট্রোপলিটন সিটি না এটা সিটি কর্পোরেশন বাট মেট্রোপলিটন হয় নাই মেট্রোপলিটন না হওয়ার কারণে তার লোক সংস্যা বা তার কর্মচারীর সংস্যা বাড়াতে পারছে না খন্দকার মহিনউদ্দিন যখন এসপি তখন একটা পরিকল্পনা ছিলো।
এটাকে মেট্রোপলিটিনসন করার জন্য মেট্রোপলিটন যদি না ও হয় মেট্রোপলিটন পুলিশের যে সংখ্যাটা যেটা গাজীপুর করেছে এটা নরায়ণগঞ্জে কারার জন্য কিন্তু সেটা পুলিশ প্রশাসন এবং জেলা প্রশাসন তাদের অবন্তরিণের কারণে সেটা হচ্ছে না কেনো হচ্ছে না যদি মেট্রোপলিটনে একজন কমিশনার হয়ে আসে। পুলিশের তাহলে ডিসি কিন্তু পরবর্তী গেড্রে চলে যাচ্ছে এখন যে কারণে জেলা প্রশাসন চাচ্ছে না এটা মেট্রোপলিটিন হোক আবার পুলিশ প্রসাশন চাচ্ছে যেখানে জেলা প্রশাসন অনুমোদন দিচ্ছে না আমি একটু বলি যে আনিসুর রহমান মিয়া যখন ডিসি তখন এটা নিয়ে একটা প্রচন্ড ভাবের একসিস হয়ে ছিলো এবং তখন যে এসপি ছিলেন তিনি একটা প্রপোজাল পাঠিয়েছেন এটা মেট্রোপলিটন পুলিশের মর্যাদা দেয়ার জন্য জেলা প্রশাসন এটাকে বাদ দিয়ে দিয়েছে।
এই প্রস্তাবের সাথে একমত হয় নাই পরে জেলা প্রসাশন যখন ২ বছর পরে এই প্রস্তাবটা যখন ঢাকা থেকে আসলো যে এটাকে মেট্রোপলিটন তখন সিটি কর্পোরেশন হয়ে যাওয়ার পর তখন প্রস্তাবটা আসলো তখন দেখা গেলো জেলা প্রশাসন বাধ্য হয়েছে এই প্রস্তাবটাকে অনুমোদন দিতে বাট তখন আর সময় ছিল না। তখন প্রশাসনিক ভিকেনডি করনের যে কাজটা ছিল এই কাজটার মধ্যে এটা বাধাই বস্তি হয়ে গেলো এবং নারায়ণগঞ্জ কিন্তু আমার পিছনে পরে গেলাম আজকে ট্রাফিক ব্যবস্থাবলি ফুটপাতবলি যা কিছু বলি না কেন সব কিছুর মূলই হচ্ছে আমার রাজনৈতিক একটা সদইচ্ছা থাকত হবে বা সদইচ্ছা থাকতে হবে রাজনৈতিক নেতাদের এক প্লাটফর্মে আসতে হবে। তারা দলীয় অবস্থানে না থেকে নারায়ণগঞ্জে শহরের উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং এগুলো কাজ করতে হবে শুধু সিটি কর্পোরেশন বলেন কেনো নরায়ণগঞ্জে একটি ইউনিভার্সিটি হয় না একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি নাই।
একটা প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ পর্যন্ত নাই কিন্তু আমরা কি অবস্থায় আছি শিক্ষা ব্যবস্থা প্রশাসনিক ব্যবস্থা সব দিকে থেকে কিন্তু আমরা পেছেনে পরে আছি শুধুমাত্র রাজনৈতিক সদইচ্ছার কারণে কয়েকদিন আগে মেয়রকে বলেছিলাম যে সিটি কার্ভোনাস করে হচ্ছে না বললো সিটি কার্ভোনাস হতে দিচ্ছে না কেনো দিচ্ছে না সিটি কার্ভোনাস হলে সিটিতে কিছু পুলিশ আসবে সিটিরি আন্ডারে কিছু কাজ চলে আসবে। এটা হয়তো পুলিশ প্রশাসন চাচ্ছে না যার ফলে সিটি কার্ভোনাস হচ্ছে না এবং সিটি কর্পোরেশন নিজেস্ব একটা ফোর্স থাকা দরকার আজকে নরায়ণগঞ্জ এখানে সাবেক কাউন্সিলার বর্তমান কাউন্সিলার নরায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব কোনো ফোর্স নাই তারা যে একটা ভ্রার্মমান অভিযান চালাবে তার জন্য পুলিশের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। পুলিশ কখন তাকে সুযোগ দিবে ইভেন্ট মেজিস্ট্রেড কখন সিটি কর্পোরেশনে একটা মেজিস্ট্রেট নাই তাদেরকে সিটি কর্পোরশন জেলা প্রশাসনের কাছে কোনো অভিযান চলাতে হইলে তাকে মেজিস্ট্রেট চাইতে হয়। এখন দেখা গেলো যে মেজিস্ট্রেট জেলা প্রশাসনের হাতে মেজিস্ট্রেট আছে ৬ জন যেহেতু এখন জেলা জজের কাছে প্রশাসন ভাগ হয়ে গেছে। সে বলে আজকে ওমুক জায়গায় চলে গেছে কালকে উমুক জাগায় চলে গেছে।
পরশুদিন একটা অভিযান চালানোর জন্য সিটি কর্পোরেশনের অপেক্ষা করতে হয়। যার ফলে ওই তিনদিনের মধ্যে কিন্তু পুলিশ বলি যারা বলি তারা কিন্তু বলে দেয়নি যে অত তারিখে অত সময় কিন্তু অভিযান চলবে সুতরাং তোমরা সাবধান এই অবস্থা থেকে বেড়িয়ে আসতে হলে আমাদের একটা ঐক্যমত দরকার আমাদের একটা প্ল্যাটফর্ম দরকার আজকেব আমরা নারায়ণগঞ্জবাসি আছে নাগরীক কমিটি আছে তারা যদি একটা ঐক্যবদ্ধ হয়ে চেষ্টা করে তাহলে মনে হয় ।
তিনি আরো বলেন, আমরা কিছুুটা হলে আমরা সমাধান পাবো আমি একটা কথা বলি যে নারায়ণগঞ্জে এখন ৬০ হাজারের মতো হকার আছে এবং তাদের দেখবেন একজন ৫ বছর আগে আসছে তার পরে তার পরিবারের এমন কেউ নাই যে সেখানে এই হকারীতে নাই কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অন্য জায়গায় আপনার বিকল্প ব্যবস্থা নাই কাজ করে খাবেন । এরা কিন্তু এই শহরের কিছু না তারা এই সিটি কর্পোরেশন এলাকার কেউ না তাদরেকে যদি বলি ভাষাটা একটু কটুর হয়ে যায় বহিরাগত এসে এখন থেকে পুজি খাটিয়ে এখানে অনেক ভাম্যমান মানুষ তারা এখানে ব্যবসা করে যাচ্ছে। আপনি দেখেন নারায়ণগঞ্জের মানুষ যেকোনো হকারকে জিজ্ঞেস করুন বাড়ি কোথায় উমুক জেলায় তোমার বাড়ি কোথায় সে বলবে আমার ভাতিজা আরেকজন বলবে আমার নাতি সে বলবে আমার চাচাতো ভাই এরা কিন্তু একটা গ্রুপ হয়ে তৈরি হয়ে আসছে এখন ফুটপাত থেকে রাস্তার মধ্যে কিন্তু ওই টলি গাড়ি চলে গেছে । সে জায়গাতে যদি আমরা একটু এই শহরকে বাচানোর জন্য যদি চেষ্টা না করি এক সময় আমার সন্তান তার বাসযোগ্য হয়ে যাবে এই শহর থাকবে না একদিন আমার পরিবারের লোক হয়তো হাটতে পারবে না।
আজকে শকু যদি মিশনপাড়া থেকে বেড় হয় চাষাড়া পর্যন্ত গাড়ি নিয়ে আসতে তার একঘন্টা লেগে যাবে এর আগে সে হেটে আসতে পারবে। কারণ এই অবস্থা এই মুহুত্বে যেটা কথা হয়েছে কিলিনিকগুলো নিয়ে দেখবেন প্রত্যেকটা ক্লিনিকের সামনে ১০০ থেকে ১৫০ মটরসাইকেল আমি সকাল বেলায় একটু ডায়বেটিকস হাসপাতালে গিয়েছিলাম সেখানে দেখি এইযে আপনার বিভিন্ন কোম্পানীর অত্যত ১০০ মটরসাইকেল দাড়িয়ে আছে গেটের বাহিরে একটা রিক্সা যেতে পারবে না আপনি অটোতো বাদ দিলাম কিন্তু এই যে ঔষধ কোম্পানীগুলো আপনি এইখানে যান মর্ডানের নীচে এখন গিয়ে দেখেন কতগুলো পপুলারের সামনে দিয়েতো হাটাই যায় না এটা যদি পরিবর্তন না হয়।
এই শহরবাসী ভোগান্তী আরো হবে আমরা বার বার কথা বলতে পারবো কিন্তু বাস্তবে হবে না কারণ আজকের অনুষ্ঠান মানে প্রশাসনের লোকজনকে আমার আনতে পারি নাই কারণ তারা কি জবাব দিবে এই জবাবগুলোতো তাদের দিতে হবে। এই জবাবতো শকু দিবে না শকু জনপ্রতিনিধি এই জবাবতো শফি দেবে না এই জবাব প্রেসক্লাবের প্রেসিডেন্ট দিবে না দিবে প্রশাসন কিভাবে তাকে নিয়ন্ত্রন করা যায় এবং মানুষের শহরটা বাসযোগ্য করা যায় ।
কিছুটা হলে ও মানুষ আমার এখানে আছি আমরা যে কোনো প্লাটফর্মে যাই না কেন প্রশাসনকে যদি একটু চাপ দিতে পারে আপনারা দেখেন একটা আশ্চর্য বিষয় হাইকোর্ট অডার দিছে ক্লিনিক অভিযান চালানোর জন্য নারায়নগঞ্জ শহরে একটাতে ও অভিযান চলানো হই নাই অভিযান চলছে কোথায় সোনারগাঁয়ে, সিদ্ধিরগঞ্জ,আড়াইহাজর সেখানে দেখা গেছে লুকোচুরি একটা খেলা আছে না।একজন ডাক্তার বসলে বসুক না বসলে নাই সে সই কইরা দিয়ে আসছে ওইগুলো বন্ধ করা হচ্ছে বাট যেগুলো এই শহরের ভেতরে শকু বলতে পারবে তার এলাকায় কয়টা ক্লিনিক আছে অন্যরা বলতে পারবে এদরেকে বারবার আমি বলি আমি স্ট্যাটাজ দিয়েছি আমি এসপির সাথে কথা বলছি আমি জেলা প্রশাসনকে বলছি আমাকে একদিন এডিএমতো বললো যে আমি আজকেই অভিযান চলাবো। তারপর আজকে ১৫দিন আমি নিজে এডিএমের সাথে কথা বলছি কারণ মেজিষ্ট্রেট অভিযান চলানোর দায়িত্ব হচ্ছে এডিএমের এখনো কোনা অভিযান নাই এই বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে যদি আমরা চলতে পারি তাহলে আমরা চলবো আর তা না হলে ঘরে বসে থাকা ছাড়া বিকল্প আর কিছু নেই ।এমই/জেসি


